নিজস্ব প্রতিবেদক: সম্মেলনের আট মাসের বেশি সময় পর চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়ন যুবলীগের আওতাধীন ২ নং ওয়ার্ড যুবলীগের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।গতকাল বৃহষ্পতিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মোঃ ইলিয়াছকে সভাপতি ও জিয়াউর রহমানকে সাধারন সম্পাদক করে কমিটি ঘোষণা করা হয়।

জিয়া বিএনপি রাজনীতর সাথে জড়িত জানিয়ে তাৎক্ষণিক বিষয়টি উপজেলা যুবলীগ সাধারন সম্পাদক কাউছার উদ্দীন কছিরকে অবহিত করে অভিযোগ দিয়েছেন ওই ওয়ার্ডের সাধারন সম্পাদক নুরুল আবছার খোকন।তবে কমিটি ঘোষণার পরপরই কমিটি বাণিজ্য নিয়ে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা বলছেন এটি পকেট কমিটি। কালো টাকা দিয়ে এ কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়েছে। কার ইশারায় তা করা হয়েছে জানতে চাইলে তারা সরাসরি ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ককে দোষারোপ করছেন। এরকম হলে ২ নং ওয়ার্ড যুবলীগের নেতাকর্মীরা গণপদত্যাগের হুমকি দেয়।

সংগঠনের অভ্যন্তরীণ সূত্র জানায়, মোঃ ইলিয়াছ সভাপতি হলেও জিয়াউর রহমান নামের এক যুবককে সাধারণ সম্পাদক করে যুবনেতাদের তোপের মুখে পড়ছেন নেতৃবৃন্দরা। তারা জানায়, জিয়া কোন সময় যুবলীগের কর্মী বা সমর্থক ছিল না।
এদিকে কমিটি ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার রাতে ফেসবুকে একাধিক যুবনেতা কমিটি বাণিজ্য নিয়ে ইংগিত করে নানা পোস্ট করেছেন।

একই সাথে পদত্যাগের ঘোষণা দেন কমিটির সাধারন সম্পাদক নুরুল আবছার খোকন। তিনি বলেছেন, গত ৫ বছর ধরে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করে জননেত্রী শেখ হাসিনার ভিশন বাস্তবায়নে ক্ষুদ্র কর্মী হিসেবে যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকেছি। চাওয়া-পাওয়ার হিসেবে নিকেশ, ত্যাগ-তিতিক্ষার ফিরিস্তি তুলে ধরতে চাই না। আমার আবেদন, সদ্যঘোষিত রাতের কমিটি কতটুকু বৈধ তা জানিনা। তবে সম্মেলন বিহীন কমিটির গ্রহনযোগ্যতা নিয়ে তিনি নানা প্রশ্ন তুলেন।

যোগাযোগ করা হলে নুরুল আবছার খোকন আরো বলেন, তিনি আগের কমিটিতে একই ইউনিটের সাধারন সম্পাদক ছিলেন এবং তাই তিনি এই পদে থাকতে আগ্রহী ছিলেন। তিনি বলেন, আমি সাধারন সম্পাদক পদের জন্য প্রার্থী ছিলাম। এক রাতে কিভাবে তা উল্টে গেল আমার জানা নেই।

তিনি বলেছেন, আশা করেছিলাম, রাজনীতিতে আমার মেধা, যোগ্যতা ও ত্যাগের মূল্যায়ন করে আমাকে ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত করবেন। কিন্তু দীর্ঘ ৮ মাস পর ওয়ার্ড যুবলীগের আংশিক কমিটিতে আমার নাম না দেখে বিস্মিত ও হতাশ হয়েছি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে খুটাখালী ইউনিয়ন যুবলীগ আহবায়ক তৌহিদুল ইসলাম মিটু বলেন, আমি কারো পক্ষপাতিত্ব করিনি এবং কোন নেতার কাছ থেকে পদত্যাগপত্র পাইনি। নানা জটিলতায় সম্মেলনের পর উপজেলা কমিটির সুপারিশে ওয়ার্ড কমিটি ঘোষনা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, অনেক যোগ্য নেতা কমিটির সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক পদ পেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু উপজেলা কমিটির কাছে এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ পদের জন্য মাত্র দু’জনকে বেছে নেওয়া ছাড়া কোনো উপায় ছিল না। কারন নুরুল আবছার খোকনের নামে উপজেলায় সাংগঠনিক বিরোধি কার্যক্রমের অভিযোগ রয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক: সম্মেলনের আট মাসের বেশি সময় পর চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়ন যুবলীগের আওতাধীন ২ নং ওয়ার্ড যুবলীগের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।গতকাল বৃহষ্পতিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মোঃ ইলিয়াছকে সভাপতি ও জিয়াউর রহমানকে সাধারন সম্পাদক করে কমিটি ঘোষণা করা হয়।

জিয়া বিএনপি রাজনীতর সাথে জড়িত জানিয়ে তাৎক্ষণিক বিষয়টি উপজেলা যুবলীগ সাধারন সম্পাদক কাউছার উদ্দীন কছিরকে অবহিত করে অভিযোগ দিয়েছেন ওই ওয়ার্ডের সাধারন সম্পাদক নুরুল আবছার খোকন।তবে কমিটি ঘোষণার পরপরই কমিটি বাণিজ্য নিয়ে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা বলছেন এটি পকেট কমিটি। কালো টাকা দিয়ে এ কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়েছে। কার ইশারায় তা করা হয়েছে জানতে চাইলে তারা সরাসরি ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ককে দোষারোপ করছেন। এরকম হলে ২ নং ওয়ার্ড যুবলীগের নেতাকর্মীরা গণপদত্যাগের হুমকি দেয়।

সংগঠনের অভ্যন্তরীণ সূত্র জানায়, মোঃ ইলিয়াছ সভাপতি হলেও জিয়াউর রহমান নামের এক যুবককে সাধারণ সম্পাদক করে যুবনেতাদের তোপের মুখে পড়ছেন নেতৃবৃন্দরা। তারা জানায়, জিয়া কোন সময় যুবলীগের কর্মী বা সমর্থক ছিল না।
এদিকে কমিটি ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার রাতে ফেসবুকে একাধিক যুবনেতা কমিটি বাণিজ্য নিয়ে ইংগিত করে নানা পোস্ট করেছেন।

একই সাথে পদত্যাগের ঘোষণা দেন কমিটির সাধারন সম্পাদক নুরুল আবছার খোকন। তিনি বলেছেন, গত ৫ বছর ধরে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করে জননেত্রী শেখ হাসিনার ভিশন বাস্তবায়নে ক্ষুদ্র কর্মী হিসেবে যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকেছি। চাওয়া-পাওয়ার হিসেবে নিকেশ, ত্যাগ-তিতিক্ষার ফিরিস্তি তুলে ধরতে চাই না। আমার আবেদন, সদ্যঘোষিত রাতের কমিটি কতটুকু বৈধ তা জানিনা। তবে সম্মেলন বিহীন কমিটির গ্রহনযোগ্যতা নিয়ে তিনি নানা প্রশ্ন তুলেন।

যোগাযোগ করা হলে নুরুল আবছার খোকন আরো বলেন, তিনি আগের কমিটিতে একই ইউনিটের সাধারন সম্পাদক ছিলেন এবং তাই তিনি এই পদে থাকতে আগ্রহী ছিলেন। তিনি বলেন, আমি সাধারন সম্পাদক পদের জন্য প্রার্থী ছিলাম। এক রাতে কিভাবে তা উল্টে গেল আমার জানা নেই।

তিনি বলেছেন, আশা করেছিলাম, রাজনীতিতে আমার মেধা, যোগ্যতা ও ত্যাগের মূল্যায়ন করে আমাকে ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত করবেন। কিন্তু দীর্ঘ ৮ মাস পর ওয়ার্ড যুবলীগের আংশিক কমিটিতে আমার নাম না দেখে বিস্মিত ও হতাশ হয়েছি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে খুটাখালী ইউনিয়ন যুবলীগ আহবায়ক তৌহিদুল ইসলাম মিটু বলেন, আমি কারো পক্ষপাতিত্ব করিনি এবং কোন নেতার কাছ থেকে পদত্যাগপত্র পাইনি। নানা জটিলতায় সম্মেলনের পর উপজেলা কমিটির সুপারিশে ওয়ার্ড কমিটি ঘোষনা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, অনেক যোগ্য নেতা কমিটির সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক পদ পেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু উপজেলা কমিটির কাছে এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ পদের জন্য মাত্র দু’জনকে বেছে নেওয়া ছাড়া কোনো উপায় ছিল না। কারন নুরুল আবছার খোকনের নামে উপজেলায় সাংগঠনিক বিরোধি কার্যক্রমের অভিযোগ রয়েছে।