# স্বজনরা বলছেন-ঘটনা রহস্যজনক

সুকান্ত বিকাশ ধর সাতকানিয়া : জেলার সাতকানিয়া থানা পুলিশ নিখোঁজের ২৪ ঘণ্টা পর একটি খাল থেকে আবুল কালাম (৫০) নামে এক অটোরিকশা চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছেন।আজ মঙ্গলবার (৫মে) দুপুরে উপজেলার নলুয়া ইউনিয়নের মরফলা এলাকার এনবিএল ইটভাটা সংলগ্ন একটি খাল থেকে থানা পুলিশের একটি টিম খবর পেয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান।

লাশ উদ্ধারের পর থেকে কেন বা কি ভাবেই এ ঘটনা ঘটেছে তা নিয়ে নানা আলোচনার পাশাপাশি পুরো এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে চাঞ্চল্যের। নিহত আবুল কালাম উপজেলার কালিয়াইশ ইউনিয়নের ৩নম্বর ওয়ার্ডের রসুলাবাদ পেয়াদার পাড়া এলাকার মৃত হামিদ বকসুর ছেলে। তিনি পেশায় রিকশাচালক ছিলেন এবং তিন সন্তানের জনক।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে স্থানীয়রা খালে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে বিষয়টি দ্রুত পুলিশকে জানায়। পরে সাতকানিয়া থানা পুলিশ দুপুরের দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে।

নিহতের বড় ভাই আবুল কাসেম জানান, তার ভাই আবুল কালাম সোমবার দুপুর থেকে নিখোঁজ ছিলেন। ওই দিন তিনি এনবিএল ব্রিক ফিল্ড এলাকায় তেল পৌঁছে দিতে গিয়েছিলেন। সোমবার দুপুর থেকে তাকে অনেক খোঁজাখুঁজি করা হলেও কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে সকালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুক) তার (আবুল কালাম) রিকশা এনবিএল ইটভাটা এলাকায় পড়ে থাকার বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে গিয়ে খোঁজাখুঁজি করতে থাকি। একপর্যায়ে খালে তার মরদেহ দেখতে পাই। মরদেহের পাশে একটি শার্ট, গেঞ্জি, লুঙ্গি ও দুই জোড়া জুতা পাওয়া যায় গেছে।

তিনি বলেন, তবে ইটভাটা এলাকায় এসে খালের মধ্যে তার লাশ পাওয়ার বিষয়টি রহস্যজনক। ভাইয়ের লাশ খালে কেন পাওয়া গেছে বিষয়টি পুলিশকে খতিয়ে দেখার অনুরোধ করছি।

সরেজমিনে পরিদর্শনে গিয়ে এ প্রতিবেদক দেখতে পায়, লাশ উদ্ধারের সময় লাশের বাম কান ও বাম চোখ দিয়ে সামান্য রক্ত বের হয়েছে। খালের প্রায় ১০০ হাত দূরে মৃত ব্যক্তির একটা মানি ব্যাগ পাওয়া গেছে। খাল পাড়ে পাওয়া গেছে মৃতের পরিহিত লুঙ্গি ও দুই জোড়া সেন্ডেল। এছাড়া খাল পাড়ে থাকা কিছু আগাছাও ভাঙ্গা অবস্থায় দেখা গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, মানুষের মধ্যে ধস্তাধস্তির সময় আগাছাগুলো ভেঙে গেছে।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাতকানিয়া সার্কেল) আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী বলেন, খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। লাশের শরীরে বড় কোন আঘাতের চিহ্ন নেই। তবে বাম চোখ দিয়ে একটু রক্ত বের হয়েছে। তবে মৃতের ছেলে বলেছেন- তার বাবা মাদকাসক্ত ছিল। তবুও ঘটনাটা কি এবং কীভাবে হয়েছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। লাশের সুরতহাল শেষ করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (চমেক) মর্গে প্রেরণের করা হবে। স্বজনদের সাথে কথা বলে মামলার প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।

# স্বজনরা বলছেন-ঘটনা রহস্যজনক

সুকান্ত বিকাশ ধর সাতকানিয়া : জেলার সাতকানিয়া থানা পুলিশ নিখোঁজের ২৪ ঘণ্টা পর একটি খাল থেকে আবুল কালাম (৫০) নামে এক অটোরিকশা চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছেন।আজ মঙ্গলবার (৫মে) দুপুরে উপজেলার নলুয়া ইউনিয়নের মরফলা এলাকার এনবিএল ইটভাটা সংলগ্ন একটি খাল থেকে থানা পুলিশের একটি টিম খবর পেয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান।

লাশ উদ্ধারের পর থেকে কেন বা কি ভাবেই এ ঘটনা ঘটেছে তা নিয়ে নানা আলোচনার পাশাপাশি পুরো এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে চাঞ্চল্যের। নিহত আবুল কালাম উপজেলার কালিয়াইশ ইউনিয়নের ৩নম্বর ওয়ার্ডের রসুলাবাদ পেয়াদার পাড়া এলাকার মৃত হামিদ বকসুর ছেলে। তিনি পেশায় রিকশাচালক ছিলেন এবং তিন সন্তানের জনক।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে স্থানীয়রা খালে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে বিষয়টি দ্রুত পুলিশকে জানায়। পরে সাতকানিয়া থানা পুলিশ দুপুরের দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে।

নিহতের বড় ভাই আবুল কাসেম জানান, তার ভাই আবুল কালাম সোমবার দুপুর থেকে নিখোঁজ ছিলেন। ওই দিন তিনি এনবিএল ব্রিক ফিল্ড এলাকায় তেল পৌঁছে দিতে গিয়েছিলেন। সোমবার দুপুর থেকে তাকে অনেক খোঁজাখুঁজি করা হলেও কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে সকালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুক) তার (আবুল কালাম) রিকশা এনবিএল ইটভাটা এলাকায় পড়ে থাকার বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে গিয়ে খোঁজাখুঁজি করতে থাকি। একপর্যায়ে খালে তার মরদেহ দেখতে পাই। মরদেহের পাশে একটি শার্ট, গেঞ্জি, লুঙ্গি ও দুই জোড়া জুতা পাওয়া যায় গেছে।

তিনি বলেন, তবে ইটভাটা এলাকায় এসে খালের মধ্যে তার লাশ পাওয়ার বিষয়টি রহস্যজনক। ভাইয়ের লাশ খালে কেন পাওয়া গেছে বিষয়টি পুলিশকে খতিয়ে দেখার অনুরোধ করছি।

সরেজমিনে পরিদর্শনে গিয়ে এ প্রতিবেদক দেখতে পায়, লাশ উদ্ধারের সময় লাশের বাম কান ও বাম চোখ দিয়ে সামান্য রক্ত বের হয়েছে। খালের প্রায় ১০০ হাত দূরে মৃত ব্যক্তির একটা মানি ব্যাগ পাওয়া গেছে। খাল পাড়ে পাওয়া গেছে মৃতের পরিহিত লুঙ্গি ও দুই জোড়া সেন্ডেল। এছাড়া খাল পাড়ে থাকা কিছু আগাছাও ভাঙ্গা অবস্থায় দেখা গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, মানুষের মধ্যে ধস্তাধস্তির সময় আগাছাগুলো ভেঙে গেছে।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাতকানিয়া সার্কেল) আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী বলেন, খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। লাশের শরীরে বড় কোন আঘাতের চিহ্ন নেই। তবে বাম চোখ দিয়ে একটু রক্ত বের হয়েছে। তবে মৃতের ছেলে বলেছেন- তার বাবা মাদকাসক্ত ছিল। তবুও ঘটনাটা কি এবং কীভাবে হয়েছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। লাশের সুরতহাল শেষ করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (চমেক) মর্গে প্রেরণের করা হবে। স্বজনদের সাথে কথা বলে মামলার প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।