মানুষের এই পার্থিব জীবন যেন এক দীর্ঘ সফর। সংসার, পরিবার-পরিজন, অট্টালিকা ও বিপুল সম্পদ অর্জনের মধ্য দিয়েই কেটে যায় মানুষের জীবনকাল। সম্মান ও প্রতিষ্ঠার পেছনে প্রতিনিয়ত ছুটে চলেও অনেকে ভুলে যান যে এ পথচলা চিরস্থায়ী নয়। মৃত্যুর বার্তা এলে জীবনের সব ব্যস্ততা ও আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে, সবকিছু পেছনে ফেলে মানুষকে একা পাড়ি দিতে হয় পরকালের অনন্ত যাত্রায়। স্বজনদের শোক আর স্মৃতির মাঝে মৃত ব্যক্তিকে চিরতরে ঠাঁই নিতে হয় মাটির নিচে।

ইসলামি আকাইদ অনুযায়ী মৃত্যু এক অবশ্যম্ভাবী সত্য। এ বিষয়ে পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা স্পষ্ট ঘোষণা করেছেন, ‘প্রত্যেক প্রাণী মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে।’ (সুরা আলে ইমরান, আয়াত: ১৮৫)। তবে মৃত্যুর পর মানুষের সঙ্গে আসলে কী যাবে—তা নিয়ে হাদিসে স্পষ্ট দিকনির্দেশনা রয়েছে। মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘মৃত ব্যক্তির অনুসরণ করে তিনটি জিনিস। দুটি ফিরে আসে, আর একটি তার সঙ্গে থেকে যায়। তার পরিবার, সম্পদ ও আমল তার অনুসরণ করে। অতঃপর তার পরিবার ও সম্পদ ফিরে আসে, আর তার আমল তার সঙ্গে থেকে যায়।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬৫১৪)।

পৃথিবীর জীবনে ক্ষমতা, খ্যাতি ও সম্পদের গুরুত্ব থাকলেও পরকালে এসব কোনো কাজে আসবে না। আল্লাহর দরবারে একমাত্র মানুষের ইমান ও সৎকর্মই বিবেচিত হবে। মানুষের অগোচরে করা ক্ষুদ্রতম ভালো বা মন্দ কাজও আল্লাহর কাছে সংরক্ষিত থাকে। পবিত্র কোরআনে এর বর্ণনায় বলা হয়েছে, ‘কেউ অণু পরিমাণ সৎকর্ম করলে তা দেখতে পাবে। আর কেউ অণু পরিমাণ অসৎকর্ম করলে তা–ও দেখতে পাবে।’ (সুরা জিলজাল, আয়াত: ৭-৮)।

মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে সাধারণত মানুষের আমল করার সুযোগ বন্ধ হয়ে গেলেও তিনটি বিশেষ কাজের সওয়াব মৃত্যুর পরও অব্যাহত থাকে। এ প্রসঙ্গে মহানবী (সা.) নির্দেশ করেছেন, ‘মানুষ মারা গেলে তার আমল বন্ধ হয়ে যায়, তবে তিনটি আমল অব্যাহত থাকে। সদকায়ে জারিয়া, এমন জ্ঞান, যার দ্বারা উপকৃত হওয়া যায় এবং নেক সন্তান, যে তার জন্য দোয়া করে।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১৬৩১)।

অনন্ত পরকালের সফলতার একমাত্র প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ রয়েছে দুনিয়ার জীবনেই। তাই ইসলামে আল্লাহকে ভয় করে চলা, তাঁর নির্দেশ পালন এবং নিষিদ্ধ কাজ থেকে দূরে থাকার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। নামাজ ও রোজার পাশাপাশি সততা, আমানতদারি, চরিত্র গঠন এবং বান্দার অধিকার আদায়ও গুরুত্বপূর্ণ আমল। পরকালের যাত্রায় সেরা পাথেয় নির্দেশ করে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরা পাথেয় সংগ্রহ করো। নিশ্চয়ই সর্বোত্তম পাথেয় হলো তাকওয়া।’ (সুরা বাকারা, আয়াত: ১৯৭)। ফলে সময় থাকতে ইমান ও ভালো কাজের মাধ্যমে পরকালের পাথেয় সঞ্চয় করাই প্রতিটি মুমিনের মূল দায়িত্ব।

মানুষের এই পার্থিব জীবন যেন এক দীর্ঘ সফর। সংসার, পরিবার-পরিজন, অট্টালিকা ও বিপুল সম্পদ অর্জনের মধ্য দিয়েই কেটে যায় মানুষের জীবনকাল। সম্মান ও প্রতিষ্ঠার পেছনে প্রতিনিয়ত ছুটে চলেও অনেকে ভুলে যান যে এ পথচলা চিরস্থায়ী নয়। মৃত্যুর বার্তা এলে জীবনের সব ব্যস্ততা ও আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে, সবকিছু পেছনে ফেলে মানুষকে একা পাড়ি দিতে হয় পরকালের অনন্ত যাত্রায়। স্বজনদের শোক আর স্মৃতির মাঝে মৃত ব্যক্তিকে চিরতরে ঠাঁই নিতে হয় মাটির নিচে।

ইসলামি আকাইদ অনুযায়ী মৃত্যু এক অবশ্যম্ভাবী সত্য। এ বিষয়ে পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা স্পষ্ট ঘোষণা করেছেন, ‘প্রত্যেক প্রাণী মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে।’ (সুরা আলে ইমরান, আয়াত: ১৮৫)। তবে মৃত্যুর পর মানুষের সঙ্গে আসলে কী যাবে—তা নিয়ে হাদিসে স্পষ্ট দিকনির্দেশনা রয়েছে। মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘মৃত ব্যক্তির অনুসরণ করে তিনটি জিনিস। দুটি ফিরে আসে, আর একটি তার সঙ্গে থেকে যায়। তার পরিবার, সম্পদ ও আমল তার অনুসরণ করে। অতঃপর তার পরিবার ও সম্পদ ফিরে আসে, আর তার আমল তার সঙ্গে থেকে যায়।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬৫১৪)।

পৃথিবীর জীবনে ক্ষমতা, খ্যাতি ও সম্পদের গুরুত্ব থাকলেও পরকালে এসব কোনো কাজে আসবে না। আল্লাহর দরবারে একমাত্র মানুষের ইমান ও সৎকর্মই বিবেচিত হবে। মানুষের অগোচরে করা ক্ষুদ্রতম ভালো বা মন্দ কাজও আল্লাহর কাছে সংরক্ষিত থাকে। পবিত্র কোরআনে এর বর্ণনায় বলা হয়েছে, ‘কেউ অণু পরিমাণ সৎকর্ম করলে তা দেখতে পাবে। আর কেউ অণু পরিমাণ অসৎকর্ম করলে তা–ও দেখতে পাবে।’ (সুরা জিলজাল, আয়াত: ৭-৮)।

মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে সাধারণত মানুষের আমল করার সুযোগ বন্ধ হয়ে গেলেও তিনটি বিশেষ কাজের সওয়াব মৃত্যুর পরও অব্যাহত থাকে। এ প্রসঙ্গে মহানবী (সা.) নির্দেশ করেছেন, ‘মানুষ মারা গেলে তার আমল বন্ধ হয়ে যায়, তবে তিনটি আমল অব্যাহত থাকে। সদকায়ে জারিয়া, এমন জ্ঞান, যার দ্বারা উপকৃত হওয়া যায় এবং নেক সন্তান, যে তার জন্য দোয়া করে।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১৬৩১)।

অনন্ত পরকালের সফলতার একমাত্র প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ রয়েছে দুনিয়ার জীবনেই। তাই ইসলামে আল্লাহকে ভয় করে চলা, তাঁর নির্দেশ পালন এবং নিষিদ্ধ কাজ থেকে দূরে থাকার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। নামাজ ও রোজার পাশাপাশি সততা, আমানতদারি, চরিত্র গঠন এবং বান্দার অধিকার আদায়ও গুরুত্বপূর্ণ আমল। পরকালের যাত্রায় সেরা পাথেয় নির্দেশ করে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরা পাথেয় সংগ্রহ করো। নিশ্চয়ই সর্বোত্তম পাথেয় হলো তাকওয়া।’ (সুরা বাকারা, আয়াত: ১৯৭)। ফলে সময় থাকতে ইমান ও ভালো কাজের মাধ্যমে পরকালের পাথেয় সঞ্চয় করাই প্রতিটি মুমিনের মূল দায়িত্ব।