প্রদীপ দাশ, কক্সবাজার প্রতিনিধি: সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পহেলা জানুয়ারি ২০২৬ রোববার থেকে টানা ৯ মাস টেকনাফের সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটকদের ভ্রমণ বন্ধ থাকবে। শনিবার ছিল চলতি মৌসুমে শেষবারের মতো পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচলের দিন। নতুন নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সেন্টমার্টিনগামী কোনো পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে না। তবে পর্যটকদের যাতায়াত বন্ধ থাকলেও কিছু নির্দিষ্ট শ্রেণি ও পেশার মানুষ প্রশাসনের বিশেষ অনুমতি সাপেক্ষে দ্বীপে যেতে পারবেন।

জানা গেছে, স্থানীয় বাসিন্দা, সরকারি কর্মকর্তা এবং জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াতকারী ব্যক্তিরা বিশেষ অনুমতি নিয়ে ট্রলারে করে সেন্টমার্টিনে যাতায়াত করতে পারবেন।
বিশেষ অনুমতি পাওয়ার যোগ্যদের মধ্যে রয়েছেন-সংবাদ সংগ্রহে নিয়োজিত সাংবাদিক, নিজস্ব বা লিজ নেওয়া রিসোর্টের মালিক ও কর্মচারী, সরকারি ও বেসরকারি দাপ্তরিক কাজে নিয়োজিত ব্যক্তি, চিকিৎসা ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণকারী, বিচ ক্লিনিং কার্যক্রমে যুক্ত স্বেচ্ছাসেবক ও গবেষকরা।

তবে এসব শ্রেণির নাগরিকদের অফ সিজনে সেন্টমার্টিনে যেতে হলে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) লিখিত অনুমতি নিতে হবে। এজন্য ভ্রমণের যথাযথ কারণ উল্লেখ করে প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্রসহ আবেদন করতে হবে। পাশাপাশি ‘মাই সেন্টমার্টিন’ নামের একটি অ্যাপের মাধ্যমেও আবেদন করা যাবে।

যাচাই-বাছাই শেষে তথ্য সঠিক প্রমাণিত হলে সেন্টমার্টিনে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হতে পারে।

উল্লেখ্য, সমুদ্র শান্ত থাকলে সেন্টমার্টিন রুটে স্পিডবোট চলাচল করে। তবে যাত্রীবাহী ট্রলার সারা বছরই চলাচল করে। সাধারণত প্রতিদিন সকাল ১০টা বা ১১টার দিকে টেকনাফ ঘাট থেকে এবং একই সময়ে সেন্টমার্টিন ঘাট থেকে দুটি করে ট্রলার ছেড়ে যায়। তবে জোয়ার-ভাটার কারণে ট্রলার ছাড়ার সময়সূচিতে পরিবর্তন হতে পারে।

প্রদীপ দাশ, কক্সবাজার প্রতিনিধি: সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পহেলা জানুয়ারি ২০২৬ রোববার থেকে টানা ৯ মাস টেকনাফের সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটকদের ভ্রমণ বন্ধ থাকবে। শনিবার ছিল চলতি মৌসুমে শেষবারের মতো পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচলের দিন। নতুন নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সেন্টমার্টিনগামী কোনো পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে না। তবে পর্যটকদের যাতায়াত বন্ধ থাকলেও কিছু নির্দিষ্ট শ্রেণি ও পেশার মানুষ প্রশাসনের বিশেষ অনুমতি সাপেক্ষে দ্বীপে যেতে পারবেন।

জানা গেছে, স্থানীয় বাসিন্দা, সরকারি কর্মকর্তা এবং জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াতকারী ব্যক্তিরা বিশেষ অনুমতি নিয়ে ট্রলারে করে সেন্টমার্টিনে যাতায়াত করতে পারবেন।
বিশেষ অনুমতি পাওয়ার যোগ্যদের মধ্যে রয়েছেন-সংবাদ সংগ্রহে নিয়োজিত সাংবাদিক, নিজস্ব বা লিজ নেওয়া রিসোর্টের মালিক ও কর্মচারী, সরকারি ও বেসরকারি দাপ্তরিক কাজে নিয়োজিত ব্যক্তি, চিকিৎসা ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণকারী, বিচ ক্লিনিং কার্যক্রমে যুক্ত স্বেচ্ছাসেবক ও গবেষকরা।

তবে এসব শ্রেণির নাগরিকদের অফ সিজনে সেন্টমার্টিনে যেতে হলে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) লিখিত অনুমতি নিতে হবে। এজন্য ভ্রমণের যথাযথ কারণ উল্লেখ করে প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্রসহ আবেদন করতে হবে। পাশাপাশি ‘মাই সেন্টমার্টিন’ নামের একটি অ্যাপের মাধ্যমেও আবেদন করা যাবে।

যাচাই-বাছাই শেষে তথ্য সঠিক প্রমাণিত হলে সেন্টমার্টিনে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হতে পারে।

উল্লেখ্য, সমুদ্র শান্ত থাকলে সেন্টমার্টিন রুটে স্পিডবোট চলাচল করে। তবে যাত্রীবাহী ট্রলার সারা বছরই চলাচল করে। সাধারণত প্রতিদিন সকাল ১০টা বা ১১টার দিকে টেকনাফ ঘাট থেকে এবং একই সময়ে সেন্টমার্টিন ঘাট থেকে দুটি করে ট্রলার ছেড়ে যায়। তবে জোয়ার-ভাটার কারণে ট্রলার ছাড়ার সময়সূচিতে পরিবর্তন হতে পারে।