ঢাকা অফিস: আইন প্রয়োগের মাধ্যমে একদিন হর্নমুক্ত বাংলাদেশ পাওয়া যাবে। আমরা শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা প্রণয়ন করেছি। এখন এর সঠিক প্রয়োগ করতে হবে। আজ মঙ্গলবার(০৩ ফেব্রুয়ারী) ঢাকায় হাইকোর্ট মাজার চত্বরে ‘ঘোষিত নীরব এলাকায় হর্ন বাজানো নিরুৎসাহিতকরণ কর্মসূচি’ বাস্তবায়নে পরিবেশ অধিদপ্তর, ডিএমপি, বিআরটিএ এবং ডিএসসিসির সমন্বিত অভিযানে হর্নের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে আয়োজিত সমাবেশে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, তথ্য ও সম্প্রচার এবং পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, বিধিমালায় সকল উৎস থেকে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণের বিধান রাখা হয়েছে। হর্নের দূষণ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে এটা শুরু হচ্ছে। বিধিমালায় বাংলাদেশ পুলিশকে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। তারা সরাসরি জরিমানা করতে পারবেন। বাংলাদেশ পুলিশ আইন অনুযায়ী শাস্তি প্রয়োগ শুরু করেছে। বাংলাদেশে আগে এটা হয়নি।

উপদেষ্টা আশা প্রকাশ করে বলেন, ধীরে ধীরে মানুষের অভ্যাসের পরিবর্তন আসবে। এসময় তিনি পুলিশ কর্তৃপক্ষকে দ্রুততম সময়ে আগামী ছয় মাসের জন্য নীরব এলাকা ঘোষিত এলাকাগুলোতে কীভাবে কাজ করা হবে তার একটি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশনা দেন। আন্তরিক সহযোগিতার জন্য তিনি পরিবেশ অধিদপ্তর, ডিএমপি, বিআরটিএ ও ডিএসসিসির কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানান।

সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোঃ সারোয়ার,ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ মাহমুদুল হাসান, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মোঃ আনিসুর রহমান ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ফরিদ আহমেদসহ অন্যান্যরা।

ঢাকা অফিস: আইন প্রয়োগের মাধ্যমে একদিন হর্নমুক্ত বাংলাদেশ পাওয়া যাবে। আমরা শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা প্রণয়ন করেছি। এখন এর সঠিক প্রয়োগ করতে হবে। আজ মঙ্গলবার(০৩ ফেব্রুয়ারী) ঢাকায় হাইকোর্ট মাজার চত্বরে ‘ঘোষিত নীরব এলাকায় হর্ন বাজানো নিরুৎসাহিতকরণ কর্মসূচি’ বাস্তবায়নে পরিবেশ অধিদপ্তর, ডিএমপি, বিআরটিএ এবং ডিএসসিসির সমন্বিত অভিযানে হর্নের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে আয়োজিত সমাবেশে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, তথ্য ও সম্প্রচার এবং পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, বিধিমালায় সকল উৎস থেকে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণের বিধান রাখা হয়েছে। হর্নের দূষণ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে এটা শুরু হচ্ছে। বিধিমালায় বাংলাদেশ পুলিশকে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। তারা সরাসরি জরিমানা করতে পারবেন। বাংলাদেশ পুলিশ আইন অনুযায়ী শাস্তি প্রয়োগ শুরু করেছে। বাংলাদেশে আগে এটা হয়নি।

উপদেষ্টা আশা প্রকাশ করে বলেন, ধীরে ধীরে মানুষের অভ্যাসের পরিবর্তন আসবে। এসময় তিনি পুলিশ কর্তৃপক্ষকে দ্রুততম সময়ে আগামী ছয় মাসের জন্য নীরব এলাকা ঘোষিত এলাকাগুলোতে কীভাবে কাজ করা হবে তার একটি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশনা দেন। আন্তরিক সহযোগিতার জন্য তিনি পরিবেশ অধিদপ্তর, ডিএমপি, বিআরটিএ ও ডিএসসিসির কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানান।

সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোঃ সারোয়ার,ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ মাহমুদুল হাসান, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মোঃ আনিসুর রহমান ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ফরিদ আহমেদসহ অন্যান্যরা।