আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের কিংবদন্তি মানবাধিকার নেতা মার্টিন লুথার কিংয়ের ঐতিহাসিক ভাষণ ‘আই হ্যাভ আ ড্রিম’-এর ৬০ বছর পূর্ণ হচ্ছে আজ। ১৯৬৩ সালে ২৮ আগস্ট ওয়াশিংটনের লিংকন মেমোরিয়ালে সমাবেত প্রায় আড়াই লাখের বেশি মানুষের সামনে এই ভাষণ দেন তিনি। তার ওই ভাষণ ও সমাবেশের ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষে গত শনিবার ওয়াশিংটনের লিংকল মেমোরিয়ালের সামনে এক সমাবেশে হাজির হন হাজার হাজার মানুষ। সেখানে তারা জানান, কিংয়ের স্বপ্ন এবং কর্মের ফল এখন নতুন করে ঝুঁকিতে। খবর ওয়াশিংটন পোস্টের।
শনিবারের সমাবেশে কিংয়ের নাতনি ইয়োলান্ডা রিনি বলেন, আজ যদি আমার দাদার সঙ্গে কথা বলতে পারতাম, তাহলে বলতাম, আমি দুঃখিত যে আপনার কাজ শেষ করার জন্য এবং আপনার লুকানো স্বপ্নকে উপলব্ধি করার জন্য আমাদেরকে পুনরায় উৎসর্গ করতে এখানে থাকতে হবে।
১৯৬৩ সালে ২৮ আগস্ট ওয়াশিংটনের লিংকন মেমোরিয়ালে সমাবেত প্রায় আড়াই লাখের বেশি মানুষের সামনে এই ভাষণ দেন তিনি।১৯৬৩ সালে ২৮ আগস্ট ওয়াশিংটনের লিংকন মেমোরিয়ালে সমাবেত প্রায় আড়াই লাখের বেশি মানুষের সামনে এই ভাষণ দেন তিনি।
কিংয়ের বড় ছেলে তৃতীয় মার্টিন লুথার কিং বলেন, আমাদের দেশ যেদিকে যাচ্ছে তা নিয়ে আমি খুবই উদ্বিগ্ন। সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে, মনে হচ্ছে আমরা পিছিয়ে যাচ্ছি। তিনি বলেন, গণতন্ত্র, ভোটাধিকার এবং নারী ও শিশুদের অধিকার অবশ্যই রক্ষা করতে হবে এবং বন্দুক সহিংসতার অবসান ঘটাতে হবে। তাহলে হয়তো একদিন আমরা একটি মহান জাতি হব।
দিনব্যাপী সমাবেশে নাগরিক ও মানবাধিকার গ্রপের নেতৃবৃন্দ এবং অন্যান্য সংগঠনের প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন। এর সংগঠকরা স্পষ্ট করেন যে, এই সমাবেশ কোনো স্মরণ অনুষ্ঠান নয় বরং ১৯৬৩ সালের দাবিগুলোর পুনরুক্তি।
আজ সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস হোয়াইট হাউসে সেদিনের সমাবেশের আয়োজকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। ১৯৬৩ সালে মার্টিন লুথার কিংয়ের ওই ভাষণের পর তাকেসহ সমাবেশের আয়োজকদের সঙ্গে বৈঠক করেছিল তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডির প্রশাসন। সেই বৈঠককে স্মরণ করতেই আজ আয়োজকদের সঙ্গে বসবে বাইডেন প্রশাসন।




