সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানায় হামলা করে ১৩ পুলিশকে হত্যা করেছে বিক্ষোভকারী এবং গুলিতে দুইজন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। ভাঙচুর করা হয়েছে থানায়।

প্রাথমিকভাবে নিহত পুলিশ সদস্যদের পরিচয় পাওয়া যায়নি। তবে থানার নিহতদের মধ্যে এসআই, ওসিও থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সূত্র জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলে সেনা সদস্যদের পাঠানো হচ্ছে। খোঁজ-খবর নিয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।

এর আগে রোববার সকাল থেকে খামারগ্রাম ডিগ্রি কলেজ ও খাজা ইউনুস আলী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতা এনায়েতপুরের বিভিন্ন রাস্তায় মিছিল করে। পুলিশ আন্দোলনকারীদের হটাতে টিয়ার সেল ও রাবার বুলেট ছুড়ে ছত্রভঙ্গের চেষ্টা করে।

এক পর্যায়ে আন্দোলনকারীরা থানায় ঢুকে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর করে। ১৩ পুলিশকে পিঠিয়ে হত্যা করা হয়। রাবার বুলেটের আঘাতে দুই আন্দোলনকারী খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানায় হামলা করে ১৩ পুলিশকে হত্যা করেছে বিক্ষোভকারী এবং গুলিতে দুইজন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। ভাঙচুর করা হয়েছে থানায়।

প্রাথমিকভাবে নিহত পুলিশ সদস্যদের পরিচয় পাওয়া যায়নি। তবে থানার নিহতদের মধ্যে এসআই, ওসিও থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সূত্র জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলে সেনা সদস্যদের পাঠানো হচ্ছে। খোঁজ-খবর নিয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।

এর আগে রোববার সকাল থেকে খামারগ্রাম ডিগ্রি কলেজ ও খাজা ইউনুস আলী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতা এনায়েতপুরের বিভিন্ন রাস্তায় মিছিল করে। পুলিশ আন্দোলনকারীদের হটাতে টিয়ার সেল ও রাবার বুলেট ছুড়ে ছত্রভঙ্গের চেষ্টা করে।

এক পর্যায়ে আন্দোলনকারীরা থানায় ঢুকে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর করে। ১৩ পুলিশকে পিঠিয়ে হত্যা করা হয়। রাবার বুলেটের আঘাতে দুই আন্দোলনকারী খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।