বিশ্বকাপের হতাশা পেছনে ফেলে ভবিষ্যতের জন্য শক্তিশালী একটি ব্রাজিল দল গড়ার লক্ষ্যে নতুন প্রজন্ম তৈরির উদ্যোগ নিয়েছেন প্রধান কোচ কার্লো আনচেলত্তি। আগামী নভেম্বরের আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ সামনে রেখে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ২৬ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করেছেন তিনি। ঘোষিত এই দলে নতুন ও তরুণের প্রাধান্য স্পষ্ট, যেখানে প্রথমবারের মতো জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন পাঁচজন ফুটবলার। এছাড়া দলের ২৬ জনের মধ্যে ১৫ জন ফুটবলারের বয়সই ২৩ বছরের নিচে।

সিনিয়র জাতীয় দলে প্রথমবার সুযোগ পাওয়া পাঁচ তরুণ ফুটবলার হলেন করিন্থিয়ান্সের আন্দ্রে লুইজ, ক্রুজেইরোর রক্ষণভাগের জোনাথন জেসুস, ম্যানচেস্টার সিটির অ্যালান এবং শাখতার দোনেৎস্কের মারলন গোমেস ও আলিসন সান্তানা। করিন্থিয়ান্স ও ক্রুজেইরো থেকে খেলোয়াড় নির্বাচন ঘরোয়া ফুটবলের প্রতিভার প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার বার্তা দিচ্ছে, আর ইউরোপে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টায় থাকা অ্যালান, মারলন গোমেস ও আলিসন সান্তানার সামনে আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণের বড় সুযোগ তৈরি হয়েছে।

আনচেলত্তির ঘোষিত দলে অভিজ্ঞতার পাশাপাশি উদীয়মান তারকাদের দারুণ সমন্বয় দেখা গেছে। আক্রমণভাগে রিয়েল মাদ্রিদের ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও বার্সেলোনার রাফিনিয়ার মতো অভিজ্ঞরা যেমন আছেন, তেমনি তাঁদের পাশে সুযোগ পেয়েছেন এন্দ্রিক, চেলসির এস্তেভাও এবং বোর্নমাউথের রায়ানের মতো তরুণ ফুটবলারেরা। ব্রাজিলের ফুটবল ইতিহাসে পেলে, রোনালদো নাজারিও, রোনালদিনিয়ো ও নেইমারের মতো মহাতারকাদের উত্থানের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতেই কোচ অভিজ্ঞদের সঙ্গে উদীয়মানদের এই সংযোগ তৈরি করছেন।

এবারের দল নির্বাচনে একটি ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত চোখে পড়েছে। ব্রাজিলের ঘরোয়া লিগের শীর্ষ শিরোপাসংগ্রামে থাকা ফ্লামেঙ্গো ও পালমেইরাস থেকে কোনো খেলোয়াড়কে স্কোয়াডে রাখা হয়নি। ব্রাজিলের ফুটবল কনফেডারেশন (CBF) ঘরোয়া প্রতিযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ শেষ ধাপে ক্লাবের স্বার্থ ও প্রতিযোগিতার ভারসাম্য রক্ষার স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেয়। এছাড়া ঘরোয়া ক্লাবগুলো থেকে সাধারণভাবে একজন করে খেলোয়াড় নেওয়ার নীতিও অনুসরণ করা হয়েছে।

ঘোষিত ২৬ সদস্যের দলে গোলরক্ষক হিসেবে রয়েছেন আল-নাসরের বেন্তো, তোরিনোর লুকাস পেরি এবং কোরিতিবার পেদ্রো মরিস্কো। রক্ষণভাগে স্থান পেয়েছেন আতলেতিকো পারানায়েন্সের আর্থুর দিয়াস, ইন্টার মিলানের কার্লোস অগুস্তো, জেনিতের দগলাস সান্তোস, আর্সেনালের গাব্রিয়েল মাগালিয়াইস, নটিংহাম ফরেস্টের জাইর কুনিয়া, ক্রুজেইরোর জোনাথন জেসুস, মোনাকোর ভান্দেরসন, ম্যানচেস্টার সিটির ভিতর রেইস এবং রোমার ওয়েসলি।

মাঝমাঠে সুযোগ পেয়েছেন করিন্থিয়ান্সের আন্দ্রে লুইজ, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের আন্দ্রে সান্তোস, আর্সেনালের ব্রুনো গিমারায়েস, বতাফোগোর দানিলো সান্তোস, সান্তোসের গাব্রিয়েল বন্তেম্পো, অ্যাস্টন ভিলার জোয়াও গোমেস এবং শাখতার দোনেৎস্কের মারলন গোমেস। আর আক্রমণভাগ সামলানোর দায়িত্বে থাকবেন আলিসন সান্তানা, অ্যালান, এন্দ্রিক, এস্তেভাও, রাফিনিয়া, রায়ান ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।

ঘোষিত এই দল নিয়ে আগামী ১৪ নভেম্বর জাপানের মুখোমুখি হবে ব্রাজিল। এর তিন দিন পর, ১৭ নভেম্বর, তাদের দ্বিতীয় ম্যাচের প্রতিপক্ষ স্বাগতিক সিঙ্গাপুর। দুটি ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে সিঙ্গাপুরের জাতীয় স্টেডিয়ামে, যা দিয়ে ২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক সূচি শেষ করবে সেলেসাওরা। জাপানের বিপক্ষে ম্যাচটিতে দলের রক্ষণ ও মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ পরীক্ষা করা হবে, অন্যদিকে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে নতুনদের ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে দেখে কৌশলগত বোঝাপড়া তৈরি করার সুযোগ পাবেন আনচেলত্তি।

বাংলাদেশে ব্রাজিলের অগাধ সমর্থকগোষ্ঠী রয়েছে, যারা বড় তারকাদের পাশাপাশি নতুনদের পারফরম্যান্স দেখতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন। জাপান ও সিঙ্গাপুরের বিরুদ্ধে শেষ দুটি প্রীতি ম্যাচে মাঠের পারফরম্যান্স, ধারাবাহিকতা এবং নতুনদের মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতাই বলে দেবে আনচেলত্তির গড়ে তোলা এই নতুন প্রজন্ম আগামী দিনে সেলেসাওদের মূল কান্ডারি হতে পারবে কি না।

বিশ্বকাপের হতাশা পেছনে ফেলে ভবিষ্যতের জন্য শক্তিশালী একটি ব্রাজিল দল গড়ার লক্ষ্যে নতুন প্রজন্ম তৈরির উদ্যোগ নিয়েছেন প্রধান কোচ কার্লো আনচেলত্তি। আগামী নভেম্বরের আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ সামনে রেখে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ২৬ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করেছেন তিনি। ঘোষিত এই দলে নতুন ও তরুণের প্রাধান্য স্পষ্ট, যেখানে প্রথমবারের মতো জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন পাঁচজন ফুটবলার। এছাড়া দলের ২৬ জনের মধ্যে ১৫ জন ফুটবলারের বয়সই ২৩ বছরের নিচে।

সিনিয়র জাতীয় দলে প্রথমবার সুযোগ পাওয়া পাঁচ তরুণ ফুটবলার হলেন করিন্থিয়ান্সের আন্দ্রে লুইজ, ক্রুজেইরোর রক্ষণভাগের জোনাথন জেসুস, ম্যানচেস্টার সিটির অ্যালান এবং শাখতার দোনেৎস্কের মারলন গোমেস ও আলিসন সান্তানা। করিন্থিয়ান্স ও ক্রুজেইরো থেকে খেলোয়াড় নির্বাচন ঘরোয়া ফুটবলের প্রতিভার প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার বার্তা দিচ্ছে, আর ইউরোপে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টায় থাকা অ্যালান, মারলন গোমেস ও আলিসন সান্তানার সামনে আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণের বড় সুযোগ তৈরি হয়েছে।

আনচেলত্তির ঘোষিত দলে অভিজ্ঞতার পাশাপাশি উদীয়মান তারকাদের দারুণ সমন্বয় দেখা গেছে। আক্রমণভাগে রিয়েল মাদ্রিদের ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও বার্সেলোনার রাফিনিয়ার মতো অভিজ্ঞরা যেমন আছেন, তেমনি তাঁদের পাশে সুযোগ পেয়েছেন এন্দ্রিক, চেলসির এস্তেভাও এবং বোর্নমাউথের রায়ানের মতো তরুণ ফুটবলারেরা। ব্রাজিলের ফুটবল ইতিহাসে পেলে, রোনালদো নাজারিও, রোনালদিনিয়ো ও নেইমারের মতো মহাতারকাদের উত্থানের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতেই কোচ অভিজ্ঞদের সঙ্গে উদীয়মানদের এই সংযোগ তৈরি করছেন।

এবারের দল নির্বাচনে একটি ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত চোখে পড়েছে। ব্রাজিলের ঘরোয়া লিগের শীর্ষ শিরোপাসংগ্রামে থাকা ফ্লামেঙ্গো ও পালমেইরাস থেকে কোনো খেলোয়াড়কে স্কোয়াডে রাখা হয়নি। ব্রাজিলের ফুটবল কনফেডারেশন (CBF) ঘরোয়া প্রতিযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ শেষ ধাপে ক্লাবের স্বার্থ ও প্রতিযোগিতার ভারসাম্য রক্ষার স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেয়। এছাড়া ঘরোয়া ক্লাবগুলো থেকে সাধারণভাবে একজন করে খেলোয়াড় নেওয়ার নীতিও অনুসরণ করা হয়েছে।

ঘোষিত ২৬ সদস্যের দলে গোলরক্ষক হিসেবে রয়েছেন আল-নাসরের বেন্তো, তোরিনোর লুকাস পেরি এবং কোরিতিবার পেদ্রো মরিস্কো। রক্ষণভাগে স্থান পেয়েছেন আতলেতিকো পারানায়েন্সের আর্থুর দিয়াস, ইন্টার মিলানের কার্লোস অগুস্তো, জেনিতের দগলাস সান্তোস, আর্সেনালের গাব্রিয়েল মাগালিয়াইস, নটিংহাম ফরেস্টের জাইর কুনিয়া, ক্রুজেইরোর জোনাথন জেসুস, মোনাকোর ভান্দেরসন, ম্যানচেস্টার সিটির ভিতর রেইস এবং রোমার ওয়েসলি।

মাঝমাঠে সুযোগ পেয়েছেন করিন্থিয়ান্সের আন্দ্রে লুইজ, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের আন্দ্রে সান্তোস, আর্সেনালের ব্রুনো গিমারায়েস, বতাফোগোর দানিলো সান্তোস, সান্তোসের গাব্রিয়েল বন্তেম্পো, অ্যাস্টন ভিলার জোয়াও গোমেস এবং শাখতার দোনেৎস্কের মারলন গোমেস। আর আক্রমণভাগ সামলানোর দায়িত্বে থাকবেন আলিসন সান্তানা, অ্যালান, এন্দ্রিক, এস্তেভাও, রাফিনিয়া, রায়ান ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।

ঘোষিত এই দল নিয়ে আগামী ১৪ নভেম্বর জাপানের মুখোমুখি হবে ব্রাজিল। এর তিন দিন পর, ১৭ নভেম্বর, তাদের দ্বিতীয় ম্যাচের প্রতিপক্ষ স্বাগতিক সিঙ্গাপুর। দুটি ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে সিঙ্গাপুরের জাতীয় স্টেডিয়ামে, যা দিয়ে ২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক সূচি শেষ করবে সেলেসাওরা। জাপানের বিপক্ষে ম্যাচটিতে দলের রক্ষণ ও মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ পরীক্ষা করা হবে, অন্যদিকে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে নতুনদের ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে দেখে কৌশলগত বোঝাপড়া তৈরি করার সুযোগ পাবেন আনচেলত্তি।

বাংলাদেশে ব্রাজিলের অগাধ সমর্থকগোষ্ঠী রয়েছে, যারা বড় তারকাদের পাশাপাশি নতুনদের পারফরম্যান্স দেখতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন। জাপান ও সিঙ্গাপুরের বিরুদ্ধে শেষ দুটি প্রীতি ম্যাচে মাঠের পারফরম্যান্স, ধারাবাহিকতা এবং নতুনদের মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতাই বলে দেবে আনচেলত্তির গড়ে তোলা এই নতুন প্রজন্ম আগামী দিনে সেলেসাওদের মূল কান্ডারি হতে পারবে কি না।