অধিকৃত পশ্চিম তীরের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর হেবরন থেকে টানা ১০ দিনের সামরিক অবরোধ ও ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে সেনা প্রত্যাহার করে নিয়েছে ইসরাইল। ইসরাইলি বাহিনী চলে যাওয়ার পর সোমবার সংশ্লিষ্ট এলাকার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে ফিলিস্তিনি নিরাপত্তা বাহিনী। হেবরনের গভর্নর খালেদ দুদিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গভর্নর জানান, অভিযানের মুখে যেসব পরিবার নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছিল, তারা এখন সেখানে ফিরে আসার সুযোগ পাচ্ছেন। অধিবাসীরা যাতে নিরাপদে স্ব স্ব বাসস্থানে ফিরতে পারেন, সে জন্য ফিলিস্তিনি নিরাপত্তা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিবেশ নিশ্চিত করতে পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

গত ২৩ অক্টোবর দুই ফিলিস্তিনির চালানো এক বন্দুক হামলায় দুই ইসরাইলি সেনা নিহত এবং তিনজন আহত হন। পরবর্তীতে ইসরাইলি বাহিনী ওই দুই হামলাকারীকে হত্যা করে এবং হেবরন শহরজুড়ে কঠোর সামরিক অবরোধ জারি করে। এর মাধ্যমেই সূচনা হয় টানা ১০ দিনের এই অভিযান।

অভিযান চলাকালে হেবরন শহর এবং সংলগ্ন গ্রামগুলোতে সাধারণ মানুষের চলাচলের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ চাপানো হয়। এ সময় বেশ কয়েকটি এলাকায় ফিলিস্তিনিদের বাসগৃহ দখল করে সেগুলোকে সামরিক চৌকি হিসেবে ব্যবহার করে দখলদার বাহিনী। একই সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি, বসতবাড়ি, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানসহ নানাবিধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

হেবরন গভর্নরেটের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই ১০ দিনের অভিযানে ৩ হাজার ৩০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত কিংবা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। অভিযানের সবচেয়ে ক্ষতিকর প্রভাব পড়েছে আল-জালদা এবং আইন দেইর বাহা এলাকায়। সেখানে ১৫টি বাড়ি ও অন্যান্য স্থাপনা সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ইসরাইলি বাহিনীর এই তৎপরতায় এলাকার অবকাঠামো, স্থানীয় অর্থনীতি ও স্বাভাবিক শিক্ষাকার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।

প্রকাশ : ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১২: ৫৯আপডেট : ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৩: ১০

অধিকৃত পশ্চিম তীরের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর হেবরন থেকে টানা ১০ দিনের সামরিক অবরোধ ও ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে সেনা প্রত্যাহার করে নিয়েছে ইসরাইল। ইসরাইলি বাহিনী চলে যাওয়ার পর সোমবার সংশ্লিষ্ট এলাকার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে ফিলিস্তিনি নিরাপত্তা বাহিনী। হেবরনের গভর্নর খালেদ দুদিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গভর্নর জানান, অভিযানের মুখে যেসব পরিবার নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছিল, তারা এখন সেখানে ফিরে আসার সুযোগ পাচ্ছেন। অধিবাসীরা যাতে নিরাপদে স্ব স্ব বাসস্থানে ফিরতে পারেন, সে জন্য ফিলিস্তিনি নিরাপত্তা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিবেশ নিশ্চিত করতে পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

গত ২৩ অক্টোবর দুই ফিলিস্তিনির চালানো এক বন্দুক হামলায় দুই ইসরাইলি সেনা নিহত এবং তিনজন আহত হন। পরবর্তীতে ইসরাইলি বাহিনী ওই দুই হামলাকারীকে হত্যা করে এবং হেবরন শহরজুড়ে কঠোর সামরিক অবরোধ জারি করে। এর মাধ্যমেই সূচনা হয় টানা ১০ দিনের এই অভিযান।

অভিযান চলাকালে হেবরন শহর এবং সংলগ্ন গ্রামগুলোতে সাধারণ মানুষের চলাচলের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ চাপানো হয়। এ সময় বেশ কয়েকটি এলাকায় ফিলিস্তিনিদের বাসগৃহ দখল করে সেগুলোকে সামরিক চৌকি হিসেবে ব্যবহার করে দখলদার বাহিনী। একই সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি, বসতবাড়ি, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানসহ নানাবিধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

হেবরন গভর্নরেটের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই ১০ দিনের অভিযানে ৩ হাজার ৩০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত কিংবা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। অভিযানের সবচেয়ে ক্ষতিকর প্রভাব পড়েছে আল-জালদা এবং আইন দেইর বাহা এলাকায়। সেখানে ১৫টি বাড়ি ও অন্যান্য স্থাপনা সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ইসরাইলি বাহিনীর এই তৎপরতায় এলাকার অবকাঠামো, স্থানীয় অর্থনীতি ও স্বাভাবিক শিক্ষাকার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।

প্রকাশ : ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১২: ৫৯আপডেট : ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৩: ১০