প্রদীপ দাশ,কক্সবাজার(সদর) প্রতিনিধি : টেকনাফে অপরাধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ ও আইন-শৃঙ্খলা বিশেষজ্ঞদের এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কমিউনিটি পুলিশিং ফোরাম এ সভার আয়োজন করেন। গতকাল বুধবার সকাল ১১ টায় টেকনাফ উপজেলার নীলা ইউনিয়নের রঙ্গিখালি মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মাহফুজুল ইসলাম।
এছাড়াও টেকনাফ ও উখিয়া থানার জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিকসহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা ।
বক্তারা বলেন, টেকনাফ থানা এলাকায় অপহরণ ,মানব পাচার ,মাদক ব্যবসা প্রতিরোধ সংক্রান্ত বিভিন্ন বক্তব্য প্রদান করেন। বিশেষ করে স্থানীয় বাসিন্দা ও জনপ্রতিনিধিরা সম্প্রতি সংগঠিত অপহরণ দমন,রোহিঙ্গাদের বাসা ভাড়া না দেওয়া রোহিঙ্গাদেরকে ক্যাম্প হইতে বাহির হতে না দেওয়া। স্থানীয় লোকজন কর্তৃক রোহিঙ্গাদের সাথে যোগসাজসে যে সকল অপরাধ মূলক কর্মকাণ্ড পরিচালিত করে তা বন্ধ করা। পুলিশের সোর্স নিয়োগের ক্ষেত্রে অধিক যাচাই-বাছাই করা। রোহিঙ্গাদেরকে ক্যাম্পের বাহিরে কোন কাজ করতে না দেওয়াসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন।
স্থানীয়দের বিভিন্ন অভিযোগের পর পুলিশ সুপার মোঃ মাহফুজুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গারা ক্রমাগত বেপরোয়া হয়ে উঠছে। রোহিঙ্গারা মাদক কারবার, চুরি- ডাকাতি সহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে যাচ্ছে । এ সময় অপরাধের পাশাপাশি একটি চক্রের ইন্দনে বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অস্বাভাবিক করার চেষ্টাও করেছে তারা।
তিনি বলেন,টেকনাফে যেসব অপহরণের ঘটনা ঘটছে ,সব ঘটনার পিছনে রোহিঙ্গাদের হাত রয়েছে। আমরা অপরাধীদের শিকড় সন্ধান করে তাদের শিকড় কেটে দেব। অপরাধ করে কেউ পার পাবে না। অপরাধ দমন বিষয়ক এই সভায় অপহরণ সহ সব ধরনের অপরাধ নির্মূল করতে স্থানীয় প্রতিনিধি সহ সকল জনগণকে পুলিশের সহযোগিতায় একসাথে কাজ করার আহবান করেন এসপি মো মাহফুজুল ইসলাম ।
সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ ) রফিকুল ইসলাম, উখিয়া থানার ওসি মোঃ শামীম হোসেন ,টেকনাফ উপজেলার কমিউনিটি পুলিশিং ফোরাম এর সভাপতি মোঃ আলম বাহাদুর সহ উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয়দের প্রশ্ন উখিয়া সদরে টেকনাফ সদরে ও কক্সবাজার সদরে ৫০% এরও বেশি রোহিঙ্গা । অনেক বাড়ির মালিকও রোহিঙ্গা । আমরা কাদের রোহিঙ্গা বলবো ১৯৮৪ সাল থেকে রোহিঙ্গা আসা শুরু করছে। কত বছর আগে থেকে আসলে ওদেরকে আমরা রোহিঙ্গা মনে করব? সরকারের এ ধরনের কোন স্বীকৃতি বা গাইড লাইন আছে কিনা?




