নিজস্ব প্রতিবেদক: বাঁশখালীতে বাড়িতে আগুন দিয়ে একই পরিবারের ১১ জনকে পুড়িয়ে হত্যার ১৯ বছর পর ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের ৩ সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হা‌সিনার ৪৫ লাখ টাকার চেক। আজ শুক্রবার (২২জুলাই) সকা‌লে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে এই অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মো. মমিনুর রহমান ও প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ এম পি।

বাঁশখালীর সাধনপুর ইউ‌নিয়‌নের শীল পাড়ায় ২০০৩ সালের ১৮ নভেম্বর ১১ জন‌কে পু‌‌ড়ি‌য়ে হত‌্যা করা হয়।

অতিথি হিসেবে আরও ছিলেন বাঁশখালীর সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, চট্টগ্রাম সি‌টি ক‌র্পোরেশ‌নের সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মফিজুর রহমান, বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদুজ্জামান চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের শ্রম সম্পাদক মো. খোরশেদ আলম, সাধনপুর ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান কেএম সালাহউদ্দীন কামালসহ অন্যরা।

উল্লেখ্য ২০০৩ সালের ১৮ নভেম্বর সাধনপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড দক্ষিণ সাধনপুর শীল পাড়ায় তেজেন্দ্র শীলের বাড়িতে গভীর রা‌তে একদল ডাকাত প্রবেশ করে। দলটি ডাকাতি করতে না পেরে গান পাউডার দিয়ে পুড়িয়ে বাড়ির ১১ জন সদস্যকে নির্মমভাবে হত্যা করে।

নিহতরা হলেন- তেজেন্দ্র লাল শীল (৭০), তার স্ত্রী বকুল শীল (৬০), ছেলে অনিল শীল (৪০), অনিলের স্ত্রী স্মৃতি শীল (৩২), অনিলের তিন সন্তান রুমি শীল (১২), সোনিয়া শীল (৭) ও চার দিন বয়সী কার্তিক শীল, তেজেন্দ্র শীলের ভাইয়ের মেয়ে বাবুটি শীল (২৫), প্রসাদি শীল (১৭), অ্যানি শীল (৭) এবং কক্সবাজার থেকে বেড়াতে আসা আত্মীয় দেবেন্দ্র শীল (৭২)।

সেদিন অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পাওয়া তেজেন্দ্র শীলের ছেলে বিমল শীল পরে বাদি হয়ে মামলা করেন। এরপর ১৯ বছর মা-বাবাসহ পরিবারের সদস্যদের হত্যার বিচার চেয়ে প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন বিমল শীল।

শুরু থেকে এই মামলার বিচারের দাবিতে সরব ছিলেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাণা দাশগুপ্ত।

তিনি বলেন, “২০০১-২০০৬ এই সময়ে দেশে যে কয়টি লোমহর্ষক ঘটনা ঘটেছিল তার মধ্যে বাঁশখালীর এই হত্যাকাণ্ড একটি। কিন্তু আজ ১৯ বছর পরও এ ঘটনার কোনো বিচার তো হয়নি। অনতিবিলম্বে বাঁশখালী ১১ হত্যা মামলার বিচার জাতি দেখতে চায়।’

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাঁশখালীতে বাড়িতে আগুন দিয়ে একই পরিবারের ১১ জনকে পুড়িয়ে হত্যার ১৯ বছর পর ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের ৩ সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হা‌সিনার ৪৫ লাখ টাকার চেক। আজ শুক্রবার (২২জুলাই) সকা‌লে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে এই অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মো. মমিনুর রহমান ও প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ এম পি।

বাঁশখালীর সাধনপুর ইউ‌নিয়‌নের শীল পাড়ায় ২০০৩ সালের ১৮ নভেম্বর ১১ জন‌কে পু‌‌ড়ি‌য়ে হত‌্যা করা হয়।

অতিথি হিসেবে আরও ছিলেন বাঁশখালীর সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, চট্টগ্রাম সি‌টি ক‌র্পোরেশ‌নের সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মফিজুর রহমান, বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদুজ্জামান চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের শ্রম সম্পাদক মো. খোরশেদ আলম, সাধনপুর ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান কেএম সালাহউদ্দীন কামালসহ অন্যরা।

উল্লেখ্য ২০০৩ সালের ১৮ নভেম্বর সাধনপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড দক্ষিণ সাধনপুর শীল পাড়ায় তেজেন্দ্র শীলের বাড়িতে গভীর রা‌তে একদল ডাকাত প্রবেশ করে। দলটি ডাকাতি করতে না পেরে গান পাউডার দিয়ে পুড়িয়ে বাড়ির ১১ জন সদস্যকে নির্মমভাবে হত্যা করে।

নিহতরা হলেন- তেজেন্দ্র লাল শীল (৭০), তার স্ত্রী বকুল শীল (৬০), ছেলে অনিল শীল (৪০), অনিলের স্ত্রী স্মৃতি শীল (৩২), অনিলের তিন সন্তান রুমি শীল (১২), সোনিয়া শীল (৭) ও চার দিন বয়সী কার্তিক শীল, তেজেন্দ্র শীলের ভাইয়ের মেয়ে বাবুটি শীল (২৫), প্রসাদি শীল (১৭), অ্যানি শীল (৭) এবং কক্সবাজার থেকে বেড়াতে আসা আত্মীয় দেবেন্দ্র শীল (৭২)।

সেদিন অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পাওয়া তেজেন্দ্র শীলের ছেলে বিমল শীল পরে বাদি হয়ে মামলা করেন। এরপর ১৯ বছর মা-বাবাসহ পরিবারের সদস্যদের হত্যার বিচার চেয়ে প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন বিমল শীল।

শুরু থেকে এই মামলার বিচারের দাবিতে সরব ছিলেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাণা দাশগুপ্ত।

তিনি বলেন, “২০০১-২০০৬ এই সময়ে দেশে যে কয়টি লোমহর্ষক ঘটনা ঘটেছিল তার মধ্যে বাঁশখালীর এই হত্যাকাণ্ড একটি। কিন্তু আজ ১৯ বছর পরও এ ঘটনার কোনো বিচার তো হয়নি। অনতিবিলম্বে বাঁশখালী ১১ হত্যা মামলার বিচার জাতি দেখতে চায়।’