প্রেস বিজ্ঞপ্তি: মুক্তধ্বনি আবৃত্তি সংসদের আয়োজনে আগামী ২৪ শে জানুয়ারী ঐতিহাসিক গণহত্যা মামলা উপলক্ষে নগরীর জেলা শিল্পকলা একাডেমি আর্ট গ্যলারী হলে আজ শনিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬ টায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন আবৃত্তি শিল্পী মোহাম্মদ মছরুর হোসেন।

তিনি বলেন, ১৯৮৮ সালে ২৪ জানুয়ারি লালদিঘির ময়দানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার গণতন্ত্র রক্ষার সমাবেশে গুলি করে মানবতার নেত্রীকে হত্যা করে দেশকে আবার ১৫ আগস্টের দিকে নিয়ে যেতে চেয়েছিল। কারণ ১৫ আগস্টে জাতির জনককে সপরিবারে হত্যা করে তারা ক্ষান্ত হয়নি। তারা জাতির পিতার যোগ্য উত্তরসুরী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার মধ্য দিয়ে এদেশ কে পরিপূর্ণ পাকিস্তান বানানোর চেষ্টায় অব্যাহত ছিল। আল্লাহর অশেষ কৃপায় তাদের সেই এজেন্ডা বাস্তবায়ন হয়নি। গণতন্ত্র রক্ষার কর্মীরা তাঁদের বুক দিয়ে মানব প্রাচীর তৈরি করে প্রাণের নেত্রীকে রক্ষা করে। তাদেরই একজন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক চট্টগ্রাম ঐতিহাসিক গণহত্যা মামলা মামলার একমাত্র বাদি বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট মোহাম্মদ শহিদুল হুদা। তিনি সেদিন আহত হয়েছিলেন। তাঁর সবচেয়ে বড়ো অবদান তিঁনি সে সময় সামরিক শাসনের ভয় উপেক্ষা করে প্রাণ বাজি রেখে এই বর্বরতম হত্যাকান্ডের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম জাজ আদালতে মামলা দায়ের করেন এটি আজ ঐতিহাসিক গণহত্যা মামলা নামে পরিচিত।

আমরা আজকে এই মন্চ থেকে ১৯৮৮ সালের ২৪ শে জানুয়ারী গণহত্যায় যাঁরা শহিদ হয়েছেন তাঁদের আত্মার শান্তি কামনা করি। তাঁদের অকৃত্রিম অবদান স্মরণ করে ম্ক্তুধ্বনি আবৃত্তি সংসদের “তোমার মুক্তির জন্য তারা দিয়ে গেল প্রাণ ” শিরোনামে একক ও বৃন্দ আবৃত্তি সন্ধ্যার আয়োজন।

উক্ত সন্ধ্যায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা বয়োজেষ্ট সাংবাদিক দেব প্রসাদ দেবু, কবি আবু মুসা চৌধুরী, কবি ও লেখক অধ্যাপক মইনুল আজম জোসফ, অধ্যাপক আবদুল্লাহ ইবনে মাসুদ, সম্মিলিত আবৃত্তি জোট চট্টগ্রামের সভাপতি বিশিষ্ট আবৃত্তি শিল্পী হাসান জাহাঙ্গীর, বন্দর থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি ইস্কান্দর মিয়া, মুক্তধ্বনি আবৃত্তি সংসদের সহ সভাপতি এস এম সোলায়মান সবুজ, চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মনোয়ার আলী রানা, আবদুর রউফ।

মুক্তধ্বনি আবৃত্তি সংসদের বৃন্দ পরিবেশনায় অংশগ্রহণ করে মোহাম্মদ মছরুর হোসেন, এস এম সোলায়মান সবুজ, আশিকুর রহমান, জাওইদ আলী চৌধুরী, নাসরিন তমা, আবদুর রউফ, বিবি ফাতেমা, ফাতেমা আক্তার লাকি, জয়া চৌধুরী, ধ্রুভ দাইয়ান সব্যসাচী দেবনাথ, ইসরাত জাহান, হিজবুল্লাহ আল হাদি, চৌধুরী তাজুল ইসলাম, হামিদা খাতুন পান্না, আতিকুর রহমান, সৌমা মুৎসর্দি, বাপ্পিরাজ, মাসুমা কামাল ফাতেমা ইমরান, বিবি আয়েশা।

সঙ্গীত পরিবেশন করেন নজরুল শিল্পী ফরিদা করীম, মুকুল, আমন্ত্রিত আবৃত্তি সংগঠন স্বদেশ আবৃত্তি সংগঠন। একক আবৃত্তি পরিবেশন করেন নিশাত হাসিনা শিরিন, দিলরুবা আক্তার, ববিতা ইসলাম, সোহেল, শুভশীষ শুভ, মেজবাহ চৌধুরী, ববিতা ইসলাম, শেখ ফাইরুজ নওয়াল দুর্দনা, আশিকুর রহমান, নাসরিন তমা, রেহেনা আক্তার এ্যানি, বিবি ফাতেমা, সোমা মুৎসর্দি, হামিদা খাতুন পান্না, ইসরাত জাহান, হিজবুল্রাহ আল হাদি, সানজিদা রহমান, মেরিলিন এ্যনি, চট্টগ্রামের প্রতিনিধিত্ব শীল কবি শিবু প্রসাদ দাস, আবু মুসা চৌধুরী তাদের স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন। সম্পূর্ণ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আবৃত্তি শিল্পী আশিকুর রহমান ও সোমা মুৎসুর্দ্দি।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: মুক্তধ্বনি আবৃত্তি সংসদের আয়োজনে আগামী ২৪ শে জানুয়ারী ঐতিহাসিক গণহত্যা মামলা উপলক্ষে নগরীর জেলা শিল্পকলা একাডেমি আর্ট গ্যলারী হলে আজ শনিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬ টায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন আবৃত্তি শিল্পী মোহাম্মদ মছরুর হোসেন।

তিনি বলেন, ১৯৮৮ সালে ২৪ জানুয়ারি লালদিঘির ময়দানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার গণতন্ত্র রক্ষার সমাবেশে গুলি করে মানবতার নেত্রীকে হত্যা করে দেশকে আবার ১৫ আগস্টের দিকে নিয়ে যেতে চেয়েছিল। কারণ ১৫ আগস্টে জাতির জনককে সপরিবারে হত্যা করে তারা ক্ষান্ত হয়নি। তারা জাতির পিতার যোগ্য উত্তরসুরী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার মধ্য দিয়ে এদেশ কে পরিপূর্ণ পাকিস্তান বানানোর চেষ্টায় অব্যাহত ছিল। আল্লাহর অশেষ কৃপায় তাদের সেই এজেন্ডা বাস্তবায়ন হয়নি। গণতন্ত্র রক্ষার কর্মীরা তাঁদের বুক দিয়ে মানব প্রাচীর তৈরি করে প্রাণের নেত্রীকে রক্ষা করে। তাদেরই একজন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক চট্টগ্রাম ঐতিহাসিক গণহত্যা মামলা মামলার একমাত্র বাদি বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট মোহাম্মদ শহিদুল হুদা। তিনি সেদিন আহত হয়েছিলেন। তাঁর সবচেয়ে বড়ো অবদান তিঁনি সে সময় সামরিক শাসনের ভয় উপেক্ষা করে প্রাণ বাজি রেখে এই বর্বরতম হত্যাকান্ডের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম জাজ আদালতে মামলা দায়ের করেন এটি আজ ঐতিহাসিক গণহত্যা মামলা নামে পরিচিত।

আমরা আজকে এই মন্চ থেকে ১৯৮৮ সালের ২৪ শে জানুয়ারী গণহত্যায় যাঁরা শহিদ হয়েছেন তাঁদের আত্মার শান্তি কামনা করি। তাঁদের অকৃত্রিম অবদান স্মরণ করে ম্ক্তুধ্বনি আবৃত্তি সংসদের “তোমার মুক্তির জন্য তারা দিয়ে গেল প্রাণ ” শিরোনামে একক ও বৃন্দ আবৃত্তি সন্ধ্যার আয়োজন।

উক্ত সন্ধ্যায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা বয়োজেষ্ট সাংবাদিক দেব প্রসাদ দেবু, কবি আবু মুসা চৌধুরী, কবি ও লেখক অধ্যাপক মইনুল আজম জোসফ, অধ্যাপক আবদুল্লাহ ইবনে মাসুদ, সম্মিলিত আবৃত্তি জোট চট্টগ্রামের সভাপতি বিশিষ্ট আবৃত্তি শিল্পী হাসান জাহাঙ্গীর, বন্দর থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি ইস্কান্দর মিয়া, মুক্তধ্বনি আবৃত্তি সংসদের সহ সভাপতি এস এম সোলায়মান সবুজ, চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মনোয়ার আলী রানা, আবদুর রউফ।

মুক্তধ্বনি আবৃত্তি সংসদের বৃন্দ পরিবেশনায় অংশগ্রহণ করে মোহাম্মদ মছরুর হোসেন, এস এম সোলায়মান সবুজ, আশিকুর রহমান, জাওইদ আলী চৌধুরী, নাসরিন তমা, আবদুর রউফ, বিবি ফাতেমা, ফাতেমা আক্তার লাকি, জয়া চৌধুরী, ধ্রুভ দাইয়ান সব্যসাচী দেবনাথ, ইসরাত জাহান, হিজবুল্লাহ আল হাদি, চৌধুরী তাজুল ইসলাম, হামিদা খাতুন পান্না, আতিকুর রহমান, সৌমা মুৎসর্দি, বাপ্পিরাজ, মাসুমা কামাল ফাতেমা ইমরান, বিবি আয়েশা।

সঙ্গীত পরিবেশন করেন নজরুল শিল্পী ফরিদা করীম, মুকুল, আমন্ত্রিত আবৃত্তি সংগঠন স্বদেশ আবৃত্তি সংগঠন। একক আবৃত্তি পরিবেশন করেন নিশাত হাসিনা শিরিন, দিলরুবা আক্তার, ববিতা ইসলাম, সোহেল, শুভশীষ শুভ, মেজবাহ চৌধুরী, ববিতা ইসলাম, শেখ ফাইরুজ নওয়াল দুর্দনা, আশিকুর রহমান, নাসরিন তমা, রেহেনা আক্তার এ্যানি, বিবি ফাতেমা, সোমা মুৎসর্দি, হামিদা খাতুন পান্না, ইসরাত জাহান, হিজবুল্রাহ আল হাদি, সানজিদা রহমান, মেরিলিন এ্যনি, চট্টগ্রামের প্রতিনিধিত্ব শীল কবি শিবু প্রসাদ দাস, আবু মুসা চৌধুরী তাদের স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন। সম্পূর্ণ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আবৃত্তি শিল্পী আশিকুর রহমান ও সোমা মুৎসুর্দ্দি।