বশির আহমেদ, বান্দরবান: লামা উপজেলার ইউনিয়নের সরই ইউনিয়নে অতিরিক্ত গরমে ১৮ জন শিক্ষার্থী হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছে। আজ রবিবার (২৬ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে উপজেলার সরই উচ্চ বিদ্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে।

সুত্রে জানা যায়, প্রচন্ড তাপদাহে সরই উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী সাদিয়া আক্তার, জান্নাতুল মাওয়া, মিরতিহান ইবনে জিয়া সহ ৬ জন,সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী সমিয়ম ম্রো, শামীমা আক্তার, মোহাম্মদ ইয়াসিন আরাফাত সহ ৭ জন, অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী শাহিদা বেগম, তাসমিন আক্তার এবং দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সং লে ম্রো, ফাতেমা আক্তার ও সিফা আক্তার সহ মোট ১৮ জন শিক্ষার্থী হঠাৎ করে মাথা ঘুরে পরে গিয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সরই উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নীতি পূর্ণ বড়ুয়া বলেন, বেশ কয়েকদিন ধরে প্রচন্ড গরম অনুভূত হচ্ছিলো। আজ(রবিবার) দুপুরের দিকে বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণি কক্ষে একের পর এক শিক্ষার্থী হঠাৎ করে অচেতন হয়ে পরে যাচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, তাদের অচেতন হবার দৃশ্য দেখে অনুমান করছি, তারা সকলেই হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছে।প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর কয়েকজন শিক্ষার্থীর জ্ঞান ফিরে আসে।বাকী দের স্হানীয় কমিউনিটি ক্লিনিকে প্রেরণ করা হয় বলে জানান বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।

বশির আহমেদ, বান্দরবান: লামা উপজেলার ইউনিয়নের সরই ইউনিয়নে অতিরিক্ত গরমে ১৮ জন শিক্ষার্থী হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছে। আজ রবিবার (২৬ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে উপজেলার সরই উচ্চ বিদ্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে।

সুত্রে জানা যায়, প্রচন্ড তাপদাহে সরই উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী সাদিয়া আক্তার, জান্নাতুল মাওয়া, মিরতিহান ইবনে জিয়া সহ ৬ জন,সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী সমিয়ম ম্রো, শামীমা আক্তার, মোহাম্মদ ইয়াসিন আরাফাত সহ ৭ জন, অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী শাহিদা বেগম, তাসমিন আক্তার এবং দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সং লে ম্রো, ফাতেমা আক্তার ও সিফা আক্তার সহ মোট ১৮ জন শিক্ষার্থী হঠাৎ করে মাথা ঘুরে পরে গিয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সরই উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নীতি পূর্ণ বড়ুয়া বলেন, বেশ কয়েকদিন ধরে প্রচন্ড গরম অনুভূত হচ্ছিলো। আজ(রবিবার) দুপুরের দিকে বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণি কক্ষে একের পর এক শিক্ষার্থী হঠাৎ করে অচেতন হয়ে পরে যাচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, তাদের অচেতন হবার দৃশ্য দেখে অনুমান করছি, তারা সকলেই হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছে।প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর কয়েকজন শিক্ষার্থীর জ্ঞান ফিরে আসে।বাকী দের স্হানীয় কমিউনিটি ক্লিনিকে প্রেরণ করা হয় বলে জানান বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।