বিজন কুমার বিশ্বাস, কক্সবাজার: কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ ঘুনিয়া এলাকায় চলমান পাহাড় নিধনের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বাড়ছে। অভিযোগ উঠেছে, দিনের পর দিন পাহাড় কেটে মাটি বিক্রি ও ভূমির শ্রেণি পরিবর্তনের মতো কর্মকাণ্ড চললেও তা বনবিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নজরে পড়ছে না কিংবা কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।
স্থানীয়দের দাবি, দক্ষিণ ঘুনিয়া এলাকা সংলগ্ন বনাঞ্চল ও পাহাড়ি পরিবেশ দীর্ঘদিন ধরে জীববৈচিত্র্য, বন্যপ্রাণী এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ফাঁসিয়াখালী অঞ্চলে বন ও পাহাড়ের অস্তিত্ব আগেও বিভিন্ন পরিবেশগত সংকটের মুখে পড়েছে। �
অভিযোগ রয়েছে, একটি প্রভাবশালী চক্র পাহাড় কেটে মাটি বিক্রির মাধ্যমে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি করছে। এতে পাহাড় ধস, ভূমিক্ষয় এবং বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল হুমকির মুখে পড়ছে। বিশেষ করে দক্ষিণ ঘুনিয়া এলাকায় অতীতে বন্য হাতির বিচরণ ও মানব-হাতি সংঘাতের ঘটনাও ঘটেছে, যা এ অঞ্চলের পরিবেশগত গুরুত্বকে স্পষ্ট করে।
স্থানীয় পরিবেশ সচেতন মহল প্রশ্ন তুলেছেন—যেখানে পাহাড় কাটা দৃশ্যমান এবং প্রকাশ্যে পরিচালিত হচ্ছে, সেখানে বনবিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা কীভাবে বিষয়টি দেখতে পাচ্ছেন না? তারা অবিলম্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন, পাহাড় নিধনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পরিবেশ রক্ষায় কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন।




