ঢাকা অফিস: নারীর অধিকার রক্ষা, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ এবং গ্রামীণ বঞ্চিত মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রকল্পের কার্যক্রম আরো বেগবান ও ত্রুটিমুক্ত করা হবে। প্রকল্পের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

আজ সোমবার(২৭ এপ্রিল) অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে পাইলট প্রকল্পের প্রায় ৩৭ হাজার কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। এই পাইলট পর্যায়ে চিহ্নিত হওয়া সমস্যাগুলো, যেমন যোগ্য কেউ বাদ পড়া বা ভুলভাবে কারো নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়া—এগুলো দ্রুত সংশোধন করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, প্রকল্পের নিরবচ্ছিন্ন অগ্রগতির জন্য সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ নিশ্চিত করা হবে। যথাযথ অর্থায়নের মাধ্যমে প্রকল্পটিকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

আমির খসরু মাহমুদ বলেন, বিশাল এই কর্মযজ্ঞে ছোটখাটো যেসব বিচ্যুতি রয়েছে, সেগুলো সংশোধন করে প্রকল্পটি যাতে ত্রুটিমুক্ত হয়, সে বিষয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, জাতীয় উন্নয়নের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত এই প্রকল্পটি একটি মানবিক উদ্যোগ। এর মাধ্যমে কেবল নারীর ক্ষমতায়নই নয়, বরং দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির চাকা সচল রাখার প্রয়াস নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, এই সংশোধনী ও নতুন উদ্যোগের ফলে আগামী দিনে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রকল্প আরো স্বচ্ছতা ও দক্ষতার সাথে পরিচালিত হবে, যা সরাসরি গ্রামীণ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন-সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন, অর্থসচিব খায়েরুজ্জামান মজুমদার ও সমাজকল্যাণ সচিব মোহাম্মদ আবু ইউসুফ।

ঢাকা অফিস: নারীর অধিকার রক্ষা, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ এবং গ্রামীণ বঞ্চিত মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রকল্পের কার্যক্রম আরো বেগবান ও ত্রুটিমুক্ত করা হবে। প্রকল্পের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

আজ সোমবার(২৭ এপ্রিল) অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে পাইলট প্রকল্পের প্রায় ৩৭ হাজার কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। এই পাইলট পর্যায়ে চিহ্নিত হওয়া সমস্যাগুলো, যেমন যোগ্য কেউ বাদ পড়া বা ভুলভাবে কারো নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়া—এগুলো দ্রুত সংশোধন করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, প্রকল্পের নিরবচ্ছিন্ন অগ্রগতির জন্য সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ নিশ্চিত করা হবে। যথাযথ অর্থায়নের মাধ্যমে প্রকল্পটিকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

আমির খসরু মাহমুদ বলেন, বিশাল এই কর্মযজ্ঞে ছোটখাটো যেসব বিচ্যুতি রয়েছে, সেগুলো সংশোধন করে প্রকল্পটি যাতে ত্রুটিমুক্ত হয়, সে বিষয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, জাতীয় উন্নয়নের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত এই প্রকল্পটি একটি মানবিক উদ্যোগ। এর মাধ্যমে কেবল নারীর ক্ষমতায়নই নয়, বরং দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির চাকা সচল রাখার প্রয়াস নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, এই সংশোধনী ও নতুন উদ্যোগের ফলে আগামী দিনে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রকল্প আরো স্বচ্ছতা ও দক্ষতার সাথে পরিচালিত হবে, যা সরাসরি গ্রামীণ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন-সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন, অর্থসচিব খায়েরুজ্জামান মজুমদার ও সমাজকল্যাণ সচিব মোহাম্মদ আবু ইউসুফ।