ঢাকা ব্যুরো: কারিগরি বোর্ডের পাঁচ হাজার জাল সনদ চিহ্নিত করা হচ্ছে। এসব সনদ যারা নিয়েছেন সেগুলো বাতিল করা হবে বলে জানিয়েছে বোর্ড। চলতি মাসের মাঝামাঝিতে কারিগরি বোর্ডে হতে পারে ব্যাপক রদবদল। এমনই আভাস দিয়েছে শিক্ষামন্ত্রণালয়।

কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট একেএম শামসুজ্জামান পাঁচ হাজার মানুষকে জালসনদ দিয়েছেন। বোর্ডের আসল সার্টিফিকেট এবং মার্কশিটের খালি কপি চুরি করে এসব সার্টিফিকেট তৈরি করতেন তিনি। শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইটেও এসব সার্টিফিকেটের তথ্য দেওয়া হয়। এই চক্রের মূলহোতা শামসুজ্জামানকে সম্প্রতি আটক করে পুলিশ।

শিক্ষকেরা বলছেন, এই ঘটনায় যেসব শিক্ষার্থী কারিগরি বোর্ডের অধীনে বিভিন্ন কোর্সে পাস করে গেছেন তাদের পড়তে হচ্ছে বিব্রতকর অবস্থায়। তাই দ্রুত জাল সনদধারীদের চিহ্নিত করা হোক।

বাংলাদেশ পলিটেকনিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জি এম আকতার হোসেন বলেন, মধ্যপ্রাচ্যসহ অন্যান্য বিভিন্ন দেশে এসব সনদগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা গিয়ে কাজ করছেন। কিন্তু তাদের কাজের দক্ষতা নিয়ে সন্দিহান এ দেশগুলোতেও সনদ নিয়ে ওঠে প্রশ্ন। ফলে যারা ভালোভাবে লেখাপড়া শেষ করে কারিগরি বোর্ডের সনদ নিয়ে এসব দেশে যাবে, তাদের জন্য একটা সমস্যার সৃষ্টি হবে। বিশ্বাসের জায়গা থেকে নানা জটিলতায় পড়ার শঙ্কা রয়েছে তাদের নিয়ে।

শিক্ষা বোর্ড বলছে, সনদের সফটওয়্যারের পাসওয়ার্ডসহ যাবতীয় ডকুমেন্টস ছিল একেএম শামসুজ্জামানের কাছে। সেই সফটওয়্যারটি উদ্ধার করা হয়েছে। এখন শুরু হবে সনদগুলো চিহ্নিত করার কাজ।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন উল হক বলেন, ‘আমাদের সনদ চিহ্নিতকরণের কাজ শুধু পাঁচ হাজারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। আরও বড় পরিসরে এ কর্মসূচি চলবে।’ এসএসসির ফল প্রকাশের পর কারিগরি বোর্ডের বেশিরভাগ পদে রদবদল আনা হবে বলে জানিয়েছে শিক্ষামন্ত্রণালয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘কারিগরি বোর্ডের একজন বড় জালিয়াতকে আমরা চিহ্নিত করতে পেরেছি। এই জাল সনদ বের করার কাজের সঙ্গে বোর্ডের অনেক কর্মকর্তা, কর্মচারী জড়িত আছে। পুলিশের নিকট থেকে সঠিক তথ্য পাওয়ার পর অবশ্যই আমরা তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করব।’

ঢাকা ব্যুরো: কারিগরি বোর্ডের পাঁচ হাজার জাল সনদ চিহ্নিত করা হচ্ছে। এসব সনদ যারা নিয়েছেন সেগুলো বাতিল করা হবে বলে জানিয়েছে বোর্ড। চলতি মাসের মাঝামাঝিতে কারিগরি বোর্ডে হতে পারে ব্যাপক রদবদল। এমনই আভাস দিয়েছে শিক্ষামন্ত্রণালয়।

কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট একেএম শামসুজ্জামান পাঁচ হাজার মানুষকে জালসনদ দিয়েছেন। বোর্ডের আসল সার্টিফিকেট এবং মার্কশিটের খালি কপি চুরি করে এসব সার্টিফিকেট তৈরি করতেন তিনি। শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইটেও এসব সার্টিফিকেটের তথ্য দেওয়া হয়। এই চক্রের মূলহোতা শামসুজ্জামানকে সম্প্রতি আটক করে পুলিশ।

শিক্ষকেরা বলছেন, এই ঘটনায় যেসব শিক্ষার্থী কারিগরি বোর্ডের অধীনে বিভিন্ন কোর্সে পাস করে গেছেন তাদের পড়তে হচ্ছে বিব্রতকর অবস্থায়। তাই দ্রুত জাল সনদধারীদের চিহ্নিত করা হোক।

বাংলাদেশ পলিটেকনিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জি এম আকতার হোসেন বলেন, মধ্যপ্রাচ্যসহ অন্যান্য বিভিন্ন দেশে এসব সনদগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা গিয়ে কাজ করছেন। কিন্তু তাদের কাজের দক্ষতা নিয়ে সন্দিহান এ দেশগুলোতেও সনদ নিয়ে ওঠে প্রশ্ন। ফলে যারা ভালোভাবে লেখাপড়া শেষ করে কারিগরি বোর্ডের সনদ নিয়ে এসব দেশে যাবে, তাদের জন্য একটা সমস্যার সৃষ্টি হবে। বিশ্বাসের জায়গা থেকে নানা জটিলতায় পড়ার শঙ্কা রয়েছে তাদের নিয়ে।

শিক্ষা বোর্ড বলছে, সনদের সফটওয়্যারের পাসওয়ার্ডসহ যাবতীয় ডকুমেন্টস ছিল একেএম শামসুজ্জামানের কাছে। সেই সফটওয়্যারটি উদ্ধার করা হয়েছে। এখন শুরু হবে সনদগুলো চিহ্নিত করার কাজ।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন উল হক বলেন, ‘আমাদের সনদ চিহ্নিতকরণের কাজ শুধু পাঁচ হাজারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। আরও বড় পরিসরে এ কর্মসূচি চলবে।’ এসএসসির ফল প্রকাশের পর কারিগরি বোর্ডের বেশিরভাগ পদে রদবদল আনা হবে বলে জানিয়েছে শিক্ষামন্ত্রণালয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘কারিগরি বোর্ডের একজন বড় জালিয়াতকে আমরা চিহ্নিত করতে পেরেছি। এই জাল সনদ বের করার কাজের সঙ্গে বোর্ডের অনেক কর্মকর্তা, কর্মচারী জড়িত আছে। পুলিশের নিকট থেকে সঠিক তথ্য পাওয়ার পর অবশ্যই আমরা তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করব।’