নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে পণ্য খালাসের অভিযোগে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের ৭ কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তাদের বিরুদ্ধে সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে পণ্য খালাস ও ৭২ কোটি ৮২ লাখ ৯১ হাজার ৭২৫ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়।আজ শনিবার দুপুরে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-১ এ মামলাগুলো দায়ের করা হয়।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান কার্যালয়ের বিশেষ অনুসন্ধান ও তদন্ত-১ এর উপ-পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম বাদি হয়ে মামলা ২টি করেন।

প্রথম মামলায় আসামিরা হলেন, সিএন্ডএফ এজেন্ট মেসার্স চাকলাদার সার্ভিসের মো. হাবিবুর রহমান অপু (৫৩), গ্রাহক মো. আব্দুল গোফরান, হামীম গ্রুপের কম্পিউটার অপারেটর মো. জহুরুল ইসলাম, গ্রাহক আবুল কালাম, মেসার্স জারার এন্টারপ্রাইজের স্বত্ত্বাধিকারী মাহবুবুর রহমান, কাস্টম হাউজের প্রাক্তন রাজস্ব কর্মকর্তা হাবিবুল ইসলাম, রাজস্ব কর্মকর্তা সুলতান আহম্মদ, প্রাক্তন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা সাইফুন্নাহার জনি, কম্পিউটার অপারেটর ফিরোজ আহমেদ, উচ্চমান সহকারী আব্দুল্লাহ আল মাছুম, অফিস সহায়ক সিরাজুল ইসলাম। তাদের বিরুদ্ধে ৫৬ কোটি ৬৮ লাখ ৫৩ হাজার ৯৭৫ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়।

অপর মামলায় আসামি করা হয়, মুভিং ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের মালিক আব্দুল হান্নান দেওয়ান, সিএন্ডএফ এজেন্ট মেসার্স চাকলাদার সার্ভিসের মো. হাবিবুর রহমান অপু, আব্দুল গোফরান, হামীম গ্রুপের কম্পিউটার অপারেটর জহুল ইসলাম, কাস্টম হাউসের সহকারী প্রোগ্রামার কামরুল হক, রাজস্ব কর্মকর্তা সুলতান আহম্মদ, কম্পিউটার অপারেটর ফিরোজ আহমেদ, উচ্চমান সহকারী আব্দুল্লাহ আল মাছুম, অফিস সহায়ক সিরাজুল ইসলাম, মিজানুর রহমান চাকলাদার ও মফিজুল ইসলাম লিটন।

এমামলায় অভিযুক্তরা ২টি পণ্য চালানে উচ্চ শুল্কহারযুক্ত পণ্য সিগারেট আমদানি করে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে তা খালাসপূর্বক সরকারের ১৬ কোটি ১৪ লাখ ৩৭ হাজার ৭৫০ টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে উল্লেখ করা হয়।

মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে দুদক চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়-১ এর উপ-পরিচালক নাজমুচ্ছায়াদাত বলেন, মিশনের অনুমতিক্রমে মামলা দুটি দায়ের করা হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে পণ্য খালাসের অভিযোগে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের ৭ কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তাদের বিরুদ্ধে সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে পণ্য খালাস ও ৭২ কোটি ৮২ লাখ ৯১ হাজার ৭২৫ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়।আজ শনিবার দুপুরে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-১ এ মামলাগুলো দায়ের করা হয়।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান কার্যালয়ের বিশেষ অনুসন্ধান ও তদন্ত-১ এর উপ-পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম বাদি হয়ে মামলা ২টি করেন।

প্রথম মামলায় আসামিরা হলেন, সিএন্ডএফ এজেন্ট মেসার্স চাকলাদার সার্ভিসের মো. হাবিবুর রহমান অপু (৫৩), গ্রাহক মো. আব্দুল গোফরান, হামীম গ্রুপের কম্পিউটার অপারেটর মো. জহুরুল ইসলাম, গ্রাহক আবুল কালাম, মেসার্স জারার এন্টারপ্রাইজের স্বত্ত্বাধিকারী মাহবুবুর রহমান, কাস্টম হাউজের প্রাক্তন রাজস্ব কর্মকর্তা হাবিবুল ইসলাম, রাজস্ব কর্মকর্তা সুলতান আহম্মদ, প্রাক্তন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা সাইফুন্নাহার জনি, কম্পিউটার অপারেটর ফিরোজ আহমেদ, উচ্চমান সহকারী আব্দুল্লাহ আল মাছুম, অফিস সহায়ক সিরাজুল ইসলাম। তাদের বিরুদ্ধে ৫৬ কোটি ৬৮ লাখ ৫৩ হাজার ৯৭৫ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়।

অপর মামলায় আসামি করা হয়, মুভিং ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের মালিক আব্দুল হান্নান দেওয়ান, সিএন্ডএফ এজেন্ট মেসার্স চাকলাদার সার্ভিসের মো. হাবিবুর রহমান অপু, আব্দুল গোফরান, হামীম গ্রুপের কম্পিউটার অপারেটর জহুল ইসলাম, কাস্টম হাউসের সহকারী প্রোগ্রামার কামরুল হক, রাজস্ব কর্মকর্তা সুলতান আহম্মদ, কম্পিউটার অপারেটর ফিরোজ আহমেদ, উচ্চমান সহকারী আব্দুল্লাহ আল মাছুম, অফিস সহায়ক সিরাজুল ইসলাম, মিজানুর রহমান চাকলাদার ও মফিজুল ইসলাম লিটন।

এমামলায় অভিযুক্তরা ২টি পণ্য চালানে উচ্চ শুল্কহারযুক্ত পণ্য সিগারেট আমদানি করে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে তা খালাসপূর্বক সরকারের ১৬ কোটি ১৪ লাখ ৩৭ হাজার ৭৫০ টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে উল্লেখ করা হয়।

মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে দুদক চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়-১ এর উপ-পরিচালক নাজমুচ্ছায়াদাত বলেন, মিশনের অনুমতিক্রমে মামলা দুটি দায়ের করা হয়েছে।