নুরুল ইসলাম (নিজস্ব প্রতিনিধি) : প্রখ্যাত আলেমেধীন হযরত আলহাজ্ব শাহ্ধসঢ়; মাওলানা হাফেজ আহামদ (রাহ: আ:) কর্তৃক প্রবর্তিত সীরতুন্নবী (স:) মাহ্ধসঢ়;ফিল বিশ্বব্যাপী সুন্নতের প্রচার, প্রসার ও প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জাগরণ মুখর একটি সু-মহান কার্যকরী পদক্ষেপ। বিগত বছর গুলোর ন্যায় চলতি সনেও ১৯দিন ব্যাপী এ মাহফিল শুরু হবে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর। উদ্বোধন করা হবে এদিনের জোহর নামাজের পর চুনতির বিশাল সীরত ময়দানে। এ মাহ্ধসঢ়;ফিলের প্রস্তুতির কাজ ইতোমধ্যে শেষের দিকে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে এবারের মাহ্ধসঢ়;ফিলের বাজেট নির্ধারণ করা হয়েছে ৫কোটি ২৬লাখ ১০হাজার টাকা। ১৯৭২ইং শনে ঐতিহাসিক এই মাহফিলের গোড়াপত্তন করেন হযরত আলহাজ্ব শাহ্ মাওলানা হাফেজ আহমদ (রাহ: আ:) শাহ্ সাহেব কেবলা চুনতি। তখন থেকে প্রতি হিজরি সনের ১১ রবিউল আউয়াল শুরু হয় সীরতুন্নবী (স:) মাহফিল। এ মাহফিলের সুষ্ঠ ব্যবস্থাপনার জন্য শাহ্সাহেব কেবলা গড়ে গেছেন ১৩একর আয়তনের এক বিশাল সীরত ময়দান। এ ময়দানে পশ্চিম প্রান্তে তাঁর অভিপ্রায় অনুযায়ী নির্মিত হয়েছে সুরম্য এক জামে মসজিদ, ‘মসজিদে বায়তুল্লাহ। হযরত শাহ সাহেক কেবলা (রাহ: আ:) ১৯৮৩নং সনের ২৯ নভেম্বর দিবাগত রাতে উনার রবের সান্নিধ্যে চলে যান (ইন্না লিল্লাহি…..রাজেউন)। মসজিদে বায়তুল্লার দক্ষিণ পার্শ্বে তিনি চিরনিদ্রায় সায়িত থেকে, প্রত্যক্ষ করছেন উনার প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান সমূহ।
ঐতিহাসিক মাহফিলে সীরতুন্নবী (স:) এর প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব শাহ্ধসঢ়; মাওলানা হাফেজ আহমদ (রাহ: আ:) দক্ষিণ চট্টগ্রামের ইতিহাস প্রসিদ্ধ বুজুর্গানে দ্বীনের আবাস ভূমি চুনতি গ্রামে ১৯০৭সনে এক মুসলিম সম্ভ্রান্ত জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম আলহাজ্ব সৈয়দ আহমদ (রাহ:)। শিক্ষা জীবনের পর একবার আকিয়াবে তাঁদের জমিদারি দেখার জন্য গিয়েছিলেন শাহ্ধসঢ়; সাহেব কেবলা। সেখান থেকে বর্তমান মায়ানমারের বাম্মু শহরে বেড়াতে যান। ওখানকার জনগন তাঁর এলেম ও আমলে মুগ্ধ হয়ে তাঁকে কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিবের দায়িত্ব অর্পন করেন। কর্মজীবনে শরীয়তের ইলম, নামাজ, রোজা ইত্যাদির সঙ্গে বাতেনী ইবাদতও আবশ্যক মনে করেন। কাজ করতে করতে এক সময়ে সত্যের সন্ধানে লোকালয় ত্যাগ করে ৩৭বছর আল্লাহ্ধসঢ়;র যিকির ও রসূল (সা.) এর প্রশংসা করে ঘুরে বেড়াতেন পাহাড়ে-অরণ্যে, গ্রামে-গঞ্জে, শহরে-বন্দরে এবং গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে। তখন তিনি সর্বদা পড়ে চলতেন হাম মাজারে মুহাম্মদ (সা.) পে মর জায়েঙ্গে, জিন্দেগি মে য়াহি কাম কর জায়েঙ্গে।




