হরমুজ প্রণালির অননুমোদিত পথ দিয়ে চলাচলের চেষ্টা করায় দুটি তেলবাহী ট্যাংকার আটকে দেওয়ার দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) নৌবাহিনী। এই ঘটনার সময় জাহাজ দুটিতে আগুন ধরে যায় বলেও তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, হরমুজ প্রণালির পূর্ব ও পশ্চিম অংশে অবস্থানে থাকা তেলবাহী জাহাজ দুটি নির্ধারিত রুট ভেঙে চলাচলের চেষ্টা করছিল। একপর্যায়ে দক্ষিণ উপকূলীয় জলসীমায় ট্যাংকার দুটি নানা জটিলতার মুখোমুখি হয় এবং শেষ পর্যন্ত সেগুলো আটকে দেওয়া হয়।

ইরানি নৌবাহিনীর অভিযোগ, জাহাজ দুটি নিজেদের নেভিগেশন ও অবস্থান শনাক্তকরণ প্রযুক্তি বা ট্র্যাকিং ব্যবস্থা বন্ধ রেখেছিল। একই সঙ্গে তারা মার্কিন সামরিক বাহিনীর সহযোগিতায় নিষিদ্ধ পথ ধরে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল। একাধিকবার বেতার বার্তা পাঠিয়ে সতর্ক করা সত্ত্বেও জাহাজ দুটি সেই নির্দেশনা গ্রাহ্য করেনি। পরবর্তীতে বিপজ্জনক অঞ্চলে প্রবেশ করার পর সেগুলো দুর্ঘটনার শিকার হয় এবং গতি থমে যায়।

বিবৃতিতে ট্যাংকার দুটি আটকে পড়া ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনীর বৈরী তৎপরতা এবং ইরানের নৌ-চলাচল বিধি ভঙ্গের বিষয়টি দায়ী বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ট্যাংকার দুটি কোন দেশের পতাকাবাহী, এগুলোর স্বত্বাধিকারী কারা, কতজন নাবিক ছিলেন কিংবা এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না—সে বিষয়ে আইআরজিসির তরফ থেকে নির্দিষ্ট কিছু জানানো হয়নি।

সম্প্রতি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে একের পর এক তেলবাহী জাহাজে বিস্ফোরণ ও আগুনের খবর প্রকাশ পাচ্ছে। এসব ঘটনার বেশ কয়েকটিকে সামুদ্রিক মাইন বিস্ফোরণ বলে দাবি করেছে ইরানের সামরিক খাত। এর বিপরীতে মার্কিন সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালির মূল নৌপথ থেকে ইরান কর্তৃক পেতে রাখা মাইনগুলো তারা ইতোমধ্যে অপসারণ করেছে। তবে এ সংক্রান্ত নানা দাবি-পাল্টা দাবির নিরপেক্ষ সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বহনের অন্যতম প্রধান পথ হিসেবে বিবেচিত হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও অন্যান্য জ্বালানি পরিবাহিত হয়। ফলে এই প্রণালিতে সাময়িক সামরিক উত্তেজনা সৃষ্টি বা জাহাজ চলাচলে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা এবং বিশ্ববাজারে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়ার বড় ধরনের আশঙ্কা রয়েছে।

হরমুজ প্রণালির অননুমোদিত পথ দিয়ে চলাচলের চেষ্টা করায় দুটি তেলবাহী ট্যাংকার আটকে দেওয়ার দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) নৌবাহিনী। এই ঘটনার সময় জাহাজ দুটিতে আগুন ধরে যায় বলেও তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, হরমুজ প্রণালির পূর্ব ও পশ্চিম অংশে অবস্থানে থাকা তেলবাহী জাহাজ দুটি নির্ধারিত রুট ভেঙে চলাচলের চেষ্টা করছিল। একপর্যায়ে দক্ষিণ উপকূলীয় জলসীমায় ট্যাংকার দুটি নানা জটিলতার মুখোমুখি হয় এবং শেষ পর্যন্ত সেগুলো আটকে দেওয়া হয়।

ইরানি নৌবাহিনীর অভিযোগ, জাহাজ দুটি নিজেদের নেভিগেশন ও অবস্থান শনাক্তকরণ প্রযুক্তি বা ট্র্যাকিং ব্যবস্থা বন্ধ রেখেছিল। একই সঙ্গে তারা মার্কিন সামরিক বাহিনীর সহযোগিতায় নিষিদ্ধ পথ ধরে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল। একাধিকবার বেতার বার্তা পাঠিয়ে সতর্ক করা সত্ত্বেও জাহাজ দুটি সেই নির্দেশনা গ্রাহ্য করেনি। পরবর্তীতে বিপজ্জনক অঞ্চলে প্রবেশ করার পর সেগুলো দুর্ঘটনার শিকার হয় এবং গতি থমে যায়।

বিবৃতিতে ট্যাংকার দুটি আটকে পড়া ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনীর বৈরী তৎপরতা এবং ইরানের নৌ-চলাচল বিধি ভঙ্গের বিষয়টি দায়ী বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ট্যাংকার দুটি কোন দেশের পতাকাবাহী, এগুলোর স্বত্বাধিকারী কারা, কতজন নাবিক ছিলেন কিংবা এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না—সে বিষয়ে আইআরজিসির তরফ থেকে নির্দিষ্ট কিছু জানানো হয়নি।

সম্প্রতি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে একের পর এক তেলবাহী জাহাজে বিস্ফোরণ ও আগুনের খবর প্রকাশ পাচ্ছে। এসব ঘটনার বেশ কয়েকটিকে সামুদ্রিক মাইন বিস্ফোরণ বলে দাবি করেছে ইরানের সামরিক খাত। এর বিপরীতে মার্কিন সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালির মূল নৌপথ থেকে ইরান কর্তৃক পেতে রাখা মাইনগুলো তারা ইতোমধ্যে অপসারণ করেছে। তবে এ সংক্রান্ত নানা দাবি-পাল্টা দাবির নিরপেক্ষ সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বহনের অন্যতম প্রধান পথ হিসেবে বিবেচিত হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও অন্যান্য জ্বালানি পরিবাহিত হয়। ফলে এই প্রণালিতে সাময়িক সামরিক উত্তেজনা সৃষ্টি বা জাহাজ চলাচলে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা এবং বিশ্ববাজারে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়ার বড় ধরনের আশঙ্কা রয়েছে।