নগর প্রতিবেদক: সিএমপি কমিশনার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী-এর সঙ্গে বিজিএমইএ’র প্রথম সহ-সভাপতি সেলিম রহমানসহ নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকাল ১১টায় এ মতবিনিময় সভা সিএমপি কমিশনার কার্যালয়ের হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী বলেন, রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্পের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় সিএমপি সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রদান করবে, যা তাদের দায়িত্বের অংশ। দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি এই শিল্পখাতের ভাবমূর্তি রক্ষায় পুলিশ সর্বদা সচেষ্ট থাকবে এবং শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিএমইএ ও শিল্প মালিকদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে। তিনি আরও আশ্বাস দেন যে, আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে উস্কানিমূলক শ্রমিক অসন্তোষ কঠোর হস্তে দমন করা হবে।

মতবিনিময় সভায় বিজিএমইএ’র প্রথম সহ-সভাপতি সেলিম রহমান বলেন, ঈদুল আজহার আগে তৈরি পোশাক কারখানায় উস্কানিমূলক শ্রমিক অসন্তোষ, সন্ত্রাসী কার্যকলাপ, চাঁদাবাজি, ঝুট ব্যবসা নিয়ে সংঘর্ষ, কারখানা ভাঙচুরসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে পুলিশের সক্রিয় সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি।

তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে বিদ্যুতের লোডশেডিং ও ডিজেল সংকটের কারণে কারখানার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, যার ফলে বিদেশি ক্রেতাদের লিড টাইম বিঘ্নিত হয়ে রপ্তানি কার্যক্রমেও বিলম্ব ঘটছে। তিনি আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে শিল্পাঞ্চলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, শ্রমিকদের নির্বিঘ্নে যাতায়াত নিশ্চিত করা এবং কারখানার সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারের জন্য সিএমপি’র সহযোগিতা কামনা করেন। একই সাথে, আমদানিকৃত পণ্যবাহী ট্রাক ও রপ্তানি পণ্যবাহী ট্রেইলার যাতে দ্রুত বন্দরে প্রবেশ ও বের হতে পারে, সে লক্ষ্যে বন্দর সংশ্লিষ্ট সড়কসমূহ যানজটমুক্ত রাখার জন্যও তিনি অনুরোধ জানান।

বিজিএমইএ’র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ রফিক চৌধুরী বলেন, বিজিএমইএ সর্বদা আইন মেনে চলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং কোনো ধরনের বেআইনি কর্মকাণ্ডে সমর্থন করে না। তবে পোশাক শিল্পে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজি, শ্রমিক উস্কানি বা সংঘর্ষের মতো ঘটনা প্রতিরোধে পুলিশের কার্যকর সহযোগিতা অত্যন্ত প্রয়োজন।

উপস্থিত ছিলেন- বিজিএমইএ’র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ রফিক চৌধুরী, পরিচালকবৃন্দ এমডি. এম. মহিউদ্দিন চৌধুরী, সাইফ উল্যাহ মানসুর ও এনামুল আজিজ চৌধুরী এবং সিএমপি’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

নগর প্রতিবেদক: সিএমপি কমিশনার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী-এর সঙ্গে বিজিএমইএ’র প্রথম সহ-সভাপতি সেলিম রহমানসহ নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকাল ১১টায় এ মতবিনিময় সভা সিএমপি কমিশনার কার্যালয়ের হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী বলেন, রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্পের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় সিএমপি সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রদান করবে, যা তাদের দায়িত্বের অংশ। দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি এই শিল্পখাতের ভাবমূর্তি রক্ষায় পুলিশ সর্বদা সচেষ্ট থাকবে এবং শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিএমইএ ও শিল্প মালিকদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে। তিনি আরও আশ্বাস দেন যে, আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে উস্কানিমূলক শ্রমিক অসন্তোষ কঠোর হস্তে দমন করা হবে।

মতবিনিময় সভায় বিজিএমইএ’র প্রথম সহ-সভাপতি সেলিম রহমান বলেন, ঈদুল আজহার আগে তৈরি পোশাক কারখানায় উস্কানিমূলক শ্রমিক অসন্তোষ, সন্ত্রাসী কার্যকলাপ, চাঁদাবাজি, ঝুট ব্যবসা নিয়ে সংঘর্ষ, কারখানা ভাঙচুরসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে পুলিশের সক্রিয় সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি।

তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে বিদ্যুতের লোডশেডিং ও ডিজেল সংকটের কারণে কারখানার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, যার ফলে বিদেশি ক্রেতাদের লিড টাইম বিঘ্নিত হয়ে রপ্তানি কার্যক্রমেও বিলম্ব ঘটছে। তিনি আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে শিল্পাঞ্চলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, শ্রমিকদের নির্বিঘ্নে যাতায়াত নিশ্চিত করা এবং কারখানার সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারের জন্য সিএমপি’র সহযোগিতা কামনা করেন। একই সাথে, আমদানিকৃত পণ্যবাহী ট্রাক ও রপ্তানি পণ্যবাহী ট্রেইলার যাতে দ্রুত বন্দরে প্রবেশ ও বের হতে পারে, সে লক্ষ্যে বন্দর সংশ্লিষ্ট সড়কসমূহ যানজটমুক্ত রাখার জন্যও তিনি অনুরোধ জানান।

বিজিএমইএ’র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ রফিক চৌধুরী বলেন, বিজিএমইএ সর্বদা আইন মেনে চলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং কোনো ধরনের বেআইনি কর্মকাণ্ডে সমর্থন করে না। তবে পোশাক শিল্পে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজি, শ্রমিক উস্কানি বা সংঘর্ষের মতো ঘটনা প্রতিরোধে পুলিশের কার্যকর সহযোগিতা অত্যন্ত প্রয়োজন।

উপস্থিত ছিলেন- বিজিএমইএ’র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ রফিক চৌধুরী, পরিচালকবৃন্দ এমডি. এম. মহিউদ্দিন চৌধুরী, সাইফ উল্যাহ মানসুর ও এনামুল আজিজ চৌধুরী এবং সিএমপি’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।