আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বাংলাদেশ ও পাকিস্তানসহ ৭৫টি দেশের ওপর আরোপিত অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়ার স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রী ক্রিস্টি নয়েম–কে চিঠি দিয়েছেন ৭৫ জন মার্কিন কংগ্রেসম্যান।

বৃহস্পতিবার পাঠানো ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের নেওয়া সিদ্ধান্তে বিশ্বজুড়ে বিপুলসংখ্যক মানুষ ভুক্তভোগী হচ্ছেন। এশিয়ান প্যাসিফিক আমেরিকান ককাসের চেয়ার কংগ্রেসওম্যান গ্রেস মেং–সহ স্বাক্ষরকারীরা অবিলম্বে ভিসা কার্যক্রম পুনরায় চালুর দাবি জানান।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, স্থগিতাদেশের কারণে ১ লাখ ৩৫ হাজারের বেশি এশিয়ান–আমেরিকান বৈধ ভিসাধারী যুক্তরাষ্ট্রে ফিরতে পারছেন না। একই সঙ্গে বিশ্বের প্রায় ৪০ শতাংশ মানুষ এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়েছেন, যা একটি বড় জনগোষ্ঠীকে কার্যত উপেক্ষা করার শামিল।

কংগ্রেসম্যানরা বলেন, পারিবারিক, ব্যবসায়িক, বিনিয়োগ ও চাকরির উদ্দেশ্যে যারা প্রচলিত নিয়ম মেনে ভিসার জন্য আবেদন করেছেন, তাদের ‘সঠিক উপায়ে আসতে’ বলা হলেও বাস্তবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের আগেই তাদের সঙ্গে এমন আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়। চিঠিতে একে ‘নির্দয় আচরণ’ হিসেবে উল্লেখ করে বলা হয়, আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেও অভিবাসনে আগ্রহীদের বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে।

গত ২১ জানুয়ারি বাংলাদেশ, পাকিস্তানসহ ৭৫টি দেশের অভিবাসী ভিসা দেওয়ার প্রক্রিয়া স্থগিত করে যুক্তরাষ্ট্র। তালিকায় আফগানিস্তান, রাশিয়া, ইরান, থাইল্যান্ড, ব্রাজিল, কুয়েত, সোমালিয়া, নাইজেরিয়া, ইয়েমেন ও ইরাকসহ আরও দেশ রয়েছে।

এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে জানায়, যেসব দেশের অভিবাসীরা তুলনামূলক বেশি হারে মার্কিন সরকারি কল্যাণভাতা গ্রহণ করে, সেসব দেশের ক্ষেত্রে ভিসা প্রক্রিয়া সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হবে। নতুন অভিবাসীরা সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হবে না—এটি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে।

পররাষ্ট্র দপ্তর কনস্যুলার কর্মকর্তাদের ‘পাবলিক চার্জ’ নীতির আওতায় ভিসা আবেদন বাতিলের ক্ষমতাও দিয়েছে। এই নীতিতে দেখা হয়, আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে নিজের খরচে জীবনযাপন করতে পারবেন কি না। কর্তৃপক্ষের ধারণা অনুযায়ী কেউ সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হতে পারেন মনে হলে তার ভিসা প্রত্যাখ্যান করা হবে।

গত বছরের নভেম্বরে সব মার্কিন দূতাবাসকে ‘পাবলিক চার্জ’ বিধান কঠোরভাবে প্রয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়। ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই অভিবাসন নীতিতে কড়াকড়ি আরোপ করে একের পর এক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, যার অংশ হিসেবে বড় পরিসরে ভিসা কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বাংলাদেশ ও পাকিস্তানসহ ৭৫টি দেশের ওপর আরোপিত অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়ার স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রী ক্রিস্টি নয়েম–কে চিঠি দিয়েছেন ৭৫ জন মার্কিন কংগ্রেসম্যান।

বৃহস্পতিবার পাঠানো ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের নেওয়া সিদ্ধান্তে বিশ্বজুড়ে বিপুলসংখ্যক মানুষ ভুক্তভোগী হচ্ছেন। এশিয়ান প্যাসিফিক আমেরিকান ককাসের চেয়ার কংগ্রেসওম্যান গ্রেস মেং–সহ স্বাক্ষরকারীরা অবিলম্বে ভিসা কার্যক্রম পুনরায় চালুর দাবি জানান।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, স্থগিতাদেশের কারণে ১ লাখ ৩৫ হাজারের বেশি এশিয়ান–আমেরিকান বৈধ ভিসাধারী যুক্তরাষ্ট্রে ফিরতে পারছেন না। একই সঙ্গে বিশ্বের প্রায় ৪০ শতাংশ মানুষ এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়েছেন, যা একটি বড় জনগোষ্ঠীকে কার্যত উপেক্ষা করার শামিল।

কংগ্রেসম্যানরা বলেন, পারিবারিক, ব্যবসায়িক, বিনিয়োগ ও চাকরির উদ্দেশ্যে যারা প্রচলিত নিয়ম মেনে ভিসার জন্য আবেদন করেছেন, তাদের ‘সঠিক উপায়ে আসতে’ বলা হলেও বাস্তবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের আগেই তাদের সঙ্গে এমন আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়। চিঠিতে একে ‘নির্দয় আচরণ’ হিসেবে উল্লেখ করে বলা হয়, আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেও অভিবাসনে আগ্রহীদের বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে।

গত ২১ জানুয়ারি বাংলাদেশ, পাকিস্তানসহ ৭৫টি দেশের অভিবাসী ভিসা দেওয়ার প্রক্রিয়া স্থগিত করে যুক্তরাষ্ট্র। তালিকায় আফগানিস্তান, রাশিয়া, ইরান, থাইল্যান্ড, ব্রাজিল, কুয়েত, সোমালিয়া, নাইজেরিয়া, ইয়েমেন ও ইরাকসহ আরও দেশ রয়েছে।

এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে জানায়, যেসব দেশের অভিবাসীরা তুলনামূলক বেশি হারে মার্কিন সরকারি কল্যাণভাতা গ্রহণ করে, সেসব দেশের ক্ষেত্রে ভিসা প্রক্রিয়া সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হবে। নতুন অভিবাসীরা সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হবে না—এটি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে।

পররাষ্ট্র দপ্তর কনস্যুলার কর্মকর্তাদের ‘পাবলিক চার্জ’ নীতির আওতায় ভিসা আবেদন বাতিলের ক্ষমতাও দিয়েছে। এই নীতিতে দেখা হয়, আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে নিজের খরচে জীবনযাপন করতে পারবেন কি না। কর্তৃপক্ষের ধারণা অনুযায়ী কেউ সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হতে পারেন মনে হলে তার ভিসা প্রত্যাখ্যান করা হবে।

গত বছরের নভেম্বরে সব মার্কিন দূতাবাসকে ‘পাবলিক চার্জ’ বিধান কঠোরভাবে প্রয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়। ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই অভিবাসন নীতিতে কড়াকড়ি আরোপ করে একের পর এক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, যার অংশ হিসেবে বড় পরিসরে ভিসা কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।