নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা হিসেবে সারা বিশ্বে সর্বজনীন স্বীকৃত। গণমাধ্যম তথা সাংবাদিকতাকে একটি জাতি কিংবা রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়। সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশ করাই নয় একজন সাংবাদিকের সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি রয়েছে অনেক দায়িত্ব ও কর্তব্য। সততা নিষ্ঠা সাহসিকতার সাথে সমাজের সকল সংগতি অসঙ্গতি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই করে জনগণের কাছে তুলে ধরা একজন সাংবাদিকের নৈতিক দায়িত্ব।

অন্যায়ের কাছে মাথা নত না করে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করায় সাংবাদিকরা জনগণের হৃদয়ের মনিকোঠায় অবস্থান করেন। তাই এ মহান পেশার প্রতি জনগণের রয়েছে প্রগাঢ় শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। সাংবাদিকতা পেশায় যেমনটা ঝুঁকি রয়েছে তেমন রয়েছে সম্মান। কিন্তু সাংবাদিকতার মুখোশ পড়ে নানান অপকর্মে লিপ্ত হচ্ছেন রাতারাতি মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে হাতিয়ে নিচ্ছেন সাংবাদিকতার কার্ড।

সংবাদকর্মীদের প্রতি সর্বস্তরের জনগণেরই রয়েছে জবাবদিহীতার প্রথা। তাই সমাজের সকল শ্রেণী পেশার মানুষ যখন অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত হয় তখনই সংবাদকর্মীদের প্রতি তাদের নিজ মনে ভয়ের জন্ম নেয়। সংবাদ মাধ্যমের এসব ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে নানান অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে কথেক সম্পাদক। যদিও সাংবাদিকতা পেশায় আসার আগে সাংবাদিকতার বৈশিষ্ট্য ও নীতি-নৈতিকতার সম্পর্কে বিশদ ধারণা থাকা প্রয়োজন। প্রয়োজন রয়েছে অভিজ্ঞতা অর্জনেরও।

গণমাধ্যমের প্রভাব খাটিয়ে লোকাল এরিয়া গুলোতে সাংবাদিক সেজে চাঁদাবাজি, মাদক নিয়ন্ত্রণ, প্রশাসনের সোর্স হয়ে সর্বসাধারণের উপর বল প্রয়োগ করা সহ নানান অপকর্মে জড়িয়ে পড়ছে অনেকেই। এদের বেশিরভাগই প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাগত যোগ্যতাহীন। অশিক্ষিত- অর্ধশিক্ষিত বেকাররাই শর্টকাটে অর্থ উপার্জনের জন্য খোলস হিসাবে বেছে নিচ্ছে সাংবাদিকতার মত মহান পেশার মুখোশ। চাঁদাবাজি, ধান্ধাবাজি, মাদক ব্যবসা ও নানান অপকর্ম ঢাকতে অনেকেই ঢাল হিসেবে “সাংবাদিক কার্ড” ব্যবহার করে আসছে। এদের কারণেই মূলধারার সাংবাদিকরা আজ প্রশ্নের সম্মুখিন।

নুরুল আলম মোজাহিদ একাধীক মাদক মামলার আসামী। বহুবার পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়ে জেল ও খেটেছেন। স্ত্রীকে দিয়ে ও মাদক ব্যবসা পরিচালনার তথ্য রয়েছে এই ভন্ড মুখোশধারী “সাংঘাতিক” নুরুল আলম মোজাহিদের বিরুদ্ধে। মাদক মামলায় নুরুল আলম মোজাহিদের স্ত্রী ও জেল খেটেছেন বহুবার।

মুখোশধারী সাংঘাতিক নুরুল আলম মোজাহিদের মামলার বিবরণী- ১,১৮ অক্টোবর ২০২১ সালে টেকনাফ থানার এফ আই আর নং ৫০,৮ মে ২০১৯। কক্সবাজার সদর থানার এফ আই আর নং ৪৪/১৩৪০,১১ ডিসেম্বর ২০১৯। কক্সবাজার সদর থানার এফ আই আর নং ৪৪/১৩৪০,৩ এপ্রিল ২০২৩ টেকনাফ থানার এফ আই আর নং ৩৭৩,২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১। ডিএমপি পল্টন থানার এফ আই আর নং ৪৬/৪৬৫।

আজকের বসুন্ধরা পত্রিকায় পূর্বে নিয়োগ প্রাপ্ত থাকাকালীন বিপুল সংখ্যক ইয়াবাসহ পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয় এই ভয়ংকর মাদক ব্যবসায়ী সাংঘাতিক নুরুল আলম মোজাহিদ। আজকের বসুন্ধরা পত্রিকা কর্তৃপক্ষ নুরুল আলম মোজাহিদকে বহিষ্কার করলে ও একজন মাদক ব্যবসায়ী জেনে শুনে পুনরায় কিভাবে নিয়োগ প্রদান করে? নিশ্চয়ই মোটা অংকের টাকা নিয়ে একজন প্রতিষ্ঠিত মাদক ব্যবসায়ীকে নিয়োগ দিয়েছে আজকের বসুন্ধরা কর্তৃপক্ষ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা হিসেবে সারা বিশ্বে সর্বজনীন স্বীকৃত। গণমাধ্যম তথা সাংবাদিকতাকে একটি জাতি কিংবা রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়। সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশ করাই নয় একজন সাংবাদিকের সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি রয়েছে অনেক দায়িত্ব ও কর্তব্য। সততা নিষ্ঠা সাহসিকতার সাথে সমাজের সকল সংগতি অসঙ্গতি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই করে জনগণের কাছে তুলে ধরা একজন সাংবাদিকের নৈতিক দায়িত্ব।

অন্যায়ের কাছে মাথা নত না করে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করায় সাংবাদিকরা জনগণের হৃদয়ের মনিকোঠায় অবস্থান করেন। তাই এ মহান পেশার প্রতি জনগণের রয়েছে প্রগাঢ় শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। সাংবাদিকতা পেশায় যেমনটা ঝুঁকি রয়েছে তেমন রয়েছে সম্মান। কিন্তু সাংবাদিকতার মুখোশ পড়ে নানান অপকর্মে লিপ্ত হচ্ছেন রাতারাতি মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে হাতিয়ে নিচ্ছেন সাংবাদিকতার কার্ড।

সংবাদকর্মীদের প্রতি সর্বস্তরের জনগণেরই রয়েছে জবাবদিহীতার প্রথা। তাই সমাজের সকল শ্রেণী পেশার মানুষ যখন অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত হয় তখনই সংবাদকর্মীদের প্রতি তাদের নিজ মনে ভয়ের জন্ম নেয়। সংবাদ মাধ্যমের এসব ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে নানান অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে কথেক সম্পাদক। যদিও সাংবাদিকতা পেশায় আসার আগে সাংবাদিকতার বৈশিষ্ট্য ও নীতি-নৈতিকতার সম্পর্কে বিশদ ধারণা থাকা প্রয়োজন। প্রয়োজন রয়েছে অভিজ্ঞতা অর্জনেরও।

গণমাধ্যমের প্রভাব খাটিয়ে লোকাল এরিয়া গুলোতে সাংবাদিক সেজে চাঁদাবাজি, মাদক নিয়ন্ত্রণ, প্রশাসনের সোর্স হয়ে সর্বসাধারণের উপর বল প্রয়োগ করা সহ নানান অপকর্মে জড়িয়ে পড়ছে অনেকেই। এদের বেশিরভাগই প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাগত যোগ্যতাহীন। অশিক্ষিত- অর্ধশিক্ষিত বেকাররাই শর্টকাটে অর্থ উপার্জনের জন্য খোলস হিসাবে বেছে নিচ্ছে সাংবাদিকতার মত মহান পেশার মুখোশ। চাঁদাবাজি, ধান্ধাবাজি, মাদক ব্যবসা ও নানান অপকর্ম ঢাকতে অনেকেই ঢাল হিসেবে “সাংবাদিক কার্ড” ব্যবহার করে আসছে। এদের কারণেই মূলধারার সাংবাদিকরা আজ প্রশ্নের সম্মুখিন।

নুরুল আলম মোজাহিদ একাধীক মাদক মামলার আসামী। বহুবার পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়ে জেল ও খেটেছেন। স্ত্রীকে দিয়ে ও মাদক ব্যবসা পরিচালনার তথ্য রয়েছে এই ভন্ড মুখোশধারী “সাংঘাতিক” নুরুল আলম মোজাহিদের বিরুদ্ধে। মাদক মামলায় নুরুল আলম মোজাহিদের স্ত্রী ও জেল খেটেছেন বহুবার।

মুখোশধারী সাংঘাতিক নুরুল আলম মোজাহিদের মামলার বিবরণী- ১,১৮ অক্টোবর ২০২১ সালে টেকনাফ থানার এফ আই আর নং ৫০,৮ মে ২০১৯। কক্সবাজার সদর থানার এফ আই আর নং ৪৪/১৩৪০,১১ ডিসেম্বর ২০১৯। কক্সবাজার সদর থানার এফ আই আর নং ৪৪/১৩৪০,৩ এপ্রিল ২০২৩ টেকনাফ থানার এফ আই আর নং ৩৭৩,২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১। ডিএমপি পল্টন থানার এফ আই আর নং ৪৬/৪৬৫।

আজকের বসুন্ধরা পত্রিকায় পূর্বে নিয়োগ প্রাপ্ত থাকাকালীন বিপুল সংখ্যক ইয়াবাসহ পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয় এই ভয়ংকর মাদক ব্যবসায়ী সাংঘাতিক নুরুল আলম মোজাহিদ। আজকের বসুন্ধরা পত্রিকা কর্তৃপক্ষ নুরুল আলম মোজাহিদকে বহিষ্কার করলে ও একজন মাদক ব্যবসায়ী জেনে শুনে পুনরায় কিভাবে নিয়োগ প্রদান করে? নিশ্চয়ই মোটা অংকের টাকা নিয়ে একজন প্রতিষ্ঠিত মাদক ব্যবসায়ীকে নিয়োগ দিয়েছে আজকের বসুন্ধরা কর্তৃপক্ষ।