বান্দরবান প্রতিনিধি: বান্দরবানের সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক বান্দরবান লা শাখার পুরনো বিল্ডিং এর সংস্কার কাজে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের নয়ছয়ের অভিযোগ উঠেছে। কৃষি ব্যাংক এর বিল্ডিং সংস্কার কাজে ব্যাবহৃত নিম্নমান কাঁচামালের ব্যাবহার ও কাজের গুনগত মান ঠিক না হওয়ার কারণে ২৫শে জুলাই ব্যাংকের অফিস চলাকালীন সময়ে ছাদের সিলিং ভেঙ্গে পড়ে। এ ঘটনায় ব্যাংকে আশা গ্রাহকদের কেউ হতাহত না হলেও সিলিং এর প্লাস্টার মাথায় পড়ে গুরুতর ভাবে আহত হয়েছেন ব্যাংকের এক কর্মকর্তা।

এ বিষয়ে কৃষি ব্যাংক বান্দরবান শাখার ব্যাবস্থাপক মো.লেয়াকত হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি প্রতিবেদককে জানান, দুপুর ২ টার দিকে হঠাৎ করেই ক্যাশ কাউন্টারের উপরের সিলিং টি ভেঙ্গে পড়ে। এতে সামনে থাকা ব্যাংকের গ্রাহকদের কেউ আহত না হলেও ব্যাংকের একজন ক্যাশিয়ারের মাথা ফেটে গুরুতর ভাবে আহত হয়েছে।

বিল্ডিং সংস্কার কাজের গুণগত মান ঠিক না থাকার কারণ কি? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, গত ১৭ই জুলাই বান্দরবান জেলা কার্যালয়ে যোগদানের কারণে এ বিষয়ে বিস্তারিত কোন কিছু আমার জানা নেই। তবে চট্টগ্রাম জেলা হতে কৃষি ব্যাংকের প্রকৌশল বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী শুভ দত্ত নিয়মিত কাজের খোঁজ খবর রাখছেন।

সরজমিনে দেখা যায়, জেলা কৃষি ব্যাংকের ব্যাস্ততম এই শাখার সংস্কার কাজে ২০২১-২২ অর্থ বছরে কৃষি ব্যাংক প্রধান কার্যালয় ঢাকা হতে ই-জিপি টেন্ডার আহ্বানের মাধ্যমে বান্দরবান কৃষি ব্যাংকের ৩ তলা বিশিষ্ট পুরনো দালানের ছাদের ঢালাই,বাতরুম মেরামত ও টয়লেটে টাইলস ও আনুসাংঙ্গিক সংস্কার, দেয়ালে রং করা সহ বিভিন্ন সংস্কার কাজের আদেশ দেয়া হয়।

ছবি: বশির আহমদ

জেলা কৃষি ব্যাংকের দেয়া তথ্য অনুযায়ী এ কাজে ১৬ লক্ষ টাকার কাজের আদেশ দেয়া হয় রাঙ্গামাটির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মায়াধন চাকমার নামে। মায়াধন চাকমার নামে কাজের বরাদ্দ থাকলেও কাজটি করছেন রাঙ্গামাটির ঠিকাদার মো. জসিম।

আগামী আগস্টের মধ্যে কাজটি বুঝিয়ে দেয়ার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা কৃষি ব্যাংকের উর্ধতন এই কর্মকর্তা।

ইতোমধ্যে বিল্ডিং এর সংস্কার কাজের ৩০-৪০ ভাগ সম্পন্ন হলেও ঠিকাদারের কাজের গুনগত মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তিন তলা বিল্ডিং এর পুরোনো দেয়ালের প্লাস্টার না তুলেই তরিঘড়ি করে সিমেন্টের আস্তর দিয়ে দায় সারা কাজ বুঝিয়ে দিচ্ছে সাংবাদিক পরিচয় দেয়া ঠিকাদার জসিম।

সরকারি একটি ব্যাংকের কাজে এ ধরণের নিম্নমানের সামগ্রীর ব্যবহার ও সিলিং এর কাজ শেষ হওয়ার পর তা ঝড়ে পড়ার কারণে ব্যাংক কর্মকর্তা আহত হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে এ বিষয়ে কোন সদুত্তর দিতে পারেননি ঠিকাদার জসিম।

উল্টো এ কাজে ওয়ার্ক অর্ডার অনুযায়ী মানসম্মত কাঁচামাল ব্যাবহার করেছেন বলে জানান।

এ বিষয়ে জেলা কৃষি ব্যাংকের ব্যাবস্থাপক মো. লেয়াকত হোসেন প্রতিবেদকে বলেন ঘটনার বিষয়ে এবং সংস্কার কাজের গুণগত মানের বিষয়ে জেলার আঞ্চলিক কার্যালয়ে জানানো হয়েছে, বিষয়টি তদন্তে ইতোমধ্যে আঞ্চলিক কার্যালয় হতে টিম এসে সংস্কার কাজ পরিদর্শন করেছেন।

বান্দরবান প্রতিনিধি: বান্দরবানের সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক বান্দরবান লা শাখার পুরনো বিল্ডিং এর সংস্কার কাজে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের নয়ছয়ের অভিযোগ উঠেছে। কৃষি ব্যাংক এর বিল্ডিং সংস্কার কাজে ব্যাবহৃত নিম্নমান কাঁচামালের ব্যাবহার ও কাজের গুনগত মান ঠিক না হওয়ার কারণে ২৫শে জুলাই ব্যাংকের অফিস চলাকালীন সময়ে ছাদের সিলিং ভেঙ্গে পড়ে। এ ঘটনায় ব্যাংকে আশা গ্রাহকদের কেউ হতাহত না হলেও সিলিং এর প্লাস্টার মাথায় পড়ে গুরুতর ভাবে আহত হয়েছেন ব্যাংকের এক কর্মকর্তা।

এ বিষয়ে কৃষি ব্যাংক বান্দরবান শাখার ব্যাবস্থাপক মো.লেয়াকত হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি প্রতিবেদককে জানান, দুপুর ২ টার দিকে হঠাৎ করেই ক্যাশ কাউন্টারের উপরের সিলিং টি ভেঙ্গে পড়ে। এতে সামনে থাকা ব্যাংকের গ্রাহকদের কেউ আহত না হলেও ব্যাংকের একজন ক্যাশিয়ারের মাথা ফেটে গুরুতর ভাবে আহত হয়েছে।

বিল্ডিং সংস্কার কাজের গুণগত মান ঠিক না থাকার কারণ কি? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, গত ১৭ই জুলাই বান্দরবান জেলা কার্যালয়ে যোগদানের কারণে এ বিষয়ে বিস্তারিত কোন কিছু আমার জানা নেই। তবে চট্টগ্রাম জেলা হতে কৃষি ব্যাংকের প্রকৌশল বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী শুভ দত্ত নিয়মিত কাজের খোঁজ খবর রাখছেন।

সরজমিনে দেখা যায়, জেলা কৃষি ব্যাংকের ব্যাস্ততম এই শাখার সংস্কার কাজে ২০২১-২২ অর্থ বছরে কৃষি ব্যাংক প্রধান কার্যালয় ঢাকা হতে ই-জিপি টেন্ডার আহ্বানের মাধ্যমে বান্দরবান কৃষি ব্যাংকের ৩ তলা বিশিষ্ট পুরনো দালানের ছাদের ঢালাই,বাতরুম মেরামত ও টয়লেটে টাইলস ও আনুসাংঙ্গিক সংস্কার, দেয়ালে রং করা সহ বিভিন্ন সংস্কার কাজের আদেশ দেয়া হয়।

ছবি: বশির আহমদ

জেলা কৃষি ব্যাংকের দেয়া তথ্য অনুযায়ী এ কাজে ১৬ লক্ষ টাকার কাজের আদেশ দেয়া হয় রাঙ্গামাটির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মায়াধন চাকমার নামে। মায়াধন চাকমার নামে কাজের বরাদ্দ থাকলেও কাজটি করছেন রাঙ্গামাটির ঠিকাদার মো. জসিম।

আগামী আগস্টের মধ্যে কাজটি বুঝিয়ে দেয়ার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা কৃষি ব্যাংকের উর্ধতন এই কর্মকর্তা।

ইতোমধ্যে বিল্ডিং এর সংস্কার কাজের ৩০-৪০ ভাগ সম্পন্ন হলেও ঠিকাদারের কাজের গুনগত মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তিন তলা বিল্ডিং এর পুরোনো দেয়ালের প্লাস্টার না তুলেই তরিঘড়ি করে সিমেন্টের আস্তর দিয়ে দায় সারা কাজ বুঝিয়ে দিচ্ছে সাংবাদিক পরিচয় দেয়া ঠিকাদার জসিম।

সরকারি একটি ব্যাংকের কাজে এ ধরণের নিম্নমানের সামগ্রীর ব্যবহার ও সিলিং এর কাজ শেষ হওয়ার পর তা ঝড়ে পড়ার কারণে ব্যাংক কর্মকর্তা আহত হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে এ বিষয়ে কোন সদুত্তর দিতে পারেননি ঠিকাদার জসিম।

উল্টো এ কাজে ওয়ার্ক অর্ডার অনুযায়ী মানসম্মত কাঁচামাল ব্যাবহার করেছেন বলে জানান।

এ বিষয়ে জেলা কৃষি ব্যাংকের ব্যাবস্থাপক মো. লেয়াকত হোসেন প্রতিবেদকে বলেন ঘটনার বিষয়ে এবং সংস্কার কাজের গুণগত মানের বিষয়ে জেলার আঞ্চলিক কার্যালয়ে জানানো হয়েছে, বিষয়টি তদন্তে ইতোমধ্যে আঞ্চলিক কার্যালয় হতে টিম এসে সংস্কার কাজ পরিদর্শন করেছেন।