প্রেসবিজ্ঞপ্তি: নাসিরাবাদস্থ দি ওয়াসা এমপ্লয়িজ কো-অপারেটিভ সোসাইটি লি. রেজি. নং ৩১৮এর কার্যালয়ে সাধারণ সদস্য মো. ইয়াকুবের সভাপতিত্বে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে সদস্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- মো. আব্দুর শুক্কুর, মো. হাসান, কাজী মো. সেকান্দর, মো. শাহ আলম, মো. সেলিম, সাইফ উদ্দিন চৌধুরী, আবুল কালাম, মো. আবু সৈয়দ, নজরুল ইসলাম, নাছির উদ্দিন প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, কতিপয় স্বার্থন্বেষী ব্যক্তি ও ভূমিদস্যুরা বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের রাজনৈতিক মহলের সহযোগিতায় ব্যানার ও ফেইসবুকের মাধ্যমে তথাকথিক কমিটি প্রকাশ করার পরিপ্রেক্ষিতে উচ্চ আদালতের রিট পিটিশন ১১৬৭৯/২১ ও জজ কোর্টে অপর মামলা ৯১/২২ তাদের বিরুদ্ধে নির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক শামীমুল কিবরিয়া ও আমির হোসেন মামলা দাখিল করেছেন। এই অবস্থাতে মামলা চলমান রয়েছে। নির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক যথারীতিভাবে অত্র কো-অপারেটিভের নির্বাচনসহ বিভিন্ন কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছে। অত্র কো-অপারেটিভের কর্মকান্ডকে বাধাগ্রস্থ করছে ঐ ভূমিদস্যুরা নিজেদের অপকর্মকে ঢেকে রাখার জন্য সমবায় দপ্তরের কিছুসংখ্যক দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার যোগসাজশে তথাকথিত কমিটি জাহির করেন।

স্বার্থন্বেষী ভূমিদস্যু তথাকথিত কমিটির বিরুদ্ধে অত্র কো-অপারেটিভ সোসাইটির সাধারণ সদস্যরা তীব্রভাবে প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, চট্টগ্রাম ওয়াসা একটি জনহিতকর প্রতিষ্ঠান। জনগণের ভূমি হুকুম দখল করে আপামর জনগণকে পানি সরবরাহ করা চট্টগ্রাম ওয়াসা কর্তৃপক্ষের একমাত্র দয়িত্ব। দোকান নির্মাণ করে সালামীর মাধ্যমে দোকান বিক্রি করা ওয়াসা কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব নয়। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের সাথে বলতে হয়, কিছু সংখ্যক ভূমিদস্যু অত্র কো-অপারেটিভের নাম ব্যবহার করে কমিটি সৃষ্টি করে ওয়াসা কর্তৃপক্ষের খাজা রোডে পাম্প হাউস সহ বিভিন্ন জায়গায় অবৈধভাবে দোকান নির্মাণ করে সালামির মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা নিজের স্বার্থ তরান্বিত করা হচ্ছে। এতে ওয়াসা কর্তৃপক্ষের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবে। এটা কোন অবস্থাতে মেনে নেওয়া যায় না। এ ধরনের অপকর্ম কো-অপারেটিভের সাধারণ সদস্যরা কখনো মেনে নেবে না। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইনী ব্যবস্থা নেয়ার জন্য দাবী জানান।

প্রেসবিজ্ঞপ্তি: নাসিরাবাদস্থ দি ওয়াসা এমপ্লয়িজ কো-অপারেটিভ সোসাইটি লি. রেজি. নং ৩১৮এর কার্যালয়ে সাধারণ সদস্য মো. ইয়াকুবের সভাপতিত্বে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে সদস্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- মো. আব্দুর শুক্কুর, মো. হাসান, কাজী মো. সেকান্দর, মো. শাহ আলম, মো. সেলিম, সাইফ উদ্দিন চৌধুরী, আবুল কালাম, মো. আবু সৈয়দ, নজরুল ইসলাম, নাছির উদ্দিন প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, কতিপয় স্বার্থন্বেষী ব্যক্তি ও ভূমিদস্যুরা বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের রাজনৈতিক মহলের সহযোগিতায় ব্যানার ও ফেইসবুকের মাধ্যমে তথাকথিক কমিটি প্রকাশ করার পরিপ্রেক্ষিতে উচ্চ আদালতের রিট পিটিশন ১১৬৭৯/২১ ও জজ কোর্টে অপর মামলা ৯১/২২ তাদের বিরুদ্ধে নির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক শামীমুল কিবরিয়া ও আমির হোসেন মামলা দাখিল করেছেন। এই অবস্থাতে মামলা চলমান রয়েছে। নির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক যথারীতিভাবে অত্র কো-অপারেটিভের নির্বাচনসহ বিভিন্ন কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছে। অত্র কো-অপারেটিভের কর্মকান্ডকে বাধাগ্রস্থ করছে ঐ ভূমিদস্যুরা নিজেদের অপকর্মকে ঢেকে রাখার জন্য সমবায় দপ্তরের কিছুসংখ্যক দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার যোগসাজশে তথাকথিত কমিটি জাহির করেন।

স্বার্থন্বেষী ভূমিদস্যু তথাকথিত কমিটির বিরুদ্ধে অত্র কো-অপারেটিভ সোসাইটির সাধারণ সদস্যরা তীব্রভাবে প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, চট্টগ্রাম ওয়াসা একটি জনহিতকর প্রতিষ্ঠান। জনগণের ভূমি হুকুম দখল করে আপামর জনগণকে পানি সরবরাহ করা চট্টগ্রাম ওয়াসা কর্তৃপক্ষের একমাত্র দয়িত্ব। দোকান নির্মাণ করে সালামীর মাধ্যমে দোকান বিক্রি করা ওয়াসা কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব নয়। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের সাথে বলতে হয়, কিছু সংখ্যক ভূমিদস্যু অত্র কো-অপারেটিভের নাম ব্যবহার করে কমিটি সৃষ্টি করে ওয়াসা কর্তৃপক্ষের খাজা রোডে পাম্প হাউস সহ বিভিন্ন জায়গায় অবৈধভাবে দোকান নির্মাণ করে সালামির মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা নিজের স্বার্থ তরান্বিত করা হচ্ছে। এতে ওয়াসা কর্তৃপক্ষের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবে। এটা কোন অবস্থাতে মেনে নেওয়া যায় না। এ ধরনের অপকর্ম কো-অপারেটিভের সাধারণ সদস্যরা কখনো মেনে নেবে না। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইনী ব্যবস্থা নেয়ার জন্য দাবী জানান।