প্রেস বিজ্ঞপ্তি: বিজিএমইএ স্কুল এর উদ্যোগে বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান ও বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রবিবার (১৯ এপ্রিল) নগরীর মুরাদপুরস্থ স্কুল ক্যাম্পাসে এই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এতে শতাধিক স্কুল শিক্ষার্থীর মাঝে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস, ব্যাগ, জুতোসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছে বিজিএমইএ। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিজিএমইএ’র ভারপ্রাপ্ত প্রথম সহ-সভাপতি মোহাম্মদ রফিক চৌধুরী।

তিনি বলেন, সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে সম্পূর্ণ নিজস্ব খরচে ২০০৫ সাল থেকে বিজিএমইএ স্কুলটি পরিচালনা করছে। বিনামূল্যের এই স্কুলে ২০ বছর ধরে পড়ালেখা করে আজ শতাধিক শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠিত। তারা স্ব স্ব কর্মক্ষেত্রে বিভিন্নভাবে অবদান রাখছে। আমরা চাই স্কুলটির আরও মানোন্নয়ন করতে; উপযুক্ত স্থানে স্থানান্তরিত করতে, যাতে চট্টগ্রামের অধিক সংখ্যক তৈরী পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের ছেলে-মেয়েরা বিনামূল্যে এই স্কুলে পড়ার সুযোগ পায়।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে বিজিএমইএ স্কুলের পরিচালক ইনচার্জ এনামুল আজিজ চৌধুরী বলেন, আজ এই স্কুলের শিক্ষার্থীরা সরকারি মেডিকেলে পড়ছে, ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়ছে। অনেক শিক্ষার্থী ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার হয়েছেন। আমি শিক্ষকদের বলব- আপনারা প্রতিষ্ঠিত এসব শিক্ষার্থীদের স্কুলে নিয়ে আসবেন। ছাত্র-ছাত্রীদের দেখাবেন এই স্কুলে পড়ে আজ তারা কোথায় গেছেন, যাতে তারা উৎসাহিত হন। অভিভাবকরা সন্তানদের শিষ্ঠাচার শেখাবেন, সৎ ও নীতিবান হতে বলবেন। সততা শিক্ষার মানকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। শিক্ষার্থীদের শুধু বইয়ের পড়া পড়লে হবে না, তাদের সামাজিকভাবেও বড় হতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে বিজিএমইএ স্কুলের চেয়ারম্যান আরশাদ উর রহমান বলেন, বিজিএমইএ স্কুলের শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত ভালো পরিবেশে পড়ালেখা করছে। একটা মানসম্পন্ন স্কুলের ছেলে-মেয়েরা যে ধরনের কাপড়-ছোপড় পড়ছে আমরা বিনামূল্যে সে ধরনের কাপড় শিক্ষার্থীদের দিচ্ছি। আমরা চাই সমাজের শ্রমজীবি পরিবারের সন্তানরা পড়ালেখায় পিছিয়ে না পড়ুক। বিজিএমইএ’র সকল সদস্য তাদের অভিভাবক হিসেবে পাশে আছে।

এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিজিএমইএ’র পরিচালক মো. সাইফ উল্যাহ মানসুর, উচ্চ শিক্ষা অর্জনের সুফল ও সমাজে সফল ব্যক্তিদের প্রতিষ্ঠিত হওয়ার উদাহরণ তুলে ধরে শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করেন।

বক্তব্য রাখেন- ফ্যাশন অব ওয়েলস’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওদুদ মোহাম্মদ চৌধুরী, শ্যারেন ছুঁ লিমিটেড’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী শফিকুল ইসলাম টিটু, প্রগ্রেসিভ অ্যাপারেলস লিমিটেড এর চেয়ারম্যান মোর্শেদ কাদের চৌধুরী, চিটাগাং ফোর ব্রাদার্স অ্যাপারেলস লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম চৌধুরী উৎপল, এসএমই বিষয়ক স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এবং ড্রেসিং কিং লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল শুক্কুর, লায়ন্স ক্লাব অফ চিটাগং খুলশী’র প্রেসিডেন্ট কাজী জসিম উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে দুই শতাধিক স্থানীয় জনসাধারণ, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদেরকে চোখের পরীক্ষা করা হয়। এছাড়া শিক্ষার্থীদের মাঝে বার্ষিক ক্রীড়ার পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: বিজিএমইএ স্কুল এর উদ্যোগে বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান ও বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রবিবার (১৯ এপ্রিল) নগরীর মুরাদপুরস্থ স্কুল ক্যাম্পাসে এই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এতে শতাধিক স্কুল শিক্ষার্থীর মাঝে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস, ব্যাগ, জুতোসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছে বিজিএমইএ। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিজিএমইএ’র ভারপ্রাপ্ত প্রথম সহ-সভাপতি মোহাম্মদ রফিক চৌধুরী।

তিনি বলেন, সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে সম্পূর্ণ নিজস্ব খরচে ২০০৫ সাল থেকে বিজিএমইএ স্কুলটি পরিচালনা করছে। বিনামূল্যের এই স্কুলে ২০ বছর ধরে পড়ালেখা করে আজ শতাধিক শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠিত। তারা স্ব স্ব কর্মক্ষেত্রে বিভিন্নভাবে অবদান রাখছে। আমরা চাই স্কুলটির আরও মানোন্নয়ন করতে; উপযুক্ত স্থানে স্থানান্তরিত করতে, যাতে চট্টগ্রামের অধিক সংখ্যক তৈরী পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের ছেলে-মেয়েরা বিনামূল্যে এই স্কুলে পড়ার সুযোগ পায়।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে বিজিএমইএ স্কুলের পরিচালক ইনচার্জ এনামুল আজিজ চৌধুরী বলেন, আজ এই স্কুলের শিক্ষার্থীরা সরকারি মেডিকেলে পড়ছে, ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়ছে। অনেক শিক্ষার্থী ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার হয়েছেন। আমি শিক্ষকদের বলব- আপনারা প্রতিষ্ঠিত এসব শিক্ষার্থীদের স্কুলে নিয়ে আসবেন। ছাত্র-ছাত্রীদের দেখাবেন এই স্কুলে পড়ে আজ তারা কোথায় গেছেন, যাতে তারা উৎসাহিত হন। অভিভাবকরা সন্তানদের শিষ্ঠাচার শেখাবেন, সৎ ও নীতিবান হতে বলবেন। সততা শিক্ষার মানকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। শিক্ষার্থীদের শুধু বইয়ের পড়া পড়লে হবে না, তাদের সামাজিকভাবেও বড় হতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে বিজিএমইএ স্কুলের চেয়ারম্যান আরশাদ উর রহমান বলেন, বিজিএমইএ স্কুলের শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত ভালো পরিবেশে পড়ালেখা করছে। একটা মানসম্পন্ন স্কুলের ছেলে-মেয়েরা যে ধরনের কাপড়-ছোপড় পড়ছে আমরা বিনামূল্যে সে ধরনের কাপড় শিক্ষার্থীদের দিচ্ছি। আমরা চাই সমাজের শ্রমজীবি পরিবারের সন্তানরা পড়ালেখায় পিছিয়ে না পড়ুক। বিজিএমইএ’র সকল সদস্য তাদের অভিভাবক হিসেবে পাশে আছে।

এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিজিএমইএ’র পরিচালক মো. সাইফ উল্যাহ মানসুর, উচ্চ শিক্ষা অর্জনের সুফল ও সমাজে সফল ব্যক্তিদের প্রতিষ্ঠিত হওয়ার উদাহরণ তুলে ধরে শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করেন।

বক্তব্য রাখেন- ফ্যাশন অব ওয়েলস’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওদুদ মোহাম্মদ চৌধুরী, শ্যারেন ছুঁ লিমিটেড’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী শফিকুল ইসলাম টিটু, প্রগ্রেসিভ অ্যাপারেলস লিমিটেড এর চেয়ারম্যান মোর্শেদ কাদের চৌধুরী, চিটাগাং ফোর ব্রাদার্স অ্যাপারেলস লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম চৌধুরী উৎপল, এসএমই বিষয়ক স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এবং ড্রেসিং কিং লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল শুক্কুর, লায়ন্স ক্লাব অফ চিটাগং খুলশী’র প্রেসিডেন্ট কাজী জসিম উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে দুই শতাধিক স্থানীয় জনসাধারণ, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদেরকে চোখের পরীক্ষা করা হয়। এছাড়া শিক্ষার্থীদের মাঝে বার্ষিক ক্রীড়ার পুরস্কার বিতরণ করা হয়।