পঞ্চগড় প্রতিনিধি: পঞ্চগড় সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট পাথর ব্যবসায়ী গোলাম আযমের (৫৩) রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (৫ মার্চ) রাত সাড়ে ১০টায় ওই ব্যবসায়ীর নিজ বাড়ির শয়ন কক্ষ থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশের ধারণা তাকে মাথায় আঘাত করে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তবে হত্যায় জড়িত কারা তা তাৎক্ষণিক জানাতে পারেনি। তবে গোলাম আযমের পরিবারের লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আসামি শনাক্তের জন্য পিবিআইসহ পুলিশের বেশ কয়েকটি ইউনিট কাজ করছে।
স্থানীয়রা জানায়, জাতীয় পার্টির নেতা ও পাথর ব্যবসায়ী গোলাম আযম স্ত্রীসহ তিন সন্তান নিয়ে জেলা শহরের ধাক্কামারা ইউনিয়নের ঘাটিয়ারপাড়া এলাকায় ওই বাড়িতে বসবাস করতেন। বড় ছেলে লিমন বাইরে থেকে পড়াশুনা করছে। বাড়িতে গোলাম আযম, স্ত্রী বন্যা আক্তার, ছেলে বাধন ও ছোট মেয়ে পিংকি থাকত।

শনিবার সন্ধ্যার পর গোলাম আযমের মেয়ে তার বাবাকে ডাকতে তার কক্ষে ঢুকলে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় বিছানায় পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার করে তার মা ও ভাইকে বিষয়টি জানান। মাথায় জখমের চিহ্ন ও রক্তের দাগ দেখে পুলিশের ধারণা তাকে অনেক আগেই হত্যা করা হয়েছে। বাড়িতে পরিবারের সদস্যরা থাকার পরও এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রহস্যের জন্ম দিয়েছে।

পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এসএম শফিকুল ইসলাম বলেন, ওই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। আমরা তার পরিবারের সদস্যসহ যাকেই সন্দেহ হচ্ছে জিজ্ঞাসাবাদ করছি। পিবিআই সিআইডিসহ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। পরে আমরা এই হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে পারব।

পঞ্চগড় প্রতিনিধি: পঞ্চগড় সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট পাথর ব্যবসায়ী গোলাম আযমের (৫৩) রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (৫ মার্চ) রাত সাড়ে ১০টায় ওই ব্যবসায়ীর নিজ বাড়ির শয়ন কক্ষ থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশের ধারণা তাকে মাথায় আঘাত করে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তবে হত্যায় জড়িত কারা তা তাৎক্ষণিক জানাতে পারেনি। তবে গোলাম আযমের পরিবারের লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আসামি শনাক্তের জন্য পিবিআইসহ পুলিশের বেশ কয়েকটি ইউনিট কাজ করছে।
স্থানীয়রা জানায়, জাতীয় পার্টির নেতা ও পাথর ব্যবসায়ী গোলাম আযম স্ত্রীসহ তিন সন্তান নিয়ে জেলা শহরের ধাক্কামারা ইউনিয়নের ঘাটিয়ারপাড়া এলাকায় ওই বাড়িতে বসবাস করতেন। বড় ছেলে লিমন বাইরে থেকে পড়াশুনা করছে। বাড়িতে গোলাম আযম, স্ত্রী বন্যা আক্তার, ছেলে বাধন ও ছোট মেয়ে পিংকি থাকত।

শনিবার সন্ধ্যার পর গোলাম আযমের মেয়ে তার বাবাকে ডাকতে তার কক্ষে ঢুকলে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় বিছানায় পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার করে তার মা ও ভাইকে বিষয়টি জানান। মাথায় জখমের চিহ্ন ও রক্তের দাগ দেখে পুলিশের ধারণা তাকে অনেক আগেই হত্যা করা হয়েছে। বাড়িতে পরিবারের সদস্যরা থাকার পরও এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রহস্যের জন্ম দিয়েছে।

পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এসএম শফিকুল ইসলাম বলেন, ওই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। আমরা তার পরিবারের সদস্যসহ যাকেই সন্দেহ হচ্ছে জিজ্ঞাসাবাদ করছি। পিবিআই সিআইডিসহ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। পরে আমরা এই হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে পারব।