ইজাজুল,উত্তরা প্রতিনিধি: রাজধানীর উত্তর সিটি কর্পোরেশন এর আওতাভুক্ত অঞ্চল ৬ দিয়াবাড়ি পশুর হাটে নানাবিধ অনিয়ম এর অভিযোগ উঠেছে। পশুর হাট ইজারা সংক্রান্ত বাজিমাত টেন্ডারবাজি ইস্যুতে চমক দেখিয়ে সেচ্ছাসেবক দলের নেতা আহমেদ ফরিদ। কর্পোরেশনটি অস্থায়ী পশুর হাট ইজারা ২০২৬ এর সিডিউইল সংক্রান্ত একাধিক প্রতিষ্ঠানের অভিযোগ উপেক্ষা করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নানা নাটকিয়তার মাঝে নগরটির উত্তর মহানগর এর সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ফরিদ এর এস এফ নামক প্রতিষ্টান এর হাতে তুলেদেন।

লোক দেখানো নিয়ম কানুন পরে শেষ করেই নানা অনিয়ম ও অব্যাবস্থাপনার মধ্য দিয়ে সময়সীমা ও বিধি লঙ্ঘন করে গত শুক্রবার ১৭ মে থেকেই হাট বসিয়েছে। যা ২৪ তারিখ হতে আরম্ভ করে ৫ দিন চলমান থাকার কথা। সিটি কর্পোরেশন নগর সুবিধা নিশ্চিত করণে পশুর হাটে স্বাস্থ্য সম্মত পরিবেশে বজায় রাখতে নির্দেশ দিলেও দিয়াবাড়ি পশুর হাটে স্বাস্থ্য সম্মত পরিবেশের কোন বালাই দেখা যাচ্ছে না।

হাটে আগত পরিবারের নারী ও ছোট বাচ্চাদের সুরক্ষা নিশ্চিতে গুরুত্বও দেয়া হয়নি।এছাড়া মা বোনদের জন্য হাটে পিংক টয়লেট বসাতে ইজারাদারকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যা নাম মাত্র থাকলেও হাইজিং বলা যাবে না। সিটি কর্পোরেশন হাট এলাকায় যেন পানি জমে না থাকে সে ব্যবস্থা করতেও ইজারাদারদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যা দিয়াবাড়ি পশুর হাটটিতে পর্যাপ্ত না বলে অভিযোগ তুলছে অনেক ক্রেতা ও ভুক্তভোগী পরিবার।

পশুর হাটে আগত কাজী আবুল বাসার বলেন,গরুর হাট মানেই মল মূত্র দূর্গন্ধ, সংগত কারণেই তো সিটি সুরক্ষা ও নগর সুবিধা নিশ্চিত করতে কর্পোরেশন এর সুনির্দিষ্ঠ নীতি মালা আছে। তবে যখন যে দল ক্ষমতায় আসে সে দলের নেতারা কর্মকর্তাদের “নাকে নাফা ” লাগিয়ে হাট পরিচালনা করছে।এছাড়াও টেন্ডারে অস্থায়ী পশুর হাটটির ১৬ ও ১৮ নং সেক্টরে উল্লেখ থাকলেও ১৬ নং সেক্টরটি আবাসিক বিবেচনা ১৮ নং সেক্টর এর হাটটি বসতে দেখা যায়। ১৮ নং সেক্টরটি সিটি কর্পোরেশনে তিনটি ব্লক করা হয়েছে।

ব্লক এ (Block A): রাজউক প্রজেক্টের উত্তরাংশের দিকে এবং মেট্রো রেল স্টেশনের কাছাকাছি অবস্থিত। এখানে ১,৫১১ বর্গফুটের ফ্ল্যাট রয়েছে। ব্লক বি (Block c) রাজউক প্রজেক্টের মাঝখানের অংশে অবস্থিত, যেখানে ১,৩১১ বর্গফুটের ফ্ল্যাট রয়েছে। ব্লক সি (Block C) রাজউক এর তৃতীয় শ্রেনীর প্রকল্পের দক্ষিণের অংশে অবস্থিত, যেখানে ১,১১১ বর্গফুটের ফ্ল্যাট। যা আরও আয়তন পেত ইজারাদার। সেই ক্ষেত্রে ইজারাদার একটা বিরাট আয়তন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সঙ্গত কারণেই সিটি করপোরেশন এর অব্যবস্থাপনা ও ইজারাদারের স্বল্প জায়গায় বেশি পশুর আমদানি জমাতে রাস্তা বা পারিপার্শ্বিক পরিবেশ বজায় রাখতে পারছেনা।

হাট পরিচালনা কমিটি এহেন অভিযোগ মানতে নারাজ। দিয়াবাড়ি পশুর হাট ব্যবস্থার অপর্যাপ্ত ব্যাবস্থাপনা ও সময় সীমা লঙ্ঘন বিষয়ে অঞ্চল ৬ এর নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যবস্থা নেয়ার কথা জনালেও তা দৃশ্যমান হচ্ছে না।

ইজাজুল,উত্তরা প্রতিনিধি: রাজধানীর উত্তর সিটি কর্পোরেশন এর আওতাভুক্ত অঞ্চল ৬ দিয়াবাড়ি পশুর হাটে নানাবিধ অনিয়ম এর অভিযোগ উঠেছে। পশুর হাট ইজারা সংক্রান্ত বাজিমাত টেন্ডারবাজি ইস্যুতে চমক দেখিয়ে সেচ্ছাসেবক দলের নেতা আহমেদ ফরিদ। কর্পোরেশনটি অস্থায়ী পশুর হাট ইজারা ২০২৬ এর সিডিউইল সংক্রান্ত একাধিক প্রতিষ্ঠানের অভিযোগ উপেক্ষা করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নানা নাটকিয়তার মাঝে নগরটির উত্তর মহানগর এর সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ফরিদ এর এস এফ নামক প্রতিষ্টান এর হাতে তুলেদেন।

লোক দেখানো নিয়ম কানুন পরে শেষ করেই নানা অনিয়ম ও অব্যাবস্থাপনার মধ্য দিয়ে সময়সীমা ও বিধি লঙ্ঘন করে গত শুক্রবার ১৭ মে থেকেই হাট বসিয়েছে। যা ২৪ তারিখ হতে আরম্ভ করে ৫ দিন চলমান থাকার কথা। সিটি কর্পোরেশন নগর সুবিধা নিশ্চিত করণে পশুর হাটে স্বাস্থ্য সম্মত পরিবেশে বজায় রাখতে নির্দেশ দিলেও দিয়াবাড়ি পশুর হাটে স্বাস্থ্য সম্মত পরিবেশের কোন বালাই দেখা যাচ্ছে না।

হাটে আগত পরিবারের নারী ও ছোট বাচ্চাদের সুরক্ষা নিশ্চিতে গুরুত্বও দেয়া হয়নি।এছাড়া মা বোনদের জন্য হাটে পিংক টয়লেট বসাতে ইজারাদারকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যা নাম মাত্র থাকলেও হাইজিং বলা যাবে না। সিটি কর্পোরেশন হাট এলাকায় যেন পানি জমে না থাকে সে ব্যবস্থা করতেও ইজারাদারদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যা দিয়াবাড়ি পশুর হাটটিতে পর্যাপ্ত না বলে অভিযোগ তুলছে অনেক ক্রেতা ও ভুক্তভোগী পরিবার।

পশুর হাটে আগত কাজী আবুল বাসার বলেন,গরুর হাট মানেই মল মূত্র দূর্গন্ধ, সংগত কারণেই তো সিটি সুরক্ষা ও নগর সুবিধা নিশ্চিত করতে কর্পোরেশন এর সুনির্দিষ্ঠ নীতি মালা আছে। তবে যখন যে দল ক্ষমতায় আসে সে দলের নেতারা কর্মকর্তাদের “নাকে নাফা ” লাগিয়ে হাট পরিচালনা করছে।এছাড়াও টেন্ডারে অস্থায়ী পশুর হাটটির ১৬ ও ১৮ নং সেক্টরে উল্লেখ থাকলেও ১৬ নং সেক্টরটি আবাসিক বিবেচনা ১৮ নং সেক্টর এর হাটটি বসতে দেখা যায়। ১৮ নং সেক্টরটি সিটি কর্পোরেশনে তিনটি ব্লক করা হয়েছে।

ব্লক এ (Block A): রাজউক প্রজেক্টের উত্তরাংশের দিকে এবং মেট্রো রেল স্টেশনের কাছাকাছি অবস্থিত। এখানে ১,৫১১ বর্গফুটের ফ্ল্যাট রয়েছে। ব্লক বি (Block c) রাজউক প্রজেক্টের মাঝখানের অংশে অবস্থিত, যেখানে ১,৩১১ বর্গফুটের ফ্ল্যাট রয়েছে। ব্লক সি (Block C) রাজউক এর তৃতীয় শ্রেনীর প্রকল্পের দক্ষিণের অংশে অবস্থিত, যেখানে ১,১১১ বর্গফুটের ফ্ল্যাট। যা আরও আয়তন পেত ইজারাদার। সেই ক্ষেত্রে ইজারাদার একটা বিরাট আয়তন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সঙ্গত কারণেই সিটি করপোরেশন এর অব্যবস্থাপনা ও ইজারাদারের স্বল্প জায়গায় বেশি পশুর আমদানি জমাতে রাস্তা বা পারিপার্শ্বিক পরিবেশ বজায় রাখতে পারছেনা।

হাট পরিচালনা কমিটি এহেন অভিযোগ মানতে নারাজ। দিয়াবাড়ি পশুর হাট ব্যবস্থার অপর্যাপ্ত ব্যাবস্থাপনা ও সময় সীমা লঙ্ঘন বিষয়ে অঞ্চল ৬ এর নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যবস্থা নেয়ার কথা জনালেও তা দৃশ্যমান হচ্ছে না।