ঢাকা অফিস: আইএমএফ এবং ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের সাথে আলোচনা একটি চলমান প্রক্রিয়া। তাদের শর্তগুলো নিয়ে আলোচনা চলছে। আমাদের দেশের জনগণের ওপর যাতে চাপ সৃষ্টি না হয়, সেটা নিশ্চিত হয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে । আমরা এমন কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারবো না, যা আমাদের দেশের অর্থনীতির ওপর, ব্যবসায়ীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। আজ রবিবার(১৯ এপ্রিল) ঢাকায় অর্থ মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সাথে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আইএমএফ-ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের পাশাপাশি এডিবি, ন্যাশনাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার ব্যাংক ও অন্যান্য বহুপাক্ষিক সংস্থার সাথেও আলোচনা চলমান রয়েছে। আমরা ডেমোক্রেটিক ইলেক্টেড গভর্নমেন্ট। আমরা জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, জনগণের স্বার্থ সংরক্ষণের বাইরে গিয়ে আমরা কোনো কিছু করবো না।

মন্ত্রী আরো বলেন, ফ্যামিলি কার্ড বিষয়টি আইএমএফের কাছে ভালোভাবে গৃহীত হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ডের মতো ইনোভেটিভ নতুন একটা চিন্তা নিয়ে বাংলাদেশ সরকার জনগণের কাছে গিয়েছে, এজন্য তারা খুবই আনন্দিত ।

আমির খসরু মাহমুদ বলেন, আইএমএফ এর সাথে এই প্রোগ্রাম শুরু হয়েছে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়। এরপর অনির্বাচিত সরকারের অধীনে এই প্রোগ্রাম দেওয়া হয়েছে। এখানে অনেক ধরনের শর্ত দেওয়া আছে, এর মধ্যে অনেকগুলো শর্ত আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে। যে শর্তগুলো জনগণের স্বার্থ সংরক্ষণে বাধাগ্রস্ত হয়, সেই সিদ্ধান্ত সরকার নেবে না।

মন্ত্রী আরো বলেন, শুধু আমাদের দেশে নয়, সারা দুনিয়ায় তেলের দাম বেড়েছে। আমেরিকাতে দ্বিগুণ হয়ে গেছে, শ্রীলংকায় ২৫ শতাংশ বেড়েছে। আমরা যতটুকু বাড়িয়েছি এটা বাড়াতে হয়েছে শুধু আমাদের তহবিলের ওপর চাপ আসার কারণে। বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থের কথা মাথায় রেখে আমাদেরকে সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। তেলের দাম বাড়ানোর সাথে আইএমএফ এর কোনো সম্পর্ক নেই।

ঢাকা অফিস: আইএমএফ এবং ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের সাথে আলোচনা একটি চলমান প্রক্রিয়া। তাদের শর্তগুলো নিয়ে আলোচনা চলছে। আমাদের দেশের জনগণের ওপর যাতে চাপ সৃষ্টি না হয়, সেটা নিশ্চিত হয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে । আমরা এমন কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারবো না, যা আমাদের দেশের অর্থনীতির ওপর, ব্যবসায়ীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। আজ রবিবার(১৯ এপ্রিল) ঢাকায় অর্থ মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সাথে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আইএমএফ-ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের পাশাপাশি এডিবি, ন্যাশনাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার ব্যাংক ও অন্যান্য বহুপাক্ষিক সংস্থার সাথেও আলোচনা চলমান রয়েছে। আমরা ডেমোক্রেটিক ইলেক্টেড গভর্নমেন্ট। আমরা জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, জনগণের স্বার্থ সংরক্ষণের বাইরে গিয়ে আমরা কোনো কিছু করবো না।

মন্ত্রী আরো বলেন, ফ্যামিলি কার্ড বিষয়টি আইএমএফের কাছে ভালোভাবে গৃহীত হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ডের মতো ইনোভেটিভ নতুন একটা চিন্তা নিয়ে বাংলাদেশ সরকার জনগণের কাছে গিয়েছে, এজন্য তারা খুবই আনন্দিত ।

আমির খসরু মাহমুদ বলেন, আইএমএফ এর সাথে এই প্রোগ্রাম শুরু হয়েছে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়। এরপর অনির্বাচিত সরকারের অধীনে এই প্রোগ্রাম দেওয়া হয়েছে। এখানে অনেক ধরনের শর্ত দেওয়া আছে, এর মধ্যে অনেকগুলো শর্ত আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে। যে শর্তগুলো জনগণের স্বার্থ সংরক্ষণে বাধাগ্রস্ত হয়, সেই সিদ্ধান্ত সরকার নেবে না।

মন্ত্রী আরো বলেন, শুধু আমাদের দেশে নয়, সারা দুনিয়ায় তেলের দাম বেড়েছে। আমেরিকাতে দ্বিগুণ হয়ে গেছে, শ্রীলংকায় ২৫ শতাংশ বেড়েছে। আমরা যতটুকু বাড়িয়েছি এটা বাড়াতে হয়েছে শুধু আমাদের তহবিলের ওপর চাপ আসার কারণে। বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থের কথা মাথায় রেখে আমাদেরকে সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। তেলের দাম বাড়ানোর সাথে আইএমএফ এর কোনো সম্পর্ক নেই।