নিজস্ব সংবাদদাতা: দেশের অন্যতম প্রাচীন রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগসহ কয়েকটি দলের অংশগ্রহণ না থাকায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন একপাক্ষিক হবে এবং নির্বাচনের ফল দেশে-বিদেশে পুরোপুরি গ্রহণযোগ্য হবে না বলে মনে করছেন জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে এবং বিদেশি গণমাধ্যমে কর্মরত ১৩৫ জন সাংবাদিক।

আজ বৃহস্পতিবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তারা এমন অভিমত তুলে ধরেছেন। বিবৃতিতে স্বাক্ষর করা সাংবাদিকদের মধ্যে প্রবীণ ও জ্যেষ্ঠ থেকে শুরু করে বিশিষ্ট সাংবাদিক নেতাসহ তরুণ সাংবাদিকেরাও রয়েছেন।

তারা বলছেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন গণতান্ত্রিক চেতনার পরিপন্থি। সরকারও নির্বাচন আয়োজনে নিরপেক্ষতা দেখাতে পারছে না। এ নির্বাচন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার বদলে দেশকে আরও অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে দেবে। এ অবস্থায় তারা সব দলমতের অংশগ্রহণে নতুন করে নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছেন।

দেশি-বিদেশি বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত ১৩৫ জন সাংবাদিকের পক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে সই করেছেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সাংবাদিক তৈমুর ফারুক তুষার।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আমরা দেশ-বিদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত ১৩৫ জন বাংলাদেশি সাংবাদিক গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছি যে বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচন প্রকৃত অর্থে অংশগ্রহণমূলক ও গণতান্ত্রিক হচ্ছে না। দেশের বড় রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগসহ বেশ কয়েকটি প্রগতিশীল দলকে কার্যত নিষিদ্ধ করে যে নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে, তা গণতন্ত্রের মৌলিক চেতনার পরিপন্থি।’

আওয়ামী লীগ এ নির্বাচনে অংশ নিতে না থাকায় তাদের দলীয় প্রতীক ‘নৌকা’ এবারের নির্বাচনের ব্যালট পেপারে থাকছে না। এ প্রসঙ্গ টেনে বিবৃতিতে সাংবাদিকেরা বলেন, ‘এবারের নির্বাচনি ব্যালটে দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠীর পছন্দের প্রতীক অনুপস্থিত থাকছে। ফলে এই নির্বাচনে জনরায় প্রতিফলিত হবে না। এ ধরনের একপাক্ষিক নির্বাচন দেশে স্থিতিশীলতা না এনে রাজনৈতিক ও সামাজিক সংকট তৈরি করবে।’

বিশাল একটি জনগোষ্ঠীর মতামত ও অংশগ্রহণ ছাড়া যে কোনো নির্বাচন অসম্পূর্ণ ও অগ্রহণযোগ্য হবে বলেও মনে করছেন বিবৃতিতে সই করা সাংবাদিকেরা।

তারা বলেন, ‘অতীতেও আমরা এর প্রমাণ দেখেছি। এবারের নির্বাচনেও আমরা রাষ্ট্রের বিপুল অর্থের অপচয় করে জাতীয় সংকট ও নৈরাজ্য সৃষ্টির আয়োজন দেখতে পাচ্ছি। এ ধরনের নির্বাচন আযোজন সমাজে অস্থিরতা তৈরি করে, জাতিগত বিভক্তির গভীর ক্ষত তৈরি করে।’

সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিবৃতিতে সাংবাদিকরা বলেন, “আমরা আরও উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছি যে নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনে জনগণের কাছে অন্তর্বর্তী সরকারের যে দায়বদ্ধতা ও অঙ্গীকার রয়েছে, তা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে। সরকারসমর্থিত একাধিক দলের প্রতি প্রশাসনিক স্পষ্ট পক্ষপাতিত্ব দেখা যাচ্ছে। রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জনগণের করের বিপুল অর্থ বায় করে সরকার ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে মাঠে নেমেছে।”

নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্বে থাকা নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন সাংবাদিকেরা।

তারা বলেন, ‘এই নির্বাচন কমিশন দেশের সব রাজনৈতিক দলের মতামতের ভিত্তিতে গঠিত হয়নি। নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে যাদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে তাদের তালিকা একটি বিশেষ রাজনৈতিক মহলের পরিকল্পনামাফিক হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে নির্বাচনের সার্বিক আয়োজনই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে।’

বিবৃতিতে সই করা ১৩৫ জন সাংবাদিক মনে করছেন, চলমান অবস্থায় এ নির্বাচন আয়োজন করা হলে তা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পরিবর্তে দেশকে আরও গভীর অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেবে। তাই দেশের ‘গণতন্ত্র, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও জাতীয় ঐক্য রক্ষার স্বার্থে’ তারা দুটি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বর্তমান প্রশ্নবিদ্ধ একপাক্ষিক নির্বাচনি প্রক্রিয়া অবিলম্বে স্থগিত করার আহ্বান জানাচ্ছি, এবং দেশের সব রাজনৈতিক দল ও মতের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে নতুন করে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জোর দাবি জানাচ্ছি।

সাংবাদিকেরা বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি-জাতীয় ঐক্য, সংলাপ ও সব দলের অংশগ্রহণের মাধ্যমেই কেবল একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক নির্বাচন সম্ভব, যা দেশকে স্থিতিশীলতা ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে নেবে।’

বিবৃতিতে সই করা সাংবাদিকরা হলেন- (জ্যেষ্ঠতার ক্রমানুসারে নয়), মোল্লা জালাল, সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন,সৈয়দ বদরুল আহসান, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, ফরিদা ইয়াসমিন, সাবেক সভাপতি, জাতীয় প্রেস ক্লাব, মঞ্জরুল ইসলাম, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, সাবান মাহমুদ, সাবেক মহাসচিব, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন,আবু জাফর সূর্য, সাবেক সভাপতি, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন, সোহেল হায়দার চৌধুরী, সভাপতি, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন,মোহিদুল ইসলাম রাজু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি,সৈয়দ বোরহান কবীর, প্রধান সম্পাদক, বাংলা ইনসাইডার,সাজ্জাদ হোসেন সবুজ, সাবেক প্রেস মিনিস্টার, ওয়াশিংটন ডিসি, আশরাফ আলী যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জাতীয় প্রেস ক্লাব, পুলক ঘটক, সাবেক যুগ্ম মহাসচিব, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন, আকতার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন,শরীফ শাহাব উদ্দিন, সাবেক সম্পাদক, বাংলাদেশ পোস্ট,প্রণব সরকার, সভাপতি, আগরতলা প্রেস ক্লাব, রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, সভাপতি, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন,ইবতেসাম নাসিম মৌ, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক,রাশেদুল ইসলাম বিপ্লব, সভাপতি, সাংবাদিক ইউনিয়ন কুষ্টিয়া,সাইদুজ্জামান সম্রাট, সভাপতি, খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়ন, জে এম রউফ, সভাপতি, বগুড়া সাংবাদিক ইউনিয়ন,আতাউর রহমান, সভাপতি, গাজীপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন,ফজলুল বারী, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, সিডনি অস্ট্রেলিয়া, দস্তগীর জাহাঙ্গীর, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সাংবাদিক, মাসুদা ভাট্টি, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক,মানিক লাল ঘোষ, সাবেক সহ সভাপতি, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন, খায়রুল আলম, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন, তৈমুর ফারুক তুষার, সম্পাদক, বেঙ্গল নিউজ২৪ ডটকম,শেখ জামাল, সাবেক সম্পাদক।

নিজস্ব সংবাদদাতা: দেশের অন্যতম প্রাচীন রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগসহ কয়েকটি দলের অংশগ্রহণ না থাকায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন একপাক্ষিক হবে এবং নির্বাচনের ফল দেশে-বিদেশে পুরোপুরি গ্রহণযোগ্য হবে না বলে মনে করছেন জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে এবং বিদেশি গণমাধ্যমে কর্মরত ১৩৫ জন সাংবাদিক।

আজ বৃহস্পতিবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তারা এমন অভিমত তুলে ধরেছেন। বিবৃতিতে স্বাক্ষর করা সাংবাদিকদের মধ্যে প্রবীণ ও জ্যেষ্ঠ থেকে শুরু করে বিশিষ্ট সাংবাদিক নেতাসহ তরুণ সাংবাদিকেরাও রয়েছেন।

তারা বলছেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন গণতান্ত্রিক চেতনার পরিপন্থি। সরকারও নির্বাচন আয়োজনে নিরপেক্ষতা দেখাতে পারছে না। এ নির্বাচন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার বদলে দেশকে আরও অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে দেবে। এ অবস্থায় তারা সব দলমতের অংশগ্রহণে নতুন করে নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছেন।

দেশি-বিদেশি বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত ১৩৫ জন সাংবাদিকের পক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে সই করেছেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সাংবাদিক তৈমুর ফারুক তুষার।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আমরা দেশ-বিদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত ১৩৫ জন বাংলাদেশি সাংবাদিক গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছি যে বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচন প্রকৃত অর্থে অংশগ্রহণমূলক ও গণতান্ত্রিক হচ্ছে না। দেশের বড় রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগসহ বেশ কয়েকটি প্রগতিশীল দলকে কার্যত নিষিদ্ধ করে যে নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে, তা গণতন্ত্রের মৌলিক চেতনার পরিপন্থি।’

আওয়ামী লীগ এ নির্বাচনে অংশ নিতে না থাকায় তাদের দলীয় প্রতীক ‘নৌকা’ এবারের নির্বাচনের ব্যালট পেপারে থাকছে না। এ প্রসঙ্গ টেনে বিবৃতিতে সাংবাদিকেরা বলেন, ‘এবারের নির্বাচনি ব্যালটে দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠীর পছন্দের প্রতীক অনুপস্থিত থাকছে। ফলে এই নির্বাচনে জনরায় প্রতিফলিত হবে না। এ ধরনের একপাক্ষিক নির্বাচন দেশে স্থিতিশীলতা না এনে রাজনৈতিক ও সামাজিক সংকট তৈরি করবে।’

বিশাল একটি জনগোষ্ঠীর মতামত ও অংশগ্রহণ ছাড়া যে কোনো নির্বাচন অসম্পূর্ণ ও অগ্রহণযোগ্য হবে বলেও মনে করছেন বিবৃতিতে সই করা সাংবাদিকেরা।

তারা বলেন, ‘অতীতেও আমরা এর প্রমাণ দেখেছি। এবারের নির্বাচনেও আমরা রাষ্ট্রের বিপুল অর্থের অপচয় করে জাতীয় সংকট ও নৈরাজ্য সৃষ্টির আয়োজন দেখতে পাচ্ছি। এ ধরনের নির্বাচন আযোজন সমাজে অস্থিরতা তৈরি করে, জাতিগত বিভক্তির গভীর ক্ষত তৈরি করে।’

সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিবৃতিতে সাংবাদিকরা বলেন, “আমরা আরও উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছি যে নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনে জনগণের কাছে অন্তর্বর্তী সরকারের যে দায়বদ্ধতা ও অঙ্গীকার রয়েছে, তা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে। সরকারসমর্থিত একাধিক দলের প্রতি প্রশাসনিক স্পষ্ট পক্ষপাতিত্ব দেখা যাচ্ছে। রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জনগণের করের বিপুল অর্থ বায় করে সরকার ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে মাঠে নেমেছে।”

নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্বে থাকা নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন সাংবাদিকেরা।

তারা বলেন, ‘এই নির্বাচন কমিশন দেশের সব রাজনৈতিক দলের মতামতের ভিত্তিতে গঠিত হয়নি। নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে যাদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে তাদের তালিকা একটি বিশেষ রাজনৈতিক মহলের পরিকল্পনামাফিক হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে নির্বাচনের সার্বিক আয়োজনই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে।’

বিবৃতিতে সই করা ১৩৫ জন সাংবাদিক মনে করছেন, চলমান অবস্থায় এ নির্বাচন আয়োজন করা হলে তা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পরিবর্তে দেশকে আরও গভীর অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেবে। তাই দেশের ‘গণতন্ত্র, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও জাতীয় ঐক্য রক্ষার স্বার্থে’ তারা দুটি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বর্তমান প্রশ্নবিদ্ধ একপাক্ষিক নির্বাচনি প্রক্রিয়া অবিলম্বে স্থগিত করার আহ্বান জানাচ্ছি, এবং দেশের সব রাজনৈতিক দল ও মতের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে নতুন করে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জোর দাবি জানাচ্ছি।

সাংবাদিকেরা বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি-জাতীয় ঐক্য, সংলাপ ও সব দলের অংশগ্রহণের মাধ্যমেই কেবল একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক নির্বাচন সম্ভব, যা দেশকে স্থিতিশীলতা ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে নেবে।’

বিবৃতিতে সই করা সাংবাদিকরা হলেন- (জ্যেষ্ঠতার ক্রমানুসারে নয়), মোল্লা জালাল, সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন,সৈয়দ বদরুল আহসান, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, ফরিদা ইয়াসমিন, সাবেক সভাপতি, জাতীয় প্রেস ক্লাব, মঞ্জরুল ইসলাম, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, সাবান মাহমুদ, সাবেক মহাসচিব, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন,আবু জাফর সূর্য, সাবেক সভাপতি, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন, সোহেল হায়দার চৌধুরী, সভাপতি, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন,মোহিদুল ইসলাম রাজু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি,সৈয়দ বোরহান কবীর, প্রধান সম্পাদক, বাংলা ইনসাইডার,সাজ্জাদ হোসেন সবুজ, সাবেক প্রেস মিনিস্টার, ওয়াশিংটন ডিসি, আশরাফ আলী যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জাতীয় প্রেস ক্লাব, পুলক ঘটক, সাবেক যুগ্ম মহাসচিব, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন, আকতার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন,শরীফ শাহাব উদ্দিন, সাবেক সম্পাদক, বাংলাদেশ পোস্ট,প্রণব সরকার, সভাপতি, আগরতলা প্রেস ক্লাব, রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, সভাপতি, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন,ইবতেসাম নাসিম মৌ, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক,রাশেদুল ইসলাম বিপ্লব, সভাপতি, সাংবাদিক ইউনিয়ন কুষ্টিয়া,সাইদুজ্জামান সম্রাট, সভাপতি, খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়ন, জে এম রউফ, সভাপতি, বগুড়া সাংবাদিক ইউনিয়ন,আতাউর রহমান, সভাপতি, গাজীপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন,ফজলুল বারী, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, সিডনি অস্ট্রেলিয়া, দস্তগীর জাহাঙ্গীর, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সাংবাদিক, মাসুদা ভাট্টি, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক,মানিক লাল ঘোষ, সাবেক সহ সভাপতি, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন, খায়রুল আলম, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন, তৈমুর ফারুক তুষার, সম্পাদক, বেঙ্গল নিউজ২৪ ডটকম,শেখ জামাল, সাবেক সম্পাদক।