খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার গুইমারা উপজেলায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন কাউখালিতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান-পথসভা, নান্যাচরে এলাকাবাসীর সমাবেশ, পাহাড় কেটে নান্যাচর-লংগদু সড়ক নির্মাণ বন্ধের দাবি করেছে। “বন-জঙ্গল ধ্বংস নয়, আসুন প্রাকৃতিক বনাঞ্চল, প্রকৃতি ও পরিবেশ করি” শ্লোগানে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে গুইমারায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

আজ শুক্রবার(০৫ জুন) ‘পরিবেশ রক্ষার্থে সচেতন গুইমারা এলাকাবাসী’-এর ব্যানারে আযোজিত এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে এলাকা জনসাধারণ স্বতঃস্ফুর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে উপস্থিত ছিলেন- গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক বরুণ চাকমা ও সদস্য সুইচিং মারমা।

গুইমারার হাজাছড়া মুখ থেকে পিলাক খালের পাড় পর্যন্ত প্রায় ২০০টি গর্জন গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকার কার্বারি। এলাকাবাসী এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, বন-জঙ্গল উজাড় হওয়ার কারণে পরিবেশের ওপর খারাপ প্রভাব পড়ায় প্রত্যন্ত অঞ্চল গুলোতে প্রতি বছর শুস্ক মৌসুমে পানি সংকট দেখা দেয়। তাই বন ও বনের গাছ-পালা রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব।

এদিকে “আসুন, আমাদের গ্রহকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করি” শ্লোগানে ‘বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে প্লাস্টিক-পলিথিন বর্জ্য পরিষ্কার- পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও জনসচেতনতামূলক পথসভা করেছে ‘পরিবেশ রক্ষার্থে কাউখালীর সচেতন ছাত্র যুব সমাজ।’

শুক্রবার(০৫জুন) সকাল ৯টায় ঘাগড়া ইউনিয়নের তালুকদার পাড়া দোকান থেকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও পথসভা শুরু করে ডেবাছড়ি দোকানে গিয়ে শেষ হয়। এতে বিভিন্ন গ্রাম থেকে শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী,যুবক-যুবতী স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। তারা দোকান, বাড়ির আশেপাশে যত্রতত্র পড়ে থাকা প্লাস্টিক-পলিথিন বর্জ্য কুড়িয়ে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ধ্বংস করেন। পথসভায় সচেতনামূলক বক্তব্য রাখেন কলেজ শিক্ষার্থী রিপা চাকমা ও যুব প্রতিনিধি সোহেল চাকমা।

বক্তব্যে তারা বলেন, সুস্থ ও সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার জন্য আমাদের চার পাশের পরিবেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা খ্ধুসঢ়;বই জরুরি। পরিবেশকে ঠিক রাখার জন্য আমাদের যেমন সচেতন থাকতে হবে তেমনি অন্যকেও সচেতন করতে হবে। আমাদের চারপাশের পরিবেশকে ঠিক রাখার জন্য ফসলি জমিতে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর অনুমোদনহীন কীটনাশক, রাসায়নিক সার ব্যবহার কমিয়ে আনতে হবে। পরিবেশ ক্ষতিকারক বিদেশী প্রজাতির গাছ রোপন করা থেকে বিরত থাকতে হবে। পাশাপাশি প্লাস্টিক-পলিথিন ব্যবহারের পর নির্দিষ্ট স্থানে পুড়িয়ে ফেলা এবং দোকান, বাড়ির চার পাশে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা দরকার।

বক্তারা পরিবেশ রক্ষার জন্য নিজে সচেতন হওয়া ও অন্যকে এ বিষয়ে সচেতন করার জন্য আহ্বান জানান।

অন্যদিকে ‘বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে রাঙামাটির নান্যাচরে সমাবেশ করেছে এলাকাবাসী।

শুক্রবার(০৫ জুন) বেলা ২টার সময় নান্যাচর উপজেলার বড়পুল পাড়া এলাকায় এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।পাথর উত্তোলন-পাহাড় কেটে বিপদ ডেকে আনবেন না, ব্যক্তি মুনাফার লোভে পরিবেশ ধ্বংসকারীদের প্রতিরোধ করুন” এই শ্লোগানে আয়োজিত সমাবেশে ২নং সাবেক্ষং ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য জীবন চাকমার সভাপতিত্বে ও এলাকার মুরুব্বি করুন চাকমার সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন ১নং সাবেক্ষং ইউনিয়নের ইউপি সদস্য ভুবন জয় চাকমা।

বক্তারা পরিবেশের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, আমরা প্রয়োজনের তাগিদে বাজার থেকে জিনিসপত্র নিয়ে আসার জন্য পলিথিন ব্যবহার করে থাকি। আর সেই পলিথিন ব্যবহারের পর যত্রতত্র ফেলে দিয়ে পরিবেশের ক্ষতি করি। এ বিষয়ে আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। প্লাস্টিক- পলিথিন, অনুমোদনহীন ক্ষতিকর রাসায়নিক সার- কীটনাশক ব্যবহার কমিয়ে আনতে হবে। পলিথিন-প্লাস্টিক ব্যবহারের পর নিদিষ্ট স্থানে পুড়িয়ে ফেলতে হবে।

তারা আরো বলেন, আগের দিনে পার্বত্য চট্টগ্রামে অনেক বড় বড় গাছ, বন্য প্রাণী ছিল। কিন্তু বর্তমানে বন-জঙ্গল, গাছপালা উজাড় হয়ে যাওয়ায় অনেক বন্যপ্রাণীর বিলুপ্তি ঘটেছে এবং যা রয়েছে সেগুলোও বিলুপ্তির পথে রয়েছে।

বক্তারা প্রাকৃতি-পরিবেশ সুরক্ষার জন্য পাথর উত্তোলন ও পাহাড় কাটা বন্ধ করা, বিদেশী প্রজাতির গাছ সেগুন, রাবার ইত্যাদি রোপণ না করে পরিবেশের উপযোগী গাছ, বাঁশ রোপণ করে বন সৃষ্টি করার আহ্বান জানান।

বক্তারা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, জনগণের আপত্তি সত্ত্বেও অবাধে পাহাড়-বন ও গাছপালা কেটে নান্যাচর-লংগদু সংযোগ সড়ক নির্মাণ কাজ চলমান রাখা হয়েছে। এভাবে সড়কটি নির্মাণ করা হলে পরিবেশের ওপর খুবই খারাপ প্রভাব পড়বে। এতে এলাকার মানুষকে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হবে। কিন্তু কিছু মুনাফালোভী গোষ্ঠী পাহাড়িদের ক্ষতিসাধনের জন্য সড়ক নির্মাণের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে, যা খুবই উদ্বেগজনক।

সমাবেশ থেকে বক্তারা ব্যক্তিগত মুনাফার লোভে পরিবেশ ধ্বংসকারীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। তারা পরিবেশ ও প্রাণ-প্রকৃতি সুরক্ষায় অবিলম্বে নান্যাচর হতে লংগদু সংযোগ সড়ক নির্মাণ প্র্রকল্পে বন্ধের জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানান।

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার গুইমারা উপজেলায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন কাউখালিতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান-পথসভা, নান্যাচরে এলাকাবাসীর সমাবেশ, পাহাড় কেটে নান্যাচর-লংগদু সড়ক নির্মাণ বন্ধের দাবি করেছে। “বন-জঙ্গল ধ্বংস নয়, আসুন প্রাকৃতিক বনাঞ্চল, প্রকৃতি ও পরিবেশ করি” শ্লোগানে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে গুইমারায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

আজ শুক্রবার(০৫ জুন) ‘পরিবেশ রক্ষার্থে সচেতন গুইমারা এলাকাবাসী’-এর ব্যানারে আযোজিত এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে এলাকা জনসাধারণ স্বতঃস্ফুর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে উপস্থিত ছিলেন- গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক বরুণ চাকমা ও সদস্য সুইচিং মারমা।

গুইমারার হাজাছড়া মুখ থেকে পিলাক খালের পাড় পর্যন্ত প্রায় ২০০টি গর্জন গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকার কার্বারি। এলাকাবাসী এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, বন-জঙ্গল উজাড় হওয়ার কারণে পরিবেশের ওপর খারাপ প্রভাব পড়ায় প্রত্যন্ত অঞ্চল গুলোতে প্রতি বছর শুস্ক মৌসুমে পানি সংকট দেখা দেয়। তাই বন ও বনের গাছ-পালা রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব।

এদিকে “আসুন, আমাদের গ্রহকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করি” শ্লোগানে ‘বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে প্লাস্টিক-পলিথিন বর্জ্য পরিষ্কার- পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও জনসচেতনতামূলক পথসভা করেছে ‘পরিবেশ রক্ষার্থে কাউখালীর সচেতন ছাত্র যুব সমাজ।’

শুক্রবার(০৫জুন) সকাল ৯টায় ঘাগড়া ইউনিয়নের তালুকদার পাড়া দোকান থেকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও পথসভা শুরু করে ডেবাছড়ি দোকানে গিয়ে শেষ হয়। এতে বিভিন্ন গ্রাম থেকে শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী,যুবক-যুবতী স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। তারা দোকান, বাড়ির আশেপাশে যত্রতত্র পড়ে থাকা প্লাস্টিক-পলিথিন বর্জ্য কুড়িয়ে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ধ্বংস করেন। পথসভায় সচেতনামূলক বক্তব্য রাখেন কলেজ শিক্ষার্থী রিপা চাকমা ও যুব প্রতিনিধি সোহেল চাকমা।

বক্তব্যে তারা বলেন, সুস্থ ও সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার জন্য আমাদের চার পাশের পরিবেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা খ্ধুসঢ়;বই জরুরি। পরিবেশকে ঠিক রাখার জন্য আমাদের যেমন সচেতন থাকতে হবে তেমনি অন্যকেও সচেতন করতে হবে। আমাদের চারপাশের পরিবেশকে ঠিক রাখার জন্য ফসলি জমিতে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর অনুমোদনহীন কীটনাশক, রাসায়নিক সার ব্যবহার কমিয়ে আনতে হবে। পরিবেশ ক্ষতিকারক বিদেশী প্রজাতির গাছ রোপন করা থেকে বিরত থাকতে হবে। পাশাপাশি প্লাস্টিক-পলিথিন ব্যবহারের পর নির্দিষ্ট স্থানে পুড়িয়ে ফেলা এবং দোকান, বাড়ির চার পাশে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা দরকার।

বক্তারা পরিবেশ রক্ষার জন্য নিজে সচেতন হওয়া ও অন্যকে এ বিষয়ে সচেতন করার জন্য আহ্বান জানান।

অন্যদিকে ‘বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে রাঙামাটির নান্যাচরে সমাবেশ করেছে এলাকাবাসী।

শুক্রবার(০৫ জুন) বেলা ২টার সময় নান্যাচর উপজেলার বড়পুল পাড়া এলাকায় এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।পাথর উত্তোলন-পাহাড় কেটে বিপদ ডেকে আনবেন না, ব্যক্তি মুনাফার লোভে পরিবেশ ধ্বংসকারীদের প্রতিরোধ করুন” এই শ্লোগানে আয়োজিত সমাবেশে ২নং সাবেক্ষং ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য জীবন চাকমার সভাপতিত্বে ও এলাকার মুরুব্বি করুন চাকমার সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন ১নং সাবেক্ষং ইউনিয়নের ইউপি সদস্য ভুবন জয় চাকমা।

বক্তারা পরিবেশের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, আমরা প্রয়োজনের তাগিদে বাজার থেকে জিনিসপত্র নিয়ে আসার জন্য পলিথিন ব্যবহার করে থাকি। আর সেই পলিথিন ব্যবহারের পর যত্রতত্র ফেলে দিয়ে পরিবেশের ক্ষতি করি। এ বিষয়ে আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। প্লাস্টিক- পলিথিন, অনুমোদনহীন ক্ষতিকর রাসায়নিক সার- কীটনাশক ব্যবহার কমিয়ে আনতে হবে। পলিথিন-প্লাস্টিক ব্যবহারের পর নিদিষ্ট স্থানে পুড়িয়ে ফেলতে হবে।

তারা আরো বলেন, আগের দিনে পার্বত্য চট্টগ্রামে অনেক বড় বড় গাছ, বন্য প্রাণী ছিল। কিন্তু বর্তমানে বন-জঙ্গল, গাছপালা উজাড় হয়ে যাওয়ায় অনেক বন্যপ্রাণীর বিলুপ্তি ঘটেছে এবং যা রয়েছে সেগুলোও বিলুপ্তির পথে রয়েছে।

বক্তারা প্রাকৃতি-পরিবেশ সুরক্ষার জন্য পাথর উত্তোলন ও পাহাড় কাটা বন্ধ করা, বিদেশী প্রজাতির গাছ সেগুন, রাবার ইত্যাদি রোপণ না করে পরিবেশের উপযোগী গাছ, বাঁশ রোপণ করে বন সৃষ্টি করার আহ্বান জানান।

বক্তারা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, জনগণের আপত্তি সত্ত্বেও অবাধে পাহাড়-বন ও গাছপালা কেটে নান্যাচর-লংগদু সংযোগ সড়ক নির্মাণ কাজ চলমান রাখা হয়েছে। এভাবে সড়কটি নির্মাণ করা হলে পরিবেশের ওপর খুবই খারাপ প্রভাব পড়বে। এতে এলাকার মানুষকে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হবে। কিন্তু কিছু মুনাফালোভী গোষ্ঠী পাহাড়িদের ক্ষতিসাধনের জন্য সড়ক নির্মাণের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে, যা খুবই উদ্বেগজনক।

সমাবেশ থেকে বক্তারা ব্যক্তিগত মুনাফার লোভে পরিবেশ ধ্বংসকারীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। তারা পরিবেশ ও প্রাণ-প্রকৃতি সুরক্ষায় অবিলম্বে নান্যাচর হতে লংগদু সংযোগ সড়ক নির্মাণ প্র্রকল্পে বন্ধের জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানান।