ধারাবাহিক পর্ব-১

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ(সিডিএ) তে প্রশাসনিক জঠিলতার কারণে প্রায় দেড় মাস যাবৎ জনদুর্ভোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। সাবেক চেয়ারম্যান বিদায় হওয়ার আগে তিন প্রকৌশলীকে এক ভুতুরে অফিস আদেশ জারী করে পদোন্নতি দেয়। তৎমধ্যে প্রকৌশলী মন্জুর হাসানকে তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী-১, আশরাফুল ইসলামকে তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী(প্রকল্প সুপারভাইজ) ও প্রকৌশলী এ জি এম সেলিমকে এক ধাপ অতিক্রম করে প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ হিসাবে পদায়ন করা হয়।

সেলিমের এ পদায়নকে মেনে নিতে পারেনি পরিকল্পনা শাখার কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। ওই দিন থেকে শুরু হয় অঘোষিত কর্মবিরতি। এই কর্মবিরতির কারণে শত শত ভুমি ব্যবহার নথির(LUC) কার্যক্রম সম্পূন্ন বন্ধ হয়ে যায়। একইসাথে কয়েকশ’ নকশা অনুমোদন নথিও ইনিক কমিটির যথা সময়ে মিটিং না হওয়ায় বেকায়দায় পড়েছে সেবা গ্রহীতারা। নতুন চেয়ারম্যান পিডিবির অবসর প্রাপ্ত প্রকৌশলী নুরুল করিমকে নিয়োগ দেয়ার ২২/২৪ দিন অতিক্রান্ত হলেও এই চলমান সমস্যার আশু সমাধান হয়নি।এছাড়াও সঠিক সিদ্ধান্তহীনার কারণে বিশেষ প্রকল্প ও নগর উন্নয়ন কমিটির সভাও মুখ থুবরে রয়েছে

সুত্রে জানা গেছে, চেয়ারম্যান পর পর কয়েক দফা প্রকৌশল ও পরিকল্পনা শাখার কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করেছেন। কিন্তু কারো কথা কেউ শুনছেনা। “বিচার মানি তালগাছ আমার” এ প্রক্রিয়ায় অমিমাংশিত থাকায় চউক সচিব এই আদেশ নিয়ে বেকায়দায় রয়েছে।

সুত্রে আরো জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকালে আগের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ কাজী হাসান বিন শামসকে দায়িত্ব প্রদান এবং নির্বাহী প্রকৌশলী এজিএম সেলিমকে চেয়াম্যানের সম্বন্বয়ক ও তত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর পদোন্নতি দিয়ে অফিস আদেশ করলেও তা বিভিন্ন তদবিরের কারণে এ রির্পোট লিখা পর্যন্ত আলোর মুখ দেখেনি।

সুত্রটি জানায়, এজিএম সেলিমকে সিটিপির দায়িত্ব দিলে পরিকল্পনা শাখার কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা ঘোষণা দিয়ে লাঘাতার কর্মবিরতি পালন করবে। তাকে না দিয়ে যদি তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এম এন হাবিবুর রহমানকে দায়িত্ব দেয়া হয় তাহলে তাকে মেনে নিতে রাজি। এজিএম সেলিম সৎ কিন্তু একগুয়েমী হওয়ার কারণে তাকে সিডিএর এক তৃতীয়াংশ কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সহ্য করতে পারেনা। অন্যদিকে তিনি প্রধান প্রকৌশলীর আন্ডারে চাকুরী করবেনা বলেও প্রকাশ্যে ঘোষনা দেন।

ধারাবাহিক পর্ব-১

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ(সিডিএ) তে প্রশাসনিক জঠিলতার কারণে প্রায় দেড় মাস যাবৎ জনদুর্ভোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। সাবেক চেয়ারম্যান বিদায় হওয়ার আগে তিন প্রকৌশলীকে এক ভুতুরে অফিস আদেশ জারী করে পদোন্নতি দেয়। তৎমধ্যে প্রকৌশলী মন্জুর হাসানকে তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী-১, আশরাফুল ইসলামকে তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী(প্রকল্প সুপারভাইজ) ও প্রকৌশলী এ জি এম সেলিমকে এক ধাপ অতিক্রম করে প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ হিসাবে পদায়ন করা হয়।

সেলিমের এ পদায়নকে মেনে নিতে পারেনি পরিকল্পনা শাখার কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। ওই দিন থেকে শুরু হয় অঘোষিত কর্মবিরতি। এই কর্মবিরতির কারণে শত শত ভুমি ব্যবহার নথির(LUC) কার্যক্রম সম্পূন্ন বন্ধ হয়ে যায়। একইসাথে কয়েকশ’ নকশা অনুমোদন নথিও ইনিক কমিটির যথা সময়ে মিটিং না হওয়ায় বেকায়দায় পড়েছে সেবা গ্রহীতারা। নতুন চেয়ারম্যান পিডিবির অবসর প্রাপ্ত প্রকৌশলী নুরুল করিমকে নিয়োগ দেয়ার ২২/২৪ দিন অতিক্রান্ত হলেও এই চলমান সমস্যার আশু সমাধান হয়নি।এছাড়াও সঠিক সিদ্ধান্তহীনার কারণে বিশেষ প্রকল্প ও নগর উন্নয়ন কমিটির সভাও মুখ থুবরে রয়েছে

সুত্রে জানা গেছে, চেয়ারম্যান পর পর কয়েক দফা প্রকৌশল ও পরিকল্পনা শাখার কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করেছেন। কিন্তু কারো কথা কেউ শুনছেনা। “বিচার মানি তালগাছ আমার” এ প্রক্রিয়ায় অমিমাংশিত থাকায় চউক সচিব এই আদেশ নিয়ে বেকায়দায় রয়েছে।

সুত্রে আরো জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকালে আগের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ কাজী হাসান বিন শামসকে দায়িত্ব প্রদান এবং নির্বাহী প্রকৌশলী এজিএম সেলিমকে চেয়াম্যানের সম্বন্বয়ক ও তত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর পদোন্নতি দিয়ে অফিস আদেশ করলেও তা বিভিন্ন তদবিরের কারণে এ রির্পোট লিখা পর্যন্ত আলোর মুখ দেখেনি।

সুত্রটি জানায়, এজিএম সেলিমকে সিটিপির দায়িত্ব দিলে পরিকল্পনা শাখার কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা ঘোষণা দিয়ে লাঘাতার কর্মবিরতি পালন করবে। তাকে না দিয়ে যদি তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এম এন হাবিবুর রহমানকে দায়িত্ব দেয়া হয় তাহলে তাকে মেনে নিতে রাজি। এজিএম সেলিম সৎ কিন্তু একগুয়েমী হওয়ার কারণে তাকে সিডিএর এক তৃতীয়াংশ কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সহ্য করতে পারেনা। অন্যদিকে তিনি প্রধান প্রকৌশলীর আন্ডারে চাকুরী করবেনা বলেও প্রকাশ্যে ঘোষনা দেন।