বশির আহম্মদ (বান্দরবান) প্রতিনিধিঃ বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্ত এলাকায় স্থলমাইন বিস্ফোরণে তিনজন চাকমা শ্রমিক নিহত হয়েছেন। আজ রোববার (২৪ মে) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সীমান্ত পিলার ৪১ ও ৪২-এর মধ্যবর্তী এলাকায়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরের কাছাকাছি এ মর্মান্তিক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন-লেয়ারা পিতা: সুনইয়ং চাকমা; অংকেমং পিতা: মৃত নিওমং চাকমা এবং চিংকা অং পিতা: অইমং চাকমা। তাদের সবার বাড়ি ঘুমধুম ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ভালুকিয়াপাড়া গ্রামে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিস্ফোরণের পরপরই এলাকায় তিনজন আহত হওয়ার খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়দের একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। দুর্গম পাহাড়ি পথ অতিক্রম করে দুপুর আড়াইটার দিকে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিনজনকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।

স্থানীয়রা জানান, সীমান্তবর্তী এলাকায় বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরকান আর্মি পুঁতে রাখা শক্তিশালী স্থলমাইনের বিস্ফোরণেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা ওই এলাকায় কলাবাগানে কাজ করতে গেলে এ দুর্ঘটনার শিকার হন। তবে অপর একটি সূত্রের দাবি, তারা চোরাই পণ্য ও মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং ওইদিন মাদক আনতে গিয়ে বিস্ফোরণের কবলে পড়েন।

নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকা হওয়ায় মরদেহ উদ্ধার ও নিয়ে আসতে দেরি হচ্ছে। ঘটনাস্থলে বিজিবি সদস্য, গ্রাম পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন উপস্থিত রয়েছেন।

ঘটনার পর পুরো সীমান্ত এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। সীমান্ত সংলগ্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সাধারণ মানুষের চলাচলে সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

এদিকে, ঘটনার পর বিজিবির একটি বিশেষ দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন, তথ্য সংগ্রহ এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণে কাজ করছে।

বশির আহম্মদ (বান্দরবান) প্রতিনিধিঃ বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্ত এলাকায় স্থলমাইন বিস্ফোরণে তিনজন চাকমা শ্রমিক নিহত হয়েছেন। আজ রোববার (২৪ মে) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সীমান্ত পিলার ৪১ ও ৪২-এর মধ্যবর্তী এলাকায়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরের কাছাকাছি এ মর্মান্তিক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন-লেয়ারা পিতা: সুনইয়ং চাকমা; অংকেমং পিতা: মৃত নিওমং চাকমা এবং চিংকা অং পিতা: অইমং চাকমা। তাদের সবার বাড়ি ঘুমধুম ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ভালুকিয়াপাড়া গ্রামে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিস্ফোরণের পরপরই এলাকায় তিনজন আহত হওয়ার খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়দের একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। দুর্গম পাহাড়ি পথ অতিক্রম করে দুপুর আড়াইটার দিকে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিনজনকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।

স্থানীয়রা জানান, সীমান্তবর্তী এলাকায় বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরকান আর্মি পুঁতে রাখা শক্তিশালী স্থলমাইনের বিস্ফোরণেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা ওই এলাকায় কলাবাগানে কাজ করতে গেলে এ দুর্ঘটনার শিকার হন। তবে অপর একটি সূত্রের দাবি, তারা চোরাই পণ্য ও মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং ওইদিন মাদক আনতে গিয়ে বিস্ফোরণের কবলে পড়েন।

নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকা হওয়ায় মরদেহ উদ্ধার ও নিয়ে আসতে দেরি হচ্ছে। ঘটনাস্থলে বিজিবি সদস্য, গ্রাম পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন উপস্থিত রয়েছেন।

ঘটনার পর পুরো সীমান্ত এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। সীমান্ত সংলগ্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সাধারণ মানুষের চলাচলে সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

এদিকে, ঘটনার পর বিজিবির একটি বিশেষ দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন, তথ্য সংগ্রহ এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণে কাজ করছে।