মিজবাউল হক, চকরিয়া : দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আরও ছয়মাস বাকী। এখনো কোন দল প্রার্থীতা ঘোষণা করেনি। এরপরও মনোনয়ন যুদ্ধে মুখোমুখি আওয়ামী লীগের দুই প্রভাবশালী নেতা। একজন কক্সবাজার-১ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ও চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাফর আলম অন্যজন কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আহমেদ সিআইপি। হঠাৎ করে দুইজনের পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে চকরিয়া-পেকুয়ার রাজনীতি। বিভক্ত হয়ে পড়েছে দলের নেতাকর্মীরা।

বর্তমান সাংসদ জাফর আলমের বিরুদ্ধে চিংড়িঘের দখল, জমি দখল, লুটপাট ও অঢেল সম্পদ গড়ার অভিযোগ করেন কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দলের তিনবারের মনোনয়ন পাওয়া সালাহ উদ্দিন আহমেদ সিআইপি।

গত ১৬ জুন শুক্রবার বরইতলীস্থ পহরচাঁদা সালাহউদ্দিন আহমদের নিজ বাসভবনে চকরিয়া-পেকুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের নিয়ে মতবিনিময় সভা করেন তিনি। মতবিনিময় সভায় সালাহউদ্দিন আহমেদ বর্তমান সাংসদ জাফর আলম গত সাড়ে চার বছর হাজার হাজার একর চিংড়িঘের দখল, অসহায় মানুষের জমি দখল, দলীয় নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলা দিয়ে নির্যাতন ও অবৈধ সম্পদ অর্জন করার অভিযোগ আনেন।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা দলের প্রার্থীও পরিবর্তন চায়। বিগত নির্বাচনে দলের প্রার্থী জাফর আলম এমপি নির্বাচিত হলেও নেতাকর্মীদের সুখে দু:খে পাশে ছিলেন না। উল্টো দলের নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করছে। ঘরছাড়া করেছে অনেক পরিবারকে। হাজার হাজার একর চিংড়িঘের দখল করেছে। ঘের মালিকদের বিতাড়িত করে তার দখলে নিয়েছে। তার অবৈধ সম্পদ এখন দৃশ্যমান হয়েছে। এসব অপকর্ম থেকে নেতাকর্মীদের বাঁচাতে জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে যাওয়ার কথা বলেন তিনি।

এ মতবিনিময় সভা ১৭ জুন যুগান্তর পত্রিকার সংবাদ ছাপানোর তিনদিন পর ২০ জুন সংবাদ সম্মেলন করে পাল্টা অভিযোগ করে সাংসদ জাফর আলম বলেন, সালাহউদ্দিন আহমদ সিআইপি চকরিয়া-পেকুয়া আসনে তিনবার দলের মনোনয়ন পেলেও বিজয় হতে পারেনি। তিনি নেতাকর্মীদের কোন ধরণের মূল্যায়ন করে না। নেতাকর্মীদের সুখে দু:খে পাশে নেই। ৪৩ বছর পর চকরিয়া-পেকুয়া আসনে আমি নৌকার বিজয় করেছি। দ্বাদশ নির্বাচনে নৌকাকে পরাজিত করতে বিএনপির সাথে আতাত করে তিনি আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে।

অপরদিকে ১৭ জুন একটি জাতীয় দৈনিকে বর্তমান জাফর আলম এমপির বিরুদ্ধে গত সাড়ে চারবছরে হাজার হাজার একর চিংড়িঘের দখল, অসহায় মানুষের জমি দখল, বিদেশে টাকা পাচার, একাধিক বহুতল ভবন নির্মাণ ও পুরো পরিবারের দূর্নীতির ফিরিস্তি তুলে ধরে সংবাদ ছাপিয়েছে। ওই সংবাদে ক্ষিপ্ত হয় জাফর আলম এমপি। বিষোদগার করতে থাকে দলের আওয়ামীলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে। ব্যক্তিগত আক্রমণ থেকে বাদ যায়নি কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আহমেদ সিআইপি, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদী ও চকরিয়া পৌরসভার মেয়র আলমগীর চৌধুরী।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একপর্যায়ে যুগান্তর পত্রিকার কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধিকে রাজাকারের বাচ্চা বলেও গালিগালাজ করেন তিনি। তার প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগ নেতাদের ব্যক্তিগত আক্রমণের পাশাপাশি কোন সভা সমাবেশ করলে প্রতিহত করারও ঘোষণা সাংসদ জাফর আলম।

মিজবাউল হক, চকরিয়া : দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আরও ছয়মাস বাকী। এখনো কোন দল প্রার্থীতা ঘোষণা করেনি। এরপরও মনোনয়ন যুদ্ধে মুখোমুখি আওয়ামী লীগের দুই প্রভাবশালী নেতা। একজন কক্সবাজার-১ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ও চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাফর আলম অন্যজন কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আহমেদ সিআইপি। হঠাৎ করে দুইজনের পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে চকরিয়া-পেকুয়ার রাজনীতি। বিভক্ত হয়ে পড়েছে দলের নেতাকর্মীরা।

বর্তমান সাংসদ জাফর আলমের বিরুদ্ধে চিংড়িঘের দখল, জমি দখল, লুটপাট ও অঢেল সম্পদ গড়ার অভিযোগ করেন কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দলের তিনবারের মনোনয়ন পাওয়া সালাহ উদ্দিন আহমেদ সিআইপি।

গত ১৬ জুন শুক্রবার বরইতলীস্থ পহরচাঁদা সালাহউদ্দিন আহমদের নিজ বাসভবনে চকরিয়া-পেকুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের নিয়ে মতবিনিময় সভা করেন তিনি। মতবিনিময় সভায় সালাহউদ্দিন আহমেদ বর্তমান সাংসদ জাফর আলম গত সাড়ে চার বছর হাজার হাজার একর চিংড়িঘের দখল, অসহায় মানুষের জমি দখল, দলীয় নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলা দিয়ে নির্যাতন ও অবৈধ সম্পদ অর্জন করার অভিযোগ আনেন।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা দলের প্রার্থীও পরিবর্তন চায়। বিগত নির্বাচনে দলের প্রার্থী জাফর আলম এমপি নির্বাচিত হলেও নেতাকর্মীদের সুখে দু:খে পাশে ছিলেন না। উল্টো দলের নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করছে। ঘরছাড়া করেছে অনেক পরিবারকে। হাজার হাজার একর চিংড়িঘের দখল করেছে। ঘের মালিকদের বিতাড়িত করে তার দখলে নিয়েছে। তার অবৈধ সম্পদ এখন দৃশ্যমান হয়েছে। এসব অপকর্ম থেকে নেতাকর্মীদের বাঁচাতে জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে যাওয়ার কথা বলেন তিনি।

এ মতবিনিময় সভা ১৭ জুন যুগান্তর পত্রিকার সংবাদ ছাপানোর তিনদিন পর ২০ জুন সংবাদ সম্মেলন করে পাল্টা অভিযোগ করে সাংসদ জাফর আলম বলেন, সালাহউদ্দিন আহমদ সিআইপি চকরিয়া-পেকুয়া আসনে তিনবার দলের মনোনয়ন পেলেও বিজয় হতে পারেনি। তিনি নেতাকর্মীদের কোন ধরণের মূল্যায়ন করে না। নেতাকর্মীদের সুখে দু:খে পাশে নেই। ৪৩ বছর পর চকরিয়া-পেকুয়া আসনে আমি নৌকার বিজয় করেছি। দ্বাদশ নির্বাচনে নৌকাকে পরাজিত করতে বিএনপির সাথে আতাত করে তিনি আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে।

অপরদিকে ১৭ জুন একটি জাতীয় দৈনিকে বর্তমান জাফর আলম এমপির বিরুদ্ধে গত সাড়ে চারবছরে হাজার হাজার একর চিংড়িঘের দখল, অসহায় মানুষের জমি দখল, বিদেশে টাকা পাচার, একাধিক বহুতল ভবন নির্মাণ ও পুরো পরিবারের দূর্নীতির ফিরিস্তি তুলে ধরে সংবাদ ছাপিয়েছে। ওই সংবাদে ক্ষিপ্ত হয় জাফর আলম এমপি। বিষোদগার করতে থাকে দলের আওয়ামীলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে। ব্যক্তিগত আক্রমণ থেকে বাদ যায়নি কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আহমেদ সিআইপি, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদী ও চকরিয়া পৌরসভার মেয়র আলমগীর চৌধুরী।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একপর্যায়ে যুগান্তর পত্রিকার কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধিকে রাজাকারের বাচ্চা বলেও গালিগালাজ করেন তিনি। তার প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগ নেতাদের ব্যক্তিগত আক্রমণের পাশাপাশি কোন সভা সমাবেশ করলে প্রতিহত করারও ঘোষণা সাংসদ জাফর আলম।