দি ক্রাইম, ঢাকা: দ্রব্যমূল্য কমানো ও পোশাক শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে সাভারে সমাবেশ ও র‌্যালি করেছে গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতি। ৮ মার্চ নারী দিবসকে সামনে রেখে আজ শুক্রবার বিকেলে সাভারে রানা প্লাজার সামনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির কেন্দ্রীয় সভাপ্রধান তাসলিমা আখতার, সাধারণ সম্পাদক জুলহাসনাইন বাবু, আশুলিয়া শাখার সভাপ্রধান বাবুল হোসেন, কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক প্রবীর সাহা, মিরপুরের কেন্দ্রীয় সংগঠক আরশাদুল ইসলামসহ অন্যান্য অঞ্চলের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘এই দিবস এমন এক সময় পালন করতে যাচ্ছি যখন সারা দেশের বাজারে আগুন। লাগামহীন নিত্য পণ্যের দাম এবং গ্যাস-পানির দাম বৃদ্ধির প্রস্তাবে শ্রমজীবী মানুষের জীবন বেসামাল।’

তারা বলেন, ‘চালের দাম বেড়েছে ৫-১০ টাকা, তেলের দাম এক লাফে ১২৫ থেকে ১৭০-১৮০ টাকা, পেয়াজের দাম ৩৫ থেকে ৫০-৬০ টাকা, ডিমের হালি ৪০ টাকা, সবজিও নাগালের বাইরে। মাছ-মাংসের কথা বলার অপেক্ষা রাখে না।’

‘শ্রমিক এলাকায় সস্তায় সরকারি পণ্য বিক্রি হতে দেখা যায় না’ উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, ‘এলপিজি গ্যাস, ডিজেলের দাম বৃদ্ধি এবং চুলার গ্যাস ও পানির দাম বাড়ানোরও প্রস্তাবে সাধারণ মানুষ প্রাণ বাঁচাতে হিমশিম খাচ্ছে।’

তারা বলেন, ‘নারী-পুরুষ উভয় শ্রমিকের জীবন বাঁচাতে হয় বাজারের লাগাম টেনে ধরতে হবে, নয়তো অতি দ্রুত মজুরি বৃদ্ধির জন্য মজুরি বোর্ড গঠন করতে হবে। মজুরি বোর্ড গঠন করে মজুরি মূল্যায়ন করে নতুন বর্ধিত মজুরি ঘোষণা করতে হবে। যতক্ষণ তা না হবে ততক্ষণ শ্রমিকদের মহার্ঘ্য-ভাতা দিতে হবে।’

‘১১২ বছর আগে নারী দিবস পালন শুরু হয়’ উল্লেখ করে নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘অথচ আজও বঙ্গোপসাগরের এ পারের নারী পোশাক শ্রমিকরা বাংলাদেশে মাত্র ৮ হাজার টাকা বেতনে ১০ থেকে ১৩-১৪ ঘণ্টা কাজ করতে বাধ্য হচ্ছে। বাজারের লাগামহীন অবস্থায় প্রয়োজনীয় দ্রব্য কেনার সামর্থ্য তাদের নেই। ৮ ঘণ্টা কাজ বা ন্যায্য মজুরির অভাবে ক্লান্ত ভগ্ন দশায় নারী-পুরুষ শ্রমিক অসহনীয় জীবনযাপন করছে।’

দি ক্রাইম, ঢাকা: দ্রব্যমূল্য কমানো ও পোশাক শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে সাভারে সমাবেশ ও র‌্যালি করেছে গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতি। ৮ মার্চ নারী দিবসকে সামনে রেখে আজ শুক্রবার বিকেলে সাভারে রানা প্লাজার সামনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির কেন্দ্রীয় সভাপ্রধান তাসলিমা আখতার, সাধারণ সম্পাদক জুলহাসনাইন বাবু, আশুলিয়া শাখার সভাপ্রধান বাবুল হোসেন, কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক প্রবীর সাহা, মিরপুরের কেন্দ্রীয় সংগঠক আরশাদুল ইসলামসহ অন্যান্য অঞ্চলের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘এই দিবস এমন এক সময় পালন করতে যাচ্ছি যখন সারা দেশের বাজারে আগুন। লাগামহীন নিত্য পণ্যের দাম এবং গ্যাস-পানির দাম বৃদ্ধির প্রস্তাবে শ্রমজীবী মানুষের জীবন বেসামাল।’

তারা বলেন, ‘চালের দাম বেড়েছে ৫-১০ টাকা, তেলের দাম এক লাফে ১২৫ থেকে ১৭০-১৮০ টাকা, পেয়াজের দাম ৩৫ থেকে ৫০-৬০ টাকা, ডিমের হালি ৪০ টাকা, সবজিও নাগালের বাইরে। মাছ-মাংসের কথা বলার অপেক্ষা রাখে না।’

‘শ্রমিক এলাকায় সস্তায় সরকারি পণ্য বিক্রি হতে দেখা যায় না’ উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, ‘এলপিজি গ্যাস, ডিজেলের দাম বৃদ্ধি এবং চুলার গ্যাস ও পানির দাম বাড়ানোরও প্রস্তাবে সাধারণ মানুষ প্রাণ বাঁচাতে হিমশিম খাচ্ছে।’

তারা বলেন, ‘নারী-পুরুষ উভয় শ্রমিকের জীবন বাঁচাতে হয় বাজারের লাগাম টেনে ধরতে হবে, নয়তো অতি দ্রুত মজুরি বৃদ্ধির জন্য মজুরি বোর্ড গঠন করতে হবে। মজুরি বোর্ড গঠন করে মজুরি মূল্যায়ন করে নতুন বর্ধিত মজুরি ঘোষণা করতে হবে। যতক্ষণ তা না হবে ততক্ষণ শ্রমিকদের মহার্ঘ্য-ভাতা দিতে হবে।’

‘১১২ বছর আগে নারী দিবস পালন শুরু হয়’ উল্লেখ করে নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘অথচ আজও বঙ্গোপসাগরের এ পারের নারী পোশাক শ্রমিকরা বাংলাদেশে মাত্র ৮ হাজার টাকা বেতনে ১০ থেকে ১৩-১৪ ঘণ্টা কাজ করতে বাধ্য হচ্ছে। বাজারের লাগামহীন অবস্থায় প্রয়োজনীয় দ্রব্য কেনার সামর্থ্য তাদের নেই। ৮ ঘণ্টা কাজ বা ন্যায্য মজুরির অভাবে ক্লান্ত ভগ্ন দশায় নারী-পুরুষ শ্রমিক অসহনীয় জীবনযাপন করছে।’