প্রেস বিজ্ঞপ্তি: চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের সাবেক অধ্যাপক, প্রতিথযশা চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এএফএম আমিনুল ইসলাম আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১টায় বন্দর নগরী চট্টগ্রামের সিএসসিআর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তিনি ৫ কন্যা, এক ছেলে, নাতী-নাতনী, ছাত্র-ছাত্রীসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
এ বিষয়ে ডা. খুরশীদ জামিল চৌধুরী বলেন, ডা. এএফএম আমিনুল ইসলাম মেডিকেল ছাত্রদের কাছে একজন কিংবদন্তীতুল্য শিক্ষক ছিলেন। দেশের মেডিকেল শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং সমসাময়িক স্বাস্থ্যসেবার আধুনিকায়নে তাঁর অবদান সর্বজনস্বীকৃত। তিনি বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি পদেও অধিষ্ঠিত ছিলেন। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন কলেজে দীর্ঘদিন অধ্যাপনার পর ৮০ দশকের মাঝামাঝি সময়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ থেকে তিনি অবসরে যান। আজ সোমবার সোমবার সকাল সাড়ে ৯টায় জমিয়াতুল ফালাহ জাতীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে মরহুমের প্রথম নামাজে জানাজা এবং বাদ জোহর মীর্জাখিল কুতুবপাড়া মসজিদে দ্বিতীয় নামাজে জানাজার পর তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে জানা গেছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি: চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের সাবেক অধ্যাপক, প্রতিথযশা চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এএফএম আমিনুল ইসলাম আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১টায় বন্দর নগরী চট্টগ্রামের সিএসসিআর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তিনি ৫ কন্যা, এক ছেলে, নাতী-নাতনী, ছাত্র-ছাত্রীসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
এ বিষয়ে ডা. খুরশীদ জামিল চৌধুরী বলেন, ডা. এএফএম আমিনুল ইসলাম মেডিকেল ছাত্রদের কাছে একজন কিংবদন্তীতুল্য শিক্ষক ছিলেন। দেশের মেডিকেল শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং সমসাময়িক স্বাস্থ্যসেবার আধুনিকায়নে তাঁর অবদান সর্বজনস্বীকৃত। তিনি বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি পদেও অধিষ্ঠিত ছিলেন। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন কলেজে দীর্ঘদিন অধ্যাপনার পর ৮০ দশকের মাঝামাঝি সময়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ থেকে তিনি অবসরে যান। আজ সোমবার সোমবার সকাল সাড়ে ৯টায় জমিয়াতুল ফালাহ জাতীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে মরহুমের প্রথম নামাজে জানাজা এবং বাদ জোহর মীর্জাখিল কুতুবপাড়া মসজিদে দ্বিতীয় নামাজে জানাজার পর তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে জানা গেছে।




