গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ সাত দফা দাবিতে খুলনা বিভাগ অভিমুখে লংমার্চ শুরু করতে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেটে উদ্বোধনী সমাবেশের মধ্য দিয়ে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। সকাল ৭টায় নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী সমাবেশ শুরু হলেও ভোর থেকেই বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী মসজিদ প্রাঙ্গণে জড়ো হন। সমাবেশ শেষে সকাল ৮টায় লংমার্চের গাড়ি বহর খুলনার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করার কথা রয়েছে।

উদ্বোধনী সমাবেশে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ জোটভুক্ত ১১টি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেন। আয়োজকরা জানিয়েছেন, ঢাকা থেকে যাত্রা শুরুর সময় বহরে ৬০০টিরও বেশি যানবাহন অংশ নিয়েছে। দীর্ঘ এই যাত্রাপথে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আরও প্রায় দেড় হাজার গাড়ি বহরে যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। সোয়া চার শ কিলোমিটারের বেশি দীর্ঘ এই সড়কপথে কর্মসূচিকে সফল করতে ১৯টি জেলার নেতাকর্মীরা ব্যাপক প্রস্তুতি ও শোডাউনের ব্যবস্থা নিয়েছেন।

রাজধানী থেকে যাত্রা শুরু করে পদ্মা সেতু পার হয়ে লংমার্চের বহর খুলনা বিভাগের বিভিন্ন পথ অতিক্রম করবে। পুরো কর্মসূচিতে ছয়টি নির্ধারিত স্থানে পথসভা এবং বেশ কয়েকটি অনির্ধারিত সভা অনুষ্ঠিত হবে। সূচি অনুযায়ী, শরীয়তপুরের জাজিরার নাওডোবায় সকাল ৯টায় লংমার্চের প্রথম পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বাগেরহাটের ফকিরহাটের কাঁটাখালীর মোড়ে বেলা ১১টায়, খুলনা মহানগরের বাবরী চত্বরে বেলা সাড়ে ১২টায় এবং ফুলতলা বাসস্ট্যান্ডের স্বাধীনতা চত্বরে দুপুর ২টায় পথসভা অনুষ্ঠিত হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

পরবর্তী সূচি অনুযায়ী, বিকেলে যশোরের মুড়লীর মোড়ে বিকেল সাড়ে ৩টায় এবং ঝিনাইদহের চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড মোড়ে বিকেল ৫টায় পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। দিনভর বিভিন্ন পথসভা শেষে লংমার্চের বহরটি রাত সাড় ৮টায় কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে পৌঁছাবে এবং সেখানে সমাপনী জনসভার মাধ্যমে দিনব্যাপী এই কর্মসূচি শেষ হবে।

এর আগে দেশব্যাপী ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে গত ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে ছয় দফা দাবিতে প্রথম লংমার্চ করে ১১ দলীয় ঐক্য। তখন দাবিগুলোর মধ্যে ছিল—গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সারের সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ করা। পরবর্তীতে এর সঙ্গে দুর্নীতি, দখলবাজি ও চাঁদাবাজি বন্ধের বিষয়গুলো যুক্ত হয়ে দাবিটি সাত দফায় রূপ নেয়।

এরপর গত ১৯ সেপ্টেম্বর রংপুর অভিমুখে দ্বিতীয় লংমার্চ আয়োজনের সময় আঞ্চলিক দাবি হিসেবে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়টিও যুক্ত করা হয়েছিল। আগের দুটি লংমার্চে ব্যাপক জনসাড়া পাওয়ার পর আজকের ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া কর্মসূচি সফল করতে জামায়াতসহ জোটের শরিকরা ব্যাপক তৎপরতা চালায়। আয়োজকদের প্রত্যাশা, পূর্ববর্তী দুটি লংমার্চের তুলনায় আজকের কর্মসূচিতে আরও বড় আকারের গণজমায়েত তৈরি হবে।

প্রকাশ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭: ৫৮আপডেট : ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮: ০০

গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ সাত দফা দাবিতে খুলনা বিভাগ অভিমুখে লংমার্চ শুরু করতে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেটে উদ্বোধনী সমাবেশের মধ্য দিয়ে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। সকাল ৭টায় নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী সমাবেশ শুরু হলেও ভোর থেকেই বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী মসজিদ প্রাঙ্গণে জড়ো হন। সমাবেশ শেষে সকাল ৮টায় লংমার্চের গাড়ি বহর খুলনার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করার কথা রয়েছে।

উদ্বোধনী সমাবেশে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ জোটভুক্ত ১১টি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেন। আয়োজকরা জানিয়েছেন, ঢাকা থেকে যাত্রা শুরুর সময় বহরে ৬০০টিরও বেশি যানবাহন অংশ নিয়েছে। দীর্ঘ এই যাত্রাপথে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আরও প্রায় দেড় হাজার গাড়ি বহরে যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। সোয়া চার শ কিলোমিটারের বেশি দীর্ঘ এই সড়কপথে কর্মসূচিকে সফল করতে ১৯টি জেলার নেতাকর্মীরা ব্যাপক প্রস্তুতি ও শোডাউনের ব্যবস্থা নিয়েছেন।

রাজধানী থেকে যাত্রা শুরু করে পদ্মা সেতু পার হয়ে লংমার্চের বহর খুলনা বিভাগের বিভিন্ন পথ অতিক্রম করবে। পুরো কর্মসূচিতে ছয়টি নির্ধারিত স্থানে পথসভা এবং বেশ কয়েকটি অনির্ধারিত সভা অনুষ্ঠিত হবে। সূচি অনুযায়ী, শরীয়তপুরের জাজিরার নাওডোবায় সকাল ৯টায় লংমার্চের প্রথম পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বাগেরহাটের ফকিরহাটের কাঁটাখালীর মোড়ে বেলা ১১টায়, খুলনা মহানগরের বাবরী চত্বরে বেলা সাড়ে ১২টায় এবং ফুলতলা বাসস্ট্যান্ডের স্বাধীনতা চত্বরে দুপুর ২টায় পথসভা অনুষ্ঠিত হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

পরবর্তী সূচি অনুযায়ী, বিকেলে যশোরের মুড়লীর মোড়ে বিকেল সাড়ে ৩টায় এবং ঝিনাইদহের চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড মোড়ে বিকেল ৫টায় পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। দিনভর বিভিন্ন পথসভা শেষে লংমার্চের বহরটি রাত সাড় ৮টায় কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে পৌঁছাবে এবং সেখানে সমাপনী জনসভার মাধ্যমে দিনব্যাপী এই কর্মসূচি শেষ হবে।

এর আগে দেশব্যাপী ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে গত ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে ছয় দফা দাবিতে প্রথম লংমার্চ করে ১১ দলীয় ঐক্য। তখন দাবিগুলোর মধ্যে ছিল—গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সারের সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ করা। পরবর্তীতে এর সঙ্গে দুর্নীতি, দখলবাজি ও চাঁদাবাজি বন্ধের বিষয়গুলো যুক্ত হয়ে দাবিটি সাত দফায় রূপ নেয়।

এরপর গত ১৯ সেপ্টেম্বর রংপুর অভিমুখে দ্বিতীয় লংমার্চ আয়োজনের সময় আঞ্চলিক দাবি হিসেবে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়টিও যুক্ত করা হয়েছিল। আগের দুটি লংমার্চে ব্যাপক জনসাড়া পাওয়ার পর আজকের ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া কর্মসূচি সফল করতে জামায়াতসহ জোটের শরিকরা ব্যাপক তৎপরতা চালায়। আয়োজকদের প্রত্যাশা, পূর্ববর্তী দুটি লংমার্চের তুলনায় আজকের কর্মসূচিতে আরও বড় আকারের গণজমায়েত তৈরি হবে।

প্রকাশ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭: ৫৮আপডেট : ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮: ০০