নগর প্রতিবেদক: বাংলাদেশের প্রকাশনা শিল্পের সংকট ও সমস্যা যখন প্রকট, এবং প্রাণের বই মেলা নিয়ে যখন চলছে কর্তৃপক্ষের স্বেচ্ছাচারিতা ও একগুঁয়েমি ঠিক তখনই চট্টগ্রাম এর কয়েকজন সৃজনশীল প্রকাশকদের নিয়ে এক সরস আড্ডা আবির প্রকাশন এর আবির বুকস মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

আজ শনিবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত এই আড্ডায় শুরুতেই শোক প্রকাশ করা হয় বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রাপ্ত যাত্রা শিল্পী ও গবেষক মিলন দে এবং হাজারি গলি লিটল ম্যাগাজিন সম্পাদক ও মুক্তিযোদ্ধা কাজল কান্তি দে এর মৃত্যুতে।

উপস্থিত প্রকাশকেরা বর্তমান প্রকাশনা শিল্পের সংকট নিয়ে যার যার অভিজ্ঞতা বয়ান করেন।

তারা বলেন, বাংলা একাডেমি এবারের বই মেলা নিয়ে যে তালবাহানা শুরু করেছে তার নিন্দা জানিয়ে ঈদের পরে মেলা করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান। এছাড়া ৩০ দিনের বই মেলা থেকে সরে এসে বইমেলা ১৫ দিনের মধ্যে নিয়ে আসার আহ্বান জানান। পৃথিবীর কোথাও ৩০ দিন বইমেলা হয় না। প্রকাশকদের খরচ কমানোর জন্য বইমেলা ১৫ দিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার অভিমত প্রকাশ করা হয়।

প্রকাশকদের মধ্যে আড্ডায় উপস্থিত ছিলেন- বলাকার স্বত্বাধিকারী জামাল উদ্দিন, ইতিহাসে খসড়ার স্বত্বাধিকারী বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রাপ্ত গবেষক মুহাম্মদ শামসুল হক, মনন প্রকাশনের স্বত্বাধিকারী শিব প্রসাদ, খরিমাটির স্বত্বাধিকারী কবি মনিরুল মনির, চন্দ্রবিন্দু প্রকাশনের স্বত্বাধিকারী চৌধুরী ফাহাদ, তৃতীয় চোখের স্বত্বাধিকারী কবি আলী প্রয়াস, নন্দন বইঘরের স্বত্বাধিকারী সুব্রত কান্তি চৌধুরী, দ্বিমত প্রকাশনার সত্ত্বাধিকারী একরাম আজাদ, আবির প্রকাশনের স্বত্বাধিকারী মুহম্মদ নুরুল আবসার।

সবাই উপস্থিত সকল প্রকাশক মাঝেমধ্য এরকম আড্ডার আয়োজনের উপর জোরদার প্রকাশ করেন।

নগর প্রতিবেদক: বাংলাদেশের প্রকাশনা শিল্পের সংকট ও সমস্যা যখন প্রকট, এবং প্রাণের বই মেলা নিয়ে যখন চলছে কর্তৃপক্ষের স্বেচ্ছাচারিতা ও একগুঁয়েমি ঠিক তখনই চট্টগ্রাম এর কয়েকজন সৃজনশীল প্রকাশকদের নিয়ে এক সরস আড্ডা আবির প্রকাশন এর আবির বুকস মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

আজ শনিবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত এই আড্ডায় শুরুতেই শোক প্রকাশ করা হয় বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রাপ্ত যাত্রা শিল্পী ও গবেষক মিলন দে এবং হাজারি গলি লিটল ম্যাগাজিন সম্পাদক ও মুক্তিযোদ্ধা কাজল কান্তি দে এর মৃত্যুতে।

উপস্থিত প্রকাশকেরা বর্তমান প্রকাশনা শিল্পের সংকট নিয়ে যার যার অভিজ্ঞতা বয়ান করেন।

তারা বলেন, বাংলা একাডেমি এবারের বই মেলা নিয়ে যে তালবাহানা শুরু করেছে তার নিন্দা জানিয়ে ঈদের পরে মেলা করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান। এছাড়া ৩০ দিনের বই মেলা থেকে সরে এসে বইমেলা ১৫ দিনের মধ্যে নিয়ে আসার আহ্বান জানান। পৃথিবীর কোথাও ৩০ দিন বইমেলা হয় না। প্রকাশকদের খরচ কমানোর জন্য বইমেলা ১৫ দিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার অভিমত প্রকাশ করা হয়।

প্রকাশকদের মধ্যে আড্ডায় উপস্থিত ছিলেন- বলাকার স্বত্বাধিকারী জামাল উদ্দিন, ইতিহাসে খসড়ার স্বত্বাধিকারী বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রাপ্ত গবেষক মুহাম্মদ শামসুল হক, মনন প্রকাশনের স্বত্বাধিকারী শিব প্রসাদ, খরিমাটির স্বত্বাধিকারী কবি মনিরুল মনির, চন্দ্রবিন্দু প্রকাশনের স্বত্বাধিকারী চৌধুরী ফাহাদ, তৃতীয় চোখের স্বত্বাধিকারী কবি আলী প্রয়াস, নন্দন বইঘরের স্বত্বাধিকারী সুব্রত কান্তি চৌধুরী, দ্বিমত প্রকাশনার সত্ত্বাধিকারী একরাম আজাদ, আবির প্রকাশনের স্বত্বাধিকারী মুহম্মদ নুরুল আবসার।

সবাই উপস্থিত সকল প্রকাশক মাঝেমধ্য এরকম আড্ডার আয়োজনের উপর জোরদার প্রকাশ করেন।