স্পোর্টস ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝেই কঠোর সিদ্ধান্ত নিল ইরান। ‘শত্রুভাবাপন্ন’ হিসেবে বিবেচিত দেশগুলোতে জাতীয় ও ক্লাব দলের সফর নিষিদ্ধ করেছে দেশটির ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এ ঘোষণা আসে, ঠিক যখন ট্রাক্টর সাঝি ক্লাবের সৌদি আরবে ম্যাচ খেলার কথা ছিল।

তেহরান থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, “যেসব দেশে ইরানি খেলোয়াড় ও দলীয় সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয় এবং যেগুলোকে শত্রুভাবাপন্ন হিসেবে ধরা হয়, সেখানে জাতীয় ও ক্লাব দলের উপস্থিতি পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিষিদ্ধ থাকবে।”

এই নিষেধাজ্ঞার সরাসরি প্রভাব পড়েছে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নস লিগের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে। এপ্রিল মাসে সৌদি আরবে দুবাইয়ের শাবাব আল আহলির বিপক্ষে ট্রাক্টর সাঝির শেষ ১৬’র ম্যাচটি এখন অনিশ্চয়তার মুখে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত পরিস্থিতি পুরো অঞ্চলের ক্রীড়াঙ্গনে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে। ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ড্রোন আক্রমণ ও বিস্ফোরণের শঙ্কায় প্রায় প্রতিটি দেশই নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এরই মধ্যে স্থগিত হওয়া পশ্চিমাঞ্চল প্লে-অফ ম্যাচগুলো ১৩-১৪ এপ্রিল জেদ্দায় পুনঃনির্ধারণ করেছে এশিয়ান ফুটবল কর্তৃপক্ষ। একই শহরে ১৬ থেকে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল ও ফাইনাল আয়োজনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

ইরানের ক্রীড়া মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ফুটবল ফেডারেশন ও সংশ্লিষ্ট ক্লাবগুলোকে এ বিষয়ে এশিয়ান ফুটবল কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে ম্যাচের ভেন্যু পরিবর্তনের উদ্যোগ নিতে হবে।

অন্যদিকে, বিশ্বকাপ ঘিরেও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। আগামী ১১ জুন শুরু হতে যাওয়া আসরের ম্যাচগুলো যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও, যুক্তরাষ্ট্রে খেলতে অনীহা প্রকাশ করেছে ইরান। নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে নিজেদের গ্রুপপর্বের ম্যাচগুলো মেক্সিকোয় সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন মেক্সিকোতে নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূত।

তবে আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো স্পষ্ট করেছেন, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ীই বিশ্বকাপ আয়োজন করতে চায় তারা। ফলে ইরানের সেই প্রস্তাব বাস্তবায়ন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
ইরান সরকার ও ফুটবল সংশ্লিষ্টরা জানিয়ে দিয়েছেন, তারা বিশ্বকাপ বয়কট করতে চায় না। তবে ফেব্রুয়ারি ২৮ থেকে শুরু হওয়া সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে খেলা তাদের জন্য নিরাপদ নয় বলেই মনে করছে দেশটি।

সব মিলিয়ে, মাঠের বাইরের অস্থিরতা এখন সরাসরি প্রভাব ফেলছে ইরানের ক্রীড়াজগতে। সামনে বিশ্বকাপ, কিন্তু তার আগেই অনিশ্চয়তা আর নিরাপত্তা শঙ্কা ঘিরে ফেলেছে দলটিকে।

স্পোর্টস ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝেই কঠোর সিদ্ধান্ত নিল ইরান। ‘শত্রুভাবাপন্ন’ হিসেবে বিবেচিত দেশগুলোতে জাতীয় ও ক্লাব দলের সফর নিষিদ্ধ করেছে দেশটির ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এ ঘোষণা আসে, ঠিক যখন ট্রাক্টর সাঝি ক্লাবের সৌদি আরবে ম্যাচ খেলার কথা ছিল।

তেহরান থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, “যেসব দেশে ইরানি খেলোয়াড় ও দলীয় সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয় এবং যেগুলোকে শত্রুভাবাপন্ন হিসেবে ধরা হয়, সেখানে জাতীয় ও ক্লাব দলের উপস্থিতি পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিষিদ্ধ থাকবে।”

এই নিষেধাজ্ঞার সরাসরি প্রভাব পড়েছে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নস লিগের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে। এপ্রিল মাসে সৌদি আরবে দুবাইয়ের শাবাব আল আহলির বিপক্ষে ট্রাক্টর সাঝির শেষ ১৬’র ম্যাচটি এখন অনিশ্চয়তার মুখে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত পরিস্থিতি পুরো অঞ্চলের ক্রীড়াঙ্গনে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে। ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ড্রোন আক্রমণ ও বিস্ফোরণের শঙ্কায় প্রায় প্রতিটি দেশই নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এরই মধ্যে স্থগিত হওয়া পশ্চিমাঞ্চল প্লে-অফ ম্যাচগুলো ১৩-১৪ এপ্রিল জেদ্দায় পুনঃনির্ধারণ করেছে এশিয়ান ফুটবল কর্তৃপক্ষ। একই শহরে ১৬ থেকে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল ও ফাইনাল আয়োজনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

ইরানের ক্রীড়া মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ফুটবল ফেডারেশন ও সংশ্লিষ্ট ক্লাবগুলোকে এ বিষয়ে এশিয়ান ফুটবল কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে ম্যাচের ভেন্যু পরিবর্তনের উদ্যোগ নিতে হবে।

অন্যদিকে, বিশ্বকাপ ঘিরেও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। আগামী ১১ জুন শুরু হতে যাওয়া আসরের ম্যাচগুলো যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও, যুক্তরাষ্ট্রে খেলতে অনীহা প্রকাশ করেছে ইরান। নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে নিজেদের গ্রুপপর্বের ম্যাচগুলো মেক্সিকোয় সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন মেক্সিকোতে নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূত।

তবে আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো স্পষ্ট করেছেন, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ীই বিশ্বকাপ আয়োজন করতে চায় তারা। ফলে ইরানের সেই প্রস্তাব বাস্তবায়ন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
ইরান সরকার ও ফুটবল সংশ্লিষ্টরা জানিয়ে দিয়েছেন, তারা বিশ্বকাপ বয়কট করতে চায় না। তবে ফেব্রুয়ারি ২৮ থেকে শুরু হওয়া সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে খেলা তাদের জন্য নিরাপদ নয় বলেই মনে করছে দেশটি।

সব মিলিয়ে, মাঠের বাইরের অস্থিরতা এখন সরাসরি প্রভাব ফেলছে ইরানের ক্রীড়াজগতে। সামনে বিশ্বকাপ, কিন্তু তার আগেই অনিশ্চয়তা আর নিরাপত্তা শঙ্কা ঘিরে ফেলেছে দলটিকে।