সুকান্ত বিকাশ ধর, সাতকানিয়া: আয়োজক কমিটির অদূরদর্শিতা ও খেলা পরিচালনা কমিটির সাথে সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের অশোভন আচরণের কারণে দেরিতে শুরু হওয়া জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ  কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট বালক (অনূর্ধ্ব-১৭) ২০২৩ এর ফাইনাল খেলা আজ (মঙ্গলবার) সম্পন্ন হয়েছে। কম সময়ে অনুষ্ঠিত ৪০ মিনিটের খেলায় টংকাবতী (ছদাহা, কেঁওচিয়া) একাদশকে ২-০ গোলে হারিয়ে ডলু (পৌরসভা) একাদশ চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। টুর্নামেন্ট ও ফাইনাল খেলায় মো. আজ্জাম সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন।

আয়োজক কমিটি ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট বালক (অনূর্ধ্ব-১৭) ২০২৩ এর ফাইনাল খেলা আজ (মঙ্গলবার)  বিকাল ৩ টার দিকে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। খেলার ভ্যানু সাতকানিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উভয় দলই নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হয়ে খেলোয়াড় যাচাই- বাছাই পর্ব শুরু হয়। এর মধ্যে উভয় দলের টিম ম্যানেজারদের মধ্যে তুমুল হট্টগোল দেখা  দেয়। এক পর্যায়ে টংকাবতী টিমের ম্যানেজার কেঁওচিয়া ইউনিয়ন পরিষদের

ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলমকে গলা ধাক্কা দেওয়ার ঘটনায় টংকাবতী টিমের খেলোয়াড়রা মাঠ ত্যাগ করে চলে যায়। কিন্তু মাঠে থেকে যায় ডলু টিম। এ সময়  মঞ্চে থাকা উপজেলা ক্রীড়া সংস্থা ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কুতুবউদ্দিন চৌধুরী মোবাইল ফোনে কল দিলে ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মঞ্চে গিয়ে উপস্থিত হন। পরে ইউএনও কেঁওচিয়া ও ছদাহা ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদ্বয়কে বেশ কয়েকবার ফোন করলেও তারা প্রথমে সাড়া দেয়নি। প্রায় ৪৫ মিনিট পর দুই চেয়ারম্যান মঞ্চে উপস্থিত হন। এ সময় ইউএনও উভয় চেয়ারম্যানকে খেলোয়াড়দের মাঠে নিয়ে আসার জন্য বললে কেঁওচিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ওচমান আলীর সাথে ইউএনওর  মৃদু বাকবিতন্ডার সৃষ্টি হয়। পরে অনুষ্ঠিত হয় খেলা।

এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান ওচমান আলী বলেন,  আমাদের টিম ম্যানেজারের সাথে অশোভন আচরণ করার কারণে আমাদের টিম নিয়ে প্রথমে মাঠ ছেড়ে চলে যায়, পরে ইউএনওর অনুরোধে খেলা শুরু করি।

ইউএনও ফাতেমা-তুজ- জোহরা বলেন, সামান্য হট্টগোল হলেও পরে সুষ্ঠুভাবে খেলা সম্পন্ন হয়।

খেলা শেষে অনুষ্ঠিত পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক কুতুবউদ্দিন চৌধুরীর সঞ্চালনায়  অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউএনও ফাতেমা-তুজ-জোহরা। এসময় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও টুর্নামেন্ট বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক সালাহউদ্দিন হাসান চৌধুরী ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াসির আরাফাত। পুরো টুর্নামেন্টের অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার যুগ্ম  সম্পাদক ও টুর্নামেন্ট বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক নুরুল ইসলাম।

সুকান্ত বিকাশ ধর, সাতকানিয়া: আয়োজক কমিটির অদূরদর্শিতা ও খেলা পরিচালনা কমিটির সাথে সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের অশোভন আচরণের কারণে দেরিতে শুরু হওয়া জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ  কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট বালক (অনূর্ধ্ব-১৭) ২০২৩ এর ফাইনাল খেলা আজ (মঙ্গলবার) সম্পন্ন হয়েছে। কম সময়ে অনুষ্ঠিত ৪০ মিনিটের খেলায় টংকাবতী (ছদাহা, কেঁওচিয়া) একাদশকে ২-০ গোলে হারিয়ে ডলু (পৌরসভা) একাদশ চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। টুর্নামেন্ট ও ফাইনাল খেলায় মো. আজ্জাম সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন।

আয়োজক কমিটি ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট বালক (অনূর্ধ্ব-১৭) ২০২৩ এর ফাইনাল খেলা আজ (মঙ্গলবার)  বিকাল ৩ টার দিকে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। খেলার ভ্যানু সাতকানিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উভয় দলই নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হয়ে খেলোয়াড় যাচাই- বাছাই পর্ব শুরু হয়। এর মধ্যে উভয় দলের টিম ম্যানেজারদের মধ্যে তুমুল হট্টগোল দেখা  দেয়। এক পর্যায়ে টংকাবতী টিমের ম্যানেজার কেঁওচিয়া ইউনিয়ন পরিষদের

ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলমকে গলা ধাক্কা দেওয়ার ঘটনায় টংকাবতী টিমের খেলোয়াড়রা মাঠ ত্যাগ করে চলে যায়। কিন্তু মাঠে থেকে যায় ডলু টিম। এ সময়  মঞ্চে থাকা উপজেলা ক্রীড়া সংস্থা ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কুতুবউদ্দিন চৌধুরী মোবাইল ফোনে কল দিলে ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মঞ্চে গিয়ে উপস্থিত হন। পরে ইউএনও কেঁওচিয়া ও ছদাহা ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদ্বয়কে বেশ কয়েকবার ফোন করলেও তারা প্রথমে সাড়া দেয়নি। প্রায় ৪৫ মিনিট পর দুই চেয়ারম্যান মঞ্চে উপস্থিত হন। এ সময় ইউএনও উভয় চেয়ারম্যানকে খেলোয়াড়দের মাঠে নিয়ে আসার জন্য বললে কেঁওচিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ওচমান আলীর সাথে ইউএনওর  মৃদু বাকবিতন্ডার সৃষ্টি হয়। পরে অনুষ্ঠিত হয় খেলা।

এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান ওচমান আলী বলেন,  আমাদের টিম ম্যানেজারের সাথে অশোভন আচরণ করার কারণে আমাদের টিম নিয়ে প্রথমে মাঠ ছেড়ে চলে যায়, পরে ইউএনওর অনুরোধে খেলা শুরু করি।

ইউএনও ফাতেমা-তুজ- জোহরা বলেন, সামান্য হট্টগোল হলেও পরে সুষ্ঠুভাবে খেলা সম্পন্ন হয়।

খেলা শেষে অনুষ্ঠিত পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক কুতুবউদ্দিন চৌধুরীর সঞ্চালনায়  অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউএনও ফাতেমা-তুজ-জোহরা। এসময় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও টুর্নামেন্ট বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক সালাহউদ্দিন হাসান চৌধুরী ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াসির আরাফাত। পুরো টুর্নামেন্টের অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার যুগ্ম  সম্পাদক ও টুর্নামেন্ট বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক নুরুল ইসলাম।