খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার তথাকথিত বড়জোয়া সাংবাদিক এ এইচএম ফারুক কর্তৃক মারমা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও সাম্প্রদায়িক উসকানির অভিযোগে প্রতিবাদ সংবাদ সম্মেলন করেছে। খাগড়াছড়ি জেলাতে মারমা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে মিথ্যাচার, অপপ্রচার, সাম্প্রদায়িক উসকানির ও পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার(২৪ মে) সকালে খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার মারমা সম্প্রদায়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, বাংলাদেশ মারমা ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক রুমেল মারমা।

এতে উল্লেখ করা হয়, একটি মহল পরিকল্পিতভাবে মারমা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পাহাড়ের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার তথাকথিত বড়জোয়া সাংবাদিক এ এইচ এম ফারুক ঢাকায় বসে বিভিন্ন মিডিয়া ও টিভি টকশোতে পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ অস্থিতিশীল করতে এবং বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এসব ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। যুগ যুগ ধরে পাহাড়ে বসবাসরত বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি উদ্দেশ্য প্রণোদিত অপপ্রচার ও উসকানিমূলক বক্তব্য পার্বত্য অঞ্চলের শান্তি ও সম্প্রীতির জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সংবাদ সম্মেলন থেকে এ ধরনের মিথ্যাচার ও উসকানিমূলক কর্মকান্ড বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে চারটি দাবি রাখেন।

দাবিগুলো হলো- অবিলম্বে আবুল হোসেন ফারুককে আইনের আওতায় আনতে হবে। তার অপপ্রচারের নেপথ্যে কারা জড়িত, তা তদন্তপূর্বক প্রকৃত কারণ উদঘাটন করতে হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে সাম্প্রদায়িক উসকানি ও রাষ্ট্রবিরোধী বিভ্রান্তি ছড়ানোর দায়ে তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। পার্বত্যাঞ্চলের শান্তি ও সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টা বন্ধে প্রশাসনকে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।

অন্যথায়, খাগড়াছড়ির শান্তিপ্রিয় মারমা জনগোষ্ঠীকে সাথে নিয়ে “বাংলাদেশ মারমা ঐক্য পরিষদ” কঠোর সাংগঠনিক কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে। এর সম্পূর্ণ দায়ভার সংশ্লিষ্ট উসকানিদাতা ও প্রশাসনিক নিষক্রিয়তার উপর বর্তাবে বলে মন্তব্য করেন।

সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম মহানগরে বাংলাদেশ মারমা ঐক্য পরিষদের সভাপতি সুধাঅং মারমা, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য কংজরী মারমা, খাগড়াছড়ি সদর মহিলা ঐক্য পরিষদের সভাপতি ম্রাচাই মারমা,মানিকছড়ি মারমা ঐক্য পরিষদের সভাপতি আপ্রুুশি মারমা, খাগড়াছড়ি জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক সুইচিংহ্লা চৌধুরীসহ মারমা সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং এলাকার বিভিন্ন পর্যায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিক এ এইচ এম ফারুক মারমা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও সাম্প্রদায়িক উসকানির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার অর্ধশতকের বেশি সময় অতিবাহিত হয়ে গেছে। কিন্তু পার্বত্য চট্টগ্রাম এখনো রয়ে গেছে রাজনৈতিক ও ভৌগলিকভাবে স্পর্শকাতর এক জনপদ হিসেবে। এই অঞ্চলকে ঘিরে যে সংকট, তা কেবল ইতিহাসের নয়-এটি এখনো বর্তমান। বিচ্ছিন্নতাবাদ, সশস্ত্র সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, খুন, অপহরণ-সবই এখানে ঘটেছে এবং এখনো ঘটছে। বাঙালি-পাহাড়ি বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মাঝে বিশ্বাস-অবিশ্বাসের দোলাচল এক জটিল, অস্থির এবং সন্দেহপ্রবণ পরিস্থিতি তৈরি করে রেখেছে। দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে দীর্ঘদিনের পারস্পরিক অবিশ্বাস, রাজনৈতিক উত্তেজনা, এবং অতীতের সংঘাত- একটি এমন বাস্তবতা তৈরি হয়েছে, যেখানে একটি ছোট ঘটনা থেকেও বড় দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়তে পারে।

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার তথাকথিত বড়জোয়া সাংবাদিক এ এইচএম ফারুক কর্তৃক মারমা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও সাম্প্রদায়িক উসকানির অভিযোগে প্রতিবাদ সংবাদ সম্মেলন করেছে। খাগড়াছড়ি জেলাতে মারমা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে মিথ্যাচার, অপপ্রচার, সাম্প্রদায়িক উসকানির ও পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার(২৪ মে) সকালে খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার মারমা সম্প্রদায়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, বাংলাদেশ মারমা ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক রুমেল মারমা।

এতে উল্লেখ করা হয়, একটি মহল পরিকল্পিতভাবে মারমা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পাহাড়ের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার তথাকথিত বড়জোয়া সাংবাদিক এ এইচ এম ফারুক ঢাকায় বসে বিভিন্ন মিডিয়া ও টিভি টকশোতে পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ অস্থিতিশীল করতে এবং বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এসব ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। যুগ যুগ ধরে পাহাড়ে বসবাসরত বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি উদ্দেশ্য প্রণোদিত অপপ্রচার ও উসকানিমূলক বক্তব্য পার্বত্য অঞ্চলের শান্তি ও সম্প্রীতির জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সংবাদ সম্মেলন থেকে এ ধরনের মিথ্যাচার ও উসকানিমূলক কর্মকান্ড বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে চারটি দাবি রাখেন।

দাবিগুলো হলো- অবিলম্বে আবুল হোসেন ফারুককে আইনের আওতায় আনতে হবে। তার অপপ্রচারের নেপথ্যে কারা জড়িত, তা তদন্তপূর্বক প্রকৃত কারণ উদঘাটন করতে হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে সাম্প্রদায়িক উসকানি ও রাষ্ট্রবিরোধী বিভ্রান্তি ছড়ানোর দায়ে তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। পার্বত্যাঞ্চলের শান্তি ও সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টা বন্ধে প্রশাসনকে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।

অন্যথায়, খাগড়াছড়ির শান্তিপ্রিয় মারমা জনগোষ্ঠীকে সাথে নিয়ে “বাংলাদেশ মারমা ঐক্য পরিষদ” কঠোর সাংগঠনিক কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে। এর সম্পূর্ণ দায়ভার সংশ্লিষ্ট উসকানিদাতা ও প্রশাসনিক নিষক্রিয়তার উপর বর্তাবে বলে মন্তব্য করেন।

সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম মহানগরে বাংলাদেশ মারমা ঐক্য পরিষদের সভাপতি সুধাঅং মারমা, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য কংজরী মারমা, খাগড়াছড়ি সদর মহিলা ঐক্য পরিষদের সভাপতি ম্রাচাই মারমা,মানিকছড়ি মারমা ঐক্য পরিষদের সভাপতি আপ্রুুশি মারমা, খাগড়াছড়ি জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক সুইচিংহ্লা চৌধুরীসহ মারমা সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং এলাকার বিভিন্ন পর্যায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিক এ এইচ এম ফারুক মারমা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও সাম্প্রদায়িক উসকানির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার অর্ধশতকের বেশি সময় অতিবাহিত হয়ে গেছে। কিন্তু পার্বত্য চট্টগ্রাম এখনো রয়ে গেছে রাজনৈতিক ও ভৌগলিকভাবে স্পর্শকাতর এক জনপদ হিসেবে। এই অঞ্চলকে ঘিরে যে সংকট, তা কেবল ইতিহাসের নয়-এটি এখনো বর্তমান। বিচ্ছিন্নতাবাদ, সশস্ত্র সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, খুন, অপহরণ-সবই এখানে ঘটেছে এবং এখনো ঘটছে। বাঙালি-পাহাড়ি বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মাঝে বিশ্বাস-অবিশ্বাসের দোলাচল এক জটিল, অস্থির এবং সন্দেহপ্রবণ পরিস্থিতি তৈরি করে রেখেছে। দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে দীর্ঘদিনের পারস্পরিক অবিশ্বাস, রাজনৈতিক উত্তেজনা, এবং অতীতের সংঘাত- একটি এমন বাস্তবতা তৈরি হয়েছে, যেখানে একটি ছোট ঘটনা থেকেও বড় দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়তে পারে।