চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: চৌদ্দগ্রামের পদুয়াতে মাদক ব্যাবসায়ীকে চাঁদার টাকা না দেওয়াতে ফার্নিচার ব্যবসায়ী নেয়ামতুল্লা দুর্বৃত্তদের হাতে হামলার শিকার ও নেয়ামতউল্লাকে কুপিয়ে মারাত্মক ভাবে জখম করে মাদক ব্যাবসায়ীরা। পুলিশের প্রত্যক্ষ মদদে খোরশেদ গং দীর্ঘদিন যাবৎ মাদক ব্যবসা করে আসছে। কেউ তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে তার উপর এহেন নির্যাতন করছে নিয়মিত। পুলিশের কাছে অভিযোগ দিলেও পুলিশ মাদক ব্যবসায়ী খোরশেদের বিরুদ্ধে কোন আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছেনা দাবী ভুক্তভোগীদের।

কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম আলকরা ইউনিয়নের সোনাইছা গ্রামের নেয়ামতউল্লা অভিযোগ করে বলেন,আমি একজন খেটে-খাওয়া মানুষ। পেটের দায়ে ফার্নিচার ও গরু খামারের ব্যবসা চালিয়ে আসছি।একেই গ্রামের বাসিন্দা খোরশেদ গং দীর্ঘদিন ধরে আমার কাছে ২০ লক্ষ টাকা চাদাঁ দাবি করে আসছিলো। গত কিছুদিন পূর্বে আমাকে জিম্মি করে ৫ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে পরবর্তীতে বাকি ১৫ লক্ষ টাকার জন্য আমাকে বিভিন্ন সময় প্রশাসন দিয়ে হয়রানি করার চেষ্টা চালায় এবং আমি বাড়িতে না থাকলে ঘরে রাতের অন্ধকারে ঘরের ভিতর মাদক ঢুকিয়ে গ্রেফতার করার ভয় দেখায় মাদক ব্যাবসায়ী খোরশেদ।

নেয়ামতউল্লা আরও জানান, আমরা নিরীহ প্রকৃতির লোক, এবং কোন আসামি যদিও গ্রেপ্তার হয় আমাদের উপর দোষোরপ করে টাকা আদায় করে মাদক ব্যাবসায়ীরা। মাদক মামলার আসামি গ্রেফতারের জের ধরে আমাদের কাছে ২০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন খোরশেদ গং এবং গত ১৮/৭/২০২৩ইং মঙ্গলবার রাত ১টার সময় আমাকে গুলিয়াড়া গ্রাম থেকে আসার সময় মাদ্রাসা মাঠের সামনে একা পেয়ে খুরশিদ ও তার সহযোগীরা মিলে আমাকে ধরে বাংলাদেশে ভারত সীমান্ত তারকাটা বেড়ার সামনে নিয়ে গাছের সাথে বেধে লাঠি সোঠা দিয়ে মারধর করা হয়।

মুঠোফোনে খবর পেয়ে আহত নেয়ামতুল্লাহর বড় ভাই আব্দুল মজিদ আহত নেয়ামতুল্লাহকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। এবং স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার ও এলাকার ইউপি চেয়ারম্যানকে অবগত করলে মাদক ব্যাবসায়ীরা ক্ষিপ্ত হয়ে নেয়ামতউল্লাকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে।

এ প্রতিবেদক সরজমিনে গিয়ে বিবাদী খুরশিদ এর কাছে ঘটনার বিষয় জানতে চাইলে তিনি অস্বীকার করেন।

নেয়ামতুল্লাহ জানান,আমি এই বিষয়ে কুমিল্লা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বাদি হয়ে খোরশেদ আলমসহ ৭ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেছি।আমি চাই এই ঘটনার সঠিক তদন্ত হউক।

চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: চৌদ্দগ্রামের পদুয়াতে মাদক ব্যাবসায়ীকে চাঁদার টাকা না দেওয়াতে ফার্নিচার ব্যবসায়ী নেয়ামতুল্লা দুর্বৃত্তদের হাতে হামলার শিকার ও নেয়ামতউল্লাকে কুপিয়ে মারাত্মক ভাবে জখম করে মাদক ব্যাবসায়ীরা। পুলিশের প্রত্যক্ষ মদদে খোরশেদ গং দীর্ঘদিন যাবৎ মাদক ব্যবসা করে আসছে। কেউ তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে তার উপর এহেন নির্যাতন করছে নিয়মিত। পুলিশের কাছে অভিযোগ দিলেও পুলিশ মাদক ব্যবসায়ী খোরশেদের বিরুদ্ধে কোন আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছেনা দাবী ভুক্তভোগীদের।

কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম আলকরা ইউনিয়নের সোনাইছা গ্রামের নেয়ামতউল্লা অভিযোগ করে বলেন,আমি একজন খেটে-খাওয়া মানুষ। পেটের দায়ে ফার্নিচার ও গরু খামারের ব্যবসা চালিয়ে আসছি।একেই গ্রামের বাসিন্দা খোরশেদ গং দীর্ঘদিন ধরে আমার কাছে ২০ লক্ষ টাকা চাদাঁ দাবি করে আসছিলো। গত কিছুদিন পূর্বে আমাকে জিম্মি করে ৫ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে পরবর্তীতে বাকি ১৫ লক্ষ টাকার জন্য আমাকে বিভিন্ন সময় প্রশাসন দিয়ে হয়রানি করার চেষ্টা চালায় এবং আমি বাড়িতে না থাকলে ঘরে রাতের অন্ধকারে ঘরের ভিতর মাদক ঢুকিয়ে গ্রেফতার করার ভয় দেখায় মাদক ব্যাবসায়ী খোরশেদ।

নেয়ামতউল্লা আরও জানান, আমরা নিরীহ প্রকৃতির লোক, এবং কোন আসামি যদিও গ্রেপ্তার হয় আমাদের উপর দোষোরপ করে টাকা আদায় করে মাদক ব্যাবসায়ীরা। মাদক মামলার আসামি গ্রেফতারের জের ধরে আমাদের কাছে ২০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন খোরশেদ গং এবং গত ১৮/৭/২০২৩ইং মঙ্গলবার রাত ১টার সময় আমাকে গুলিয়াড়া গ্রাম থেকে আসার সময় মাদ্রাসা মাঠের সামনে একা পেয়ে খুরশিদ ও তার সহযোগীরা মিলে আমাকে ধরে বাংলাদেশে ভারত সীমান্ত তারকাটা বেড়ার সামনে নিয়ে গাছের সাথে বেধে লাঠি সোঠা দিয়ে মারধর করা হয়।

মুঠোফোনে খবর পেয়ে আহত নেয়ামতুল্লাহর বড় ভাই আব্দুল মজিদ আহত নেয়ামতুল্লাহকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। এবং স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার ও এলাকার ইউপি চেয়ারম্যানকে অবগত করলে মাদক ব্যাবসায়ীরা ক্ষিপ্ত হয়ে নেয়ামতউল্লাকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে।

এ প্রতিবেদক সরজমিনে গিয়ে বিবাদী খুরশিদ এর কাছে ঘটনার বিষয় জানতে চাইলে তিনি অস্বীকার করেন।

নেয়ামতুল্লাহ জানান,আমি এই বিষয়ে কুমিল্লা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বাদি হয়ে খোরশেদ আলমসহ ৭ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেছি।আমি চাই এই ঘটনার সঠিক তদন্ত হউক।