উত্তরা প্রতিনিধিঃ ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এর অন্তর্ভুক্ত তুরাগ থানার দীর্ঘদিনের অবহেলিত জনগোষ্ঠীর একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল ৫২ নং ওয়ার্ড। আহালিয়া, তাফালিয়া, উলুদাহ ষোলাহাটি, বাউনিয়া ও বৃন্দাবনের বিস্তৃতি এলাকা জুড়ে নানাবিধ সমস্যায় জর্জড়িত এলাকাবাসি। উত্তরার সাধারণ মানুষের দাবি আদায়ে গণতান্ত্রিক লড়াইয়ে তৃনমূল প্রহরী বিএনপি নেতা সিদ্দিক বিএনপির যুগপৎ আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন। সংগত কারণেই জেল জুলুম ও বারংবার কারা নির্যাতিত ও পরিক্ষিত সৈনিক হিসাবে নগরবাসী তাকে দায়িত্ব দিতে চান।

বিগত দিনে সিটি কর্পোরেশন এর বিভিন্ন কাউন্সিলর এলাকার জন্য কাজ করলেও কাঙ্খিত সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌছেনি। এলাকাবাসীর দাবি বিভিন্ন সময় নেতারা তাদের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট নিয়ে হারিয়ে যায়, খোঁজ রাখেনা এলাকার জন-জীবনে মানুষের জীবন যাত্রার মানের। তাই পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তারা আর বিগত দিনের ন্যায় ভোগান্তিতে পড়তে চায় না।

এলাকার যোগ্য সৎ এবং পরিচিত লোককে প্রতিনিধি হিসেবে আগামী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চান নগরবাসী। সেই ক্ষেত্রে বিএনপি’র নেতা সিদ্দিক জনবান্ধব নেতার নাম উঠে এসেছে এলাকাবাসীর মাঝে।

ওয়ার্ডটির পুরো অঞ্চল জুড়ে দেখা গেছে, খনাখন্দ ভাঙ্গাচোড়া রাস্তার বেহাল দশা, নাই নগর সুবিধা নিশ্চিত করণে ড্রেনেস ব্যবস্থা সহ নানা অনিয়ম আর নিরাপত্তা জনিত সমস্যা।

আগামী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে অত্র এলাকার কাউন্সিলর প্রার্থী এ বি সিদ্দিক দি ক্রাইমকে বলেন, আপনাদের পর্যবেক্ষণ যথার্থই ঠিক, এই ৫২ নং ওয়ার্ডটি তুরাগ থানার গুরুত্বপূর্ণ একটি অঞ্চল হলেও দীর্ঘদিনের অবহেলিত জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান এখানে নানাবিধ কারণে থমকে গেছে। অঞ্চলটি অপার সম্ভাবনীয় অঞ্চল হলেও এই অঞ্চলে খনাখন্দ ও ভাঙ্গাচোড়া রাস্তা যা, যোগাযোগের অনুপযোগী।

তিনি আরো বলেন,ড্রেনেজ ব্যবস্থার সমস্যার কারণে ভোগান্তির শেষ নেই, রাতে নিরাপত্তা হীনতা এবং এলাকার মহিলা জনগোষ্ঠীর সমস্যায় প্রতিটি পয়েন্টে নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিতকরণের সিটি কর্পোরেশন থেকে বৈদ্যুতিক বাল্বের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। এছাড়াও রাস্তায় পর্যাপ্ত ল্যাম্পপোস্টও নেই, এহেন সমস্যা অঞ্চলটির কৈশোর বৃদ্ধ এবং সকল স্থরের জীবন জীবিকার মানুষের জন্য বিশুদ্ধ পানিও একান্ত প্রয়োজন। সঙ্গত কারণেই এই সমস্যাগুলোর সমাধানের লক্ষ্যে আমি দীর্ঘদিন থেকে পরিকল্পনা করে আসছি যা, বাস্তবায়নের জন্য একটি উপযুক্ত চেয়ার প্রয়োজন। তাই আমি অত্র অঞ্চলের কাউন্সিলর প্রার্থী। আমি নির্বাচিত হলে অঞ্চলটির জন্য নগর সুবিধা নিশ্চিতকরণে এসব কাজ করবো ইনশাআল্লাহ।

আবু বক্কর সিদ্দিক কেমন লোক এ সম্পর্কে এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, সিটি কর্পোরেশনের এক্সিকিউটিভ অফিসার, ওয়াসার ইঞ্জিনিয়র, জনপ্রশাসন সহ বিভিন্ন সূচকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের সাথে সমন্বয় করে এলাকার উন্নয়ন করার মত যোগ্য একটি নেতৃত্ব দানের অধিকারী তিনি।

জানা গেছে, তিনি সামাজিক ভাবে এলাকার বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জড়িত রয়েছে।

উত্তরা প্রতিনিধিঃ ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এর অন্তর্ভুক্ত তুরাগ থানার দীর্ঘদিনের অবহেলিত জনগোষ্ঠীর একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল ৫২ নং ওয়ার্ড। আহালিয়া, তাফালিয়া, উলুদাহ ষোলাহাটি, বাউনিয়া ও বৃন্দাবনের বিস্তৃতি এলাকা জুড়ে নানাবিধ সমস্যায় জর্জড়িত এলাকাবাসি। উত্তরার সাধারণ মানুষের দাবি আদায়ে গণতান্ত্রিক লড়াইয়ে তৃনমূল প্রহরী বিএনপি নেতা সিদ্দিক বিএনপির যুগপৎ আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন। সংগত কারণেই জেল জুলুম ও বারংবার কারা নির্যাতিত ও পরিক্ষিত সৈনিক হিসাবে নগরবাসী তাকে দায়িত্ব দিতে চান।

বিগত দিনে সিটি কর্পোরেশন এর বিভিন্ন কাউন্সিলর এলাকার জন্য কাজ করলেও কাঙ্খিত সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌছেনি। এলাকাবাসীর দাবি বিভিন্ন সময় নেতারা তাদের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট নিয়ে হারিয়ে যায়, খোঁজ রাখেনা এলাকার জন-জীবনে মানুষের জীবন যাত্রার মানের। তাই পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তারা আর বিগত দিনের ন্যায় ভোগান্তিতে পড়তে চায় না।

এলাকার যোগ্য সৎ এবং পরিচিত লোককে প্রতিনিধি হিসেবে আগামী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চান নগরবাসী। সেই ক্ষেত্রে বিএনপি’র নেতা সিদ্দিক জনবান্ধব নেতার নাম উঠে এসেছে এলাকাবাসীর মাঝে।

ওয়ার্ডটির পুরো অঞ্চল জুড়ে দেখা গেছে, খনাখন্দ ভাঙ্গাচোড়া রাস্তার বেহাল দশা, নাই নগর সুবিধা নিশ্চিত করণে ড্রেনেস ব্যবস্থা সহ নানা অনিয়ম আর নিরাপত্তা জনিত সমস্যা।

আগামী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে অত্র এলাকার কাউন্সিলর প্রার্থী এ বি সিদ্দিক দি ক্রাইমকে বলেন, আপনাদের পর্যবেক্ষণ যথার্থই ঠিক, এই ৫২ নং ওয়ার্ডটি তুরাগ থানার গুরুত্বপূর্ণ একটি অঞ্চল হলেও দীর্ঘদিনের অবহেলিত জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান এখানে নানাবিধ কারণে থমকে গেছে। অঞ্চলটি অপার সম্ভাবনীয় অঞ্চল হলেও এই অঞ্চলে খনাখন্দ ও ভাঙ্গাচোড়া রাস্তা যা, যোগাযোগের অনুপযোগী।

তিনি আরো বলেন,ড্রেনেজ ব্যবস্থার সমস্যার কারণে ভোগান্তির শেষ নেই, রাতে নিরাপত্তা হীনতা এবং এলাকার মহিলা জনগোষ্ঠীর সমস্যায় প্রতিটি পয়েন্টে নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিতকরণের সিটি কর্পোরেশন থেকে বৈদ্যুতিক বাল্বের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। এছাড়াও রাস্তায় পর্যাপ্ত ল্যাম্পপোস্টও নেই, এহেন সমস্যা অঞ্চলটির কৈশোর বৃদ্ধ এবং সকল স্থরের জীবন জীবিকার মানুষের জন্য বিশুদ্ধ পানিও একান্ত প্রয়োজন। সঙ্গত কারণেই এই সমস্যাগুলোর সমাধানের লক্ষ্যে আমি দীর্ঘদিন থেকে পরিকল্পনা করে আসছি যা, বাস্তবায়নের জন্য একটি উপযুক্ত চেয়ার প্রয়োজন। তাই আমি অত্র অঞ্চলের কাউন্সিলর প্রার্থী। আমি নির্বাচিত হলে অঞ্চলটির জন্য নগর সুবিধা নিশ্চিতকরণে এসব কাজ করবো ইনশাআল্লাহ।

আবু বক্কর সিদ্দিক কেমন লোক এ সম্পর্কে এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, সিটি কর্পোরেশনের এক্সিকিউটিভ অফিসার, ওয়াসার ইঞ্জিনিয়র, জনপ্রশাসন সহ বিভিন্ন সূচকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের সাথে সমন্বয় করে এলাকার উন্নয়ন করার মত যোগ্য একটি নেতৃত্ব দানের অধিকারী তিনি।

জানা গেছে, তিনি সামাজিক ভাবে এলাকার বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জড়িত রয়েছে।