মিরপুর টেস্টে প্রথম ইনিংসে ২৭ রানের লিড পেয়েছে বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ২৪৫ রানে অলআউট করে এই স্বস্তি অর্জন করেছে স্বাগতিকরা। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের সংগ্রহ ছিল ২৭২ রান।

তৃতীয় দিনের শুরুতে ক্যারিবীয়রা বেশ ভালো অবস্থানেই ছিল। ৪ উইকেটে ১৩৪ রান নিয়ে দিন শুরু করা ওয়েস্ট ইন্ডিজ এক পর্যায়ে ১ উইকেটে ৯০ রান তুলে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে ছিল। জন ক্যাম্পবেলের হাফসেঞ্চুরির পর তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজের দারুণ বোলিংয়ে মাত্র ৭ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে সফরকারীরা। ৯৭ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর ত্যাগনারায়ণ চন্দরপল ও জাস্টিন গ্রেভস প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

চন্দরপল তার ধীরগতির ব্যাটিংয়ে দীর্ঘক্ষণ বাংলাদেশকে ভোগান। তৃতীয় দিনের প্রথম পৌনে এক ঘণ্টা তিনি অনায়াসে পার করে দেন। শেষ পর্যন্ত ১৮৪ বল খেলে ৫৬ রান করা চন্দরপলকে শরিফুল ইসলামের ক্যাচে পরিণত করেন নাজমুল হোসেন শান্ত। এই জুটিতে যোগ হয়েছিল ৬৫ রান। এরপর অফস্পিনার নাঈম হাসান শেষের দিকে দুর্দান্ত বোলিং করে ৪ উইকেট তুলে নেন। তার ঘূর্ণিতেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ দ্রুত অলআউট হয়ে যায়। লাঞ্চ বিরতির ঠিক আগে নাঈম হাসান এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন ৪৬ রান করা জাস্টিন গ্রেভসকে। দলের স্বীকৃত ব্যাটারদের মধ্যে কেবল অধিনায়ক রোস্টন চেজ ৪৩ রানে অপরাজিত থাকেন। এর আগে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে সাদমান ইসলাম সেঞ্চুরি করলেও শেষ পর্যন্ত ২৭২ রানে অলআউট হয় দল। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে জোমেল ওয়ারিকান একাই ৫টি উইকেট শিকার করেছিলেন।

৫ উইকেটে ২১৩ রান তুলে ফেলেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

১৬২ রানে ৫ উইকেট হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

মিরপুর টেস্টে প্রথম ইনিংসে ২৭ রানের লিড পেয়েছে বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ২৪৫ রানে অলআউট করে এই স্বস্তি অর্জন করেছে স্বাগতিকরা। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের সংগ্রহ ছিল ২৭২ রান।

তৃতীয় দিনের শুরুতে ক্যারিবীয়রা বেশ ভালো অবস্থানেই ছিল। ৪ উইকেটে ১৩৪ রান নিয়ে দিন শুরু করা ওয়েস্ট ইন্ডিজ এক পর্যায়ে ১ উইকেটে ৯০ রান তুলে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে ছিল। জন ক্যাম্পবেলের হাফসেঞ্চুরির পর তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজের দারুণ বোলিংয়ে মাত্র ৭ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে সফরকারীরা। ৯৭ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর ত্যাগনারায়ণ চন্দরপল ও জাস্টিন গ্রেভস প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

চন্দরপল তার ধীরগতির ব্যাটিংয়ে দীর্ঘক্ষণ বাংলাদেশকে ভোগান। তৃতীয় দিনের প্রথম পৌনে এক ঘণ্টা তিনি অনায়াসে পার করে দেন। শেষ পর্যন্ত ১৮৪ বল খেলে ৫৬ রান করা চন্দরপলকে শরিফুল ইসলামের ক্যাচে পরিণত করেন নাজমুল হোসেন শান্ত। এই জুটিতে যোগ হয়েছিল ৬৫ রান। এরপর অফস্পিনার নাঈম হাসান শেষের দিকে দুর্দান্ত বোলিং করে ৪ উইকেট তুলে নেন। তার ঘূর্ণিতেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ দ্রুত অলআউট হয়ে যায়। লাঞ্চ বিরতির ঠিক আগে নাঈম হাসান এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন ৪৬ রান করা জাস্টিন গ্রেভসকে। দলের স্বীকৃত ব্যাটারদের মধ্যে কেবল অধিনায়ক রোস্টন চেজ ৪৩ রানে অপরাজিত থাকেন। এর আগে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে সাদমান ইসলাম সেঞ্চুরি করলেও শেষ পর্যন্ত ২৭২ রানে অলআউট হয় দল। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে জোমেল ওয়ারিকান একাই ৫টি উইকেট শিকার করেছিলেন।

৫ উইকেটে ২১৩ রান তুলে ফেলেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

১৬২ রানে ৫ উইকেট হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।