বিশেষ প্রতিবেদক : আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজপথ দখলে মরিয়া হয়ে উঠছে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ দুই পরাশক্তি। নির্বাচনকে সামনে রেখে উভয় দলই রাজনৈতিক অঙ্গনকে উত্তপ্ত করে তুলছে। সম্প্রতি বিএনপির কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে মহানগর বিএনপির সাথে পুলিশ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। তাছাড়া ক্ষমতাসীন আওয়ামি ও দলটির অঙ্গ সংগঠনগুলোর মধ্যেও ক্ষমতার আধিপত্য বিস্তার, কথা কাটাকাটি, সমাবেশে স্লোগান নিয়েও গ্রুপিং সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে।

অন্যদিকে, বিএনপির সাথে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় নতুন মামলায় জড়িয়ে পড়ছে দলটির নেতারা। এসব সংঘর্ষ ও হামলাকে সরকার ও ক্ষমতাসীন দলের প্ররোচনা বলে মনে করেন দলটির নেতৃবৃন্দরা।

আর আওয়ামীলীগের নেতারা বলছেন, বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করা সচেতন নাগরিক হিসেবে তাদের কর্তব্য। অন্যদিকে বিএনপির নেতারা বলছেন, ক্ষমতাসীন দল ও সরকার বিএনপি কর্মীদের সংঘর্ষে উসকানি দিচ্ছে, মিথ্যা মামলা দিয়ে নির্বাচনের আগে তাদেরকে বিভিন্নভাবে আসামি করে বানচাল করার চেষ্টা করছে। যেন আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঠ পর্যায়ে নিষ্ক্রিয় রাখা যায় বা তারা পলাতক থাকতে বাধ্য হন। তবে বিএনপি নেতাকর্মীরা এসব থেকে নিজেদের দূরে রাখবেন বলে জানান।

এদিকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি ও তাদের অঙ্গসংগঠনগুলো অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করতে পারে বলে দলটির নেতারা মনে করছেন। তবে তারা রাজনীতির মাঠে বিশৃঙ্খলা প্রতিহত করে শান্তি শৃঙ্খলায় বজায় রেখে মাঠে সোচ্চার থাকবেন বলে শক্তিশালী ক্ষমতাসীন দলটির নেতাকর্মীদের কথা বলে জানা যায়।

গত সপ্তাহে নগরীতে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ সমাবেশ ছিল। যা প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকিতে ‘মহানগর আওয়ামিলীগের লালদীঘি সমাবেশ’ ও দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়ন ধারাবাহিকতা বানচালে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে জেলা পরিষদ চত্বরে আওয়ামিলীগের ১৪ দলের সমাবেশে নিজেদের মধ্যে গ্রুপিং সংঘর্ষের মত ছোট ছোট ঘটনাগুলোর কারণে আওয়ামিলীগের নির্বাচনে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করেন অভিজ্ঞ রাজনীবিদরা। নিজেদের মধ্য দলীয় কোন্দলের কারণে দলটির অনেক নেতাকর্মীরাও ক্ষুদ্ধ। নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষ প্রতিহত করতে এবং দলকে সাজাতে কঠোর হুশিয়ারী দিয়েছেন আওয়ামীলীগ নেতারা।

আওয়ামীলীগের মহানগর সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির বলেন, ‘সাধারন জনগণ শান্তি চাই। জনগণ যা চাই না, তা যদি কেউ করে তা জনগণ মেনে নিবে না। নিজেদের সমাবেশে এসব তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিজেদের মধ্যে কোন্দল সৃষ্টি করা দলীয়ভাবে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। এসব বিষয়ে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের সর্তক থাকতে হবে। এবং অন্যায়কে প্রতিহত করতে রাজপথে জবাব দিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আগামিতে নিজেদের মধ্যে কোন্দল সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মহানগর আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক চন্দন ধর বলেন, বিএনপি তাদের কার্যক্রমের জন্য আইনত ঝামেলায় পড়ছে। তাদের অন্যায়ের জন্য যদি প্রশাসন ব্যবস্থা নেয় আওয়ামীলীগ কি করবে? কোন কাজ না থাকলে তারা আওয়ামীলীগের বদনামই করে। নির্বাচনের আগে মাঠ ঘুছাতে মহানগর আওয়ামীলীগ কোরবানের আগে বেশ কিছু সমাবেশ করবে।

অন্যদিকে ২৮ মে (রোববার) নগরীর বহদ্দারহাটে, বিএনপির সমাবেশ থেকে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে ৩৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৬০০ জনকে অভিযুক্ত করে মামলা করেছে পুলিশ। ওই মামলায়, বিএনপির মহানগর শাখার আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন, সদস্য সচিব আবুল হাসেম বক্কর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সুফিয়ানসহ ৩৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৬০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে। সিএমপি পুলিশের পক্ষ থেকে হামলার ঘটনা নিশ্চিত করলেও বিষয়টিকে সম্পূর্ণ বিএনপির ঐক্যবদ্ধতাকে বানচাল করার চেষ্টা বলে মনে করেন দলটি।

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, ‘আগামী নির্বাচন সামনে রেখে সরকার ভয়াবহ পরিকল্পনা করছে। তারা ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য রাষ্ট্রযন্ত্রকে বেআইনিভাবে ব্যবহার করছে। রাষ্ট্রের সব গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে ক্ষমতা আঁকড়ে আছে। প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে নোংরা ষড়যন্ত্র করছে। মামলা মোকদ্দমার মাধ্যমে বিরোধী দলের নেতাদের রাজনীতির মাঠ থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। কিন্তু এসব করে আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না।

অন্যদিকে জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রীর ঘোষিত বাজেটকে অবাস্তবায়নযোগ্য একটি কল্পনা প্রসূত অসম বাজেট বলে মনে করেন বিএনপি।

মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ‘জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রীর ঘোষিত ৭ লাখ ৬২ হাজার কোটি টাকার বাজেট শুনতে ভালো লাগছে, কিন্তু যেসব খাত থেকে বাজেট পূরণ করার কথা বলা হচ্ছে, সেটা চ্যালেঞ্জিং। এটা একটা অসম বাজেট। এত বড় ঘাটতি বাজেট দিয়ে স্বপ্ন পূরণ করা সম্ভব নয়। এটি একেবারেই অবাস্তবায়নযোগ্য একটি কল্পনা প্রসূত বাজেট।’

তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের ব্যর্থতার কারণে এমনিতেই দেশের অর্থনীতি নানামুখী চাপে। ডলারের সংকট এখনো প্রকট। পণ্য আমদানির জন্য এলসি খুলতে গেলে কোনো কোনো ব্যাংক ফিরিয়ে দিচ্ছে। আবার রপ্তানি আয় তুলতে গেলেও সহজে দিচ্ছে না। বিএনপির এসবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করে আসছে। এগুলো জনস্বার্থে কর্মসূচিতে সর্বস্তরের মানুষ অংশ নিচ্ছেন। তাই আমাদের সমাবেশে সাধারণ মানুষের উপস্থিতি দেখে ক্ষমতাসীন দল ও তাদের সরকার আতঙ্কিত হয়ে আমাদের নেতাকর্মীদের পুলিশ দিয়ে মামলা দিচ্ছে। হামলা শুরু করছে। তারা আসলে বিএনপির কর্মসূচীকে ভয় পায়।’

এদিকে ‘বিএনপির নেতাকর্মীদের মামলা মোকদ্দমার মাধ্যমে ক্ষমতাসীন সরকার ষড়যন্ত্র করছে’ এমন মন্তব্যের ভিত্তিতে আ জ ম নাছির বলেন, ‘আইন আইনের গতিতে চলবে। কেউ রাস্তাঘাটে সমাবেশের নামে অন্যায় করবে, পুলিশের উপর হামলা চালানোর মত ঘটনা ঘটাবে। সাধারণ জনগণ অনিরাপদে থাকবে। আর তাদের বিরুদ্ধে আইনগত পুলিশ ব্যবস্থা নিলে তারা সরকারকে দোষারোপ করবে। তাদের ঘটনা গুলো তো দিবালোকের মত সত্য। তারা কি চাই তারা অন্যায় করুক, আর প্রশাসন তাদেরকে প্রতিহত না করুক। এসব হবে না। সমাবেশের নামে কেউ জনগণের শান্তি বিঘ্নিত করলে সাধারণ জনগণকে নিয়ে আওয়ামিলীগ  জবাব দেবে।

বিশেষ প্রতিবেদক : আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজপথ দখলে মরিয়া হয়ে উঠছে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ দুই পরাশক্তি। নির্বাচনকে সামনে রেখে উভয় দলই রাজনৈতিক অঙ্গনকে উত্তপ্ত করে তুলছে। সম্প্রতি বিএনপির কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে মহানগর বিএনপির সাথে পুলিশ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। তাছাড়া ক্ষমতাসীন আওয়ামি ও দলটির অঙ্গ সংগঠনগুলোর মধ্যেও ক্ষমতার আধিপত্য বিস্তার, কথা কাটাকাটি, সমাবেশে স্লোগান নিয়েও গ্রুপিং সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে।

অন্যদিকে, বিএনপির সাথে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় নতুন মামলায় জড়িয়ে পড়ছে দলটির নেতারা। এসব সংঘর্ষ ও হামলাকে সরকার ও ক্ষমতাসীন দলের প্ররোচনা বলে মনে করেন দলটির নেতৃবৃন্দরা।

আর আওয়ামীলীগের নেতারা বলছেন, বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করা সচেতন নাগরিক হিসেবে তাদের কর্তব্য। অন্যদিকে বিএনপির নেতারা বলছেন, ক্ষমতাসীন দল ও সরকার বিএনপি কর্মীদের সংঘর্ষে উসকানি দিচ্ছে, মিথ্যা মামলা দিয়ে নির্বাচনের আগে তাদেরকে বিভিন্নভাবে আসামি করে বানচাল করার চেষ্টা করছে। যেন আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঠ পর্যায়ে নিষ্ক্রিয় রাখা যায় বা তারা পলাতক থাকতে বাধ্য হন। তবে বিএনপি নেতাকর্মীরা এসব থেকে নিজেদের দূরে রাখবেন বলে জানান।

এদিকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি ও তাদের অঙ্গসংগঠনগুলো অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করতে পারে বলে দলটির নেতারা মনে করছেন। তবে তারা রাজনীতির মাঠে বিশৃঙ্খলা প্রতিহত করে শান্তি শৃঙ্খলায় বজায় রেখে মাঠে সোচ্চার থাকবেন বলে শক্তিশালী ক্ষমতাসীন দলটির নেতাকর্মীদের কথা বলে জানা যায়।

গত সপ্তাহে নগরীতে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ সমাবেশ ছিল। যা প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকিতে ‘মহানগর আওয়ামিলীগের লালদীঘি সমাবেশ’ ও দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়ন ধারাবাহিকতা বানচালে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে জেলা পরিষদ চত্বরে আওয়ামিলীগের ১৪ দলের সমাবেশে নিজেদের মধ্যে গ্রুপিং সংঘর্ষের মত ছোট ছোট ঘটনাগুলোর কারণে আওয়ামিলীগের নির্বাচনে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করেন অভিজ্ঞ রাজনীবিদরা। নিজেদের মধ্য দলীয় কোন্দলের কারণে দলটির অনেক নেতাকর্মীরাও ক্ষুদ্ধ। নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষ প্রতিহত করতে এবং দলকে সাজাতে কঠোর হুশিয়ারী দিয়েছেন আওয়ামীলীগ নেতারা।

আওয়ামীলীগের মহানগর সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির বলেন, ‘সাধারন জনগণ শান্তি চাই। জনগণ যা চাই না, তা যদি কেউ করে তা জনগণ মেনে নিবে না। নিজেদের সমাবেশে এসব তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিজেদের মধ্যে কোন্দল সৃষ্টি করা দলীয়ভাবে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। এসব বিষয়ে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের সর্তক থাকতে হবে। এবং অন্যায়কে প্রতিহত করতে রাজপথে জবাব দিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আগামিতে নিজেদের মধ্যে কোন্দল সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মহানগর আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক চন্দন ধর বলেন, বিএনপি তাদের কার্যক্রমের জন্য আইনত ঝামেলায় পড়ছে। তাদের অন্যায়ের জন্য যদি প্রশাসন ব্যবস্থা নেয় আওয়ামীলীগ কি করবে? কোন কাজ না থাকলে তারা আওয়ামীলীগের বদনামই করে। নির্বাচনের আগে মাঠ ঘুছাতে মহানগর আওয়ামীলীগ কোরবানের আগে বেশ কিছু সমাবেশ করবে।

অন্যদিকে ২৮ মে (রোববার) নগরীর বহদ্দারহাটে, বিএনপির সমাবেশ থেকে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে ৩৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৬০০ জনকে অভিযুক্ত করে মামলা করেছে পুলিশ। ওই মামলায়, বিএনপির মহানগর শাখার আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন, সদস্য সচিব আবুল হাসেম বক্কর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সুফিয়ানসহ ৩৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৬০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে। সিএমপি পুলিশের পক্ষ থেকে হামলার ঘটনা নিশ্চিত করলেও বিষয়টিকে সম্পূর্ণ বিএনপির ঐক্যবদ্ধতাকে বানচাল করার চেষ্টা বলে মনে করেন দলটি।

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, ‘আগামী নির্বাচন সামনে রেখে সরকার ভয়াবহ পরিকল্পনা করছে। তারা ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য রাষ্ট্রযন্ত্রকে বেআইনিভাবে ব্যবহার করছে। রাষ্ট্রের সব গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে ক্ষমতা আঁকড়ে আছে। প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে নোংরা ষড়যন্ত্র করছে। মামলা মোকদ্দমার মাধ্যমে বিরোধী দলের নেতাদের রাজনীতির মাঠ থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। কিন্তু এসব করে আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না।

অন্যদিকে জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রীর ঘোষিত বাজেটকে অবাস্তবায়নযোগ্য একটি কল্পনা প্রসূত অসম বাজেট বলে মনে করেন বিএনপি।

মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ‘জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রীর ঘোষিত ৭ লাখ ৬২ হাজার কোটি টাকার বাজেট শুনতে ভালো লাগছে, কিন্তু যেসব খাত থেকে বাজেট পূরণ করার কথা বলা হচ্ছে, সেটা চ্যালেঞ্জিং। এটা একটা অসম বাজেট। এত বড় ঘাটতি বাজেট দিয়ে স্বপ্ন পূরণ করা সম্ভব নয়। এটি একেবারেই অবাস্তবায়নযোগ্য একটি কল্পনা প্রসূত বাজেট।’

তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের ব্যর্থতার কারণে এমনিতেই দেশের অর্থনীতি নানামুখী চাপে। ডলারের সংকট এখনো প্রকট। পণ্য আমদানির জন্য এলসি খুলতে গেলে কোনো কোনো ব্যাংক ফিরিয়ে দিচ্ছে। আবার রপ্তানি আয় তুলতে গেলেও সহজে দিচ্ছে না। বিএনপির এসবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করে আসছে। এগুলো জনস্বার্থে কর্মসূচিতে সর্বস্তরের মানুষ অংশ নিচ্ছেন। তাই আমাদের সমাবেশে সাধারণ মানুষের উপস্থিতি দেখে ক্ষমতাসীন দল ও তাদের সরকার আতঙ্কিত হয়ে আমাদের নেতাকর্মীদের পুলিশ দিয়ে মামলা দিচ্ছে। হামলা শুরু করছে। তারা আসলে বিএনপির কর্মসূচীকে ভয় পায়।’

এদিকে ‘বিএনপির নেতাকর্মীদের মামলা মোকদ্দমার মাধ্যমে ক্ষমতাসীন সরকার ষড়যন্ত্র করছে’ এমন মন্তব্যের ভিত্তিতে আ জ ম নাছির বলেন, ‘আইন আইনের গতিতে চলবে। কেউ রাস্তাঘাটে সমাবেশের নামে অন্যায় করবে, পুলিশের উপর হামলা চালানোর মত ঘটনা ঘটাবে। সাধারণ জনগণ অনিরাপদে থাকবে। আর তাদের বিরুদ্ধে আইনগত পুলিশ ব্যবস্থা নিলে তারা সরকারকে দোষারোপ করবে। তাদের ঘটনা গুলো তো দিবালোকের মত সত্য। তারা কি চাই তারা অন্যায় করুক, আর প্রশাসন তাদেরকে প্রতিহত না করুক। এসব হবে না। সমাবেশের নামে কেউ জনগণের শান্তি বিঘ্নিত করলে সাধারণ জনগণকে নিয়ে আওয়ামিলীগ  জবাব দেবে।