নগর প্রতিবেদক: মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪২ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আজ শুক্রবার (০২ জুন)সকালে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগের উদ্যোগে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এএম নাজিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী শেখ নুরুল্লাহ বাহারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইচ চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল্লাহ আল নোমান।

তিনি বলেন, মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম তিনি একজন রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক- এতে কোনো সন্দেহ নেই। তিনি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছেন। দেশ স্বাধীন না হলে মার্শাল ’ল আইনে তার বিচার হতো। এমনকি ফাঁকির কাঠগড়ায় তাকে দাঁড়াতে হতো। এভাবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তিনি দিশেহারা জাতিকে আলোর পথ দেখিয়েছেন। ফিরিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশ নামক একটি স্বাধীন ভূখন্ডকে।

তিনি আরো বলেন, আজকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি এই মহান নেতাকে। উনার আদর্শ বুকে লালিত করে দেশের কল্যাণে কাজ করে যেতে সবাইকে একত্রীভূত হতে হবে। গণতন্ত্র মুক্তি ও স্বাধীনতার রক্ষা ও ভোটাধিকার প্রয়োগের যে আন্দোলন চলছে তা বেগবান করে, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে সাধারণ মানুষের কাছে ফিরিয়ে আনতে হবে। তার সাথে সাথে আজকে যিনি নেতৃত্ব দিচ্ছেন গণতন্ত্র মুক্তির আন্দোলন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দেশী বিদেশে ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে তিনি আজ দেশান্তর হয়ে আছেন। আমরা সকলে উনার নেতৃত্বে গণতন্ত্র মুক্তির আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আহ্বান জানান।

বিএনপির ভাইচ চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র রক্ষা, ভোটাধিকার, মানবাধিকার, বিদেশে যে স্যাংশেন ভিসা নীতি জারি করেছে গণতন্ত্রের জন্য সহায়ক হলেও তা অত্যন্ত লজ্জাকর। কারণ আমরা স্বাধীনতার ৫২ বছর পরেও নিজেদের গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করতে হয় এবং বিদেশের মানুষ তার সহায়ক হিসেবে এগিয়ে আসে। যা আওয়ামী লীগ সরকারের হচ্ছে – এতে কোন সন্দেহ নেই।

বিশেষ অতিথি বিএনপির ভাইচ চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন বলেন, চলমান গণতান্ত্রিক আন্দোলন শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শে বুকে ধারণ করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আমরা এগিয়ে যাবো। বর্তমান অবৈধ অগণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার কারণে মানুষ দুরাবস্থার দিনযাপন করছে, শ্রমিকরা বেকার হয়ে যাচ্ছেন।

তিনি বলেন, দেশে একটি দুর্ভিক্ষের আলামত সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিটি স্বাধারণ মানুষ মেহনতি শ্রমজীবী মানুষ না খেয়ে বা অর্ধাহারে দিনযাপন করছে। এর থেকে মুক্তি পেতে হলে গণতন্ত্র পুর্ণদ্ধারের জন্য দলমত নির্বিশেষে সবাইকে স্বৈরচারী সরকারের বিরুদ্ধে একসাথে রাজপথে নেমে আসতে হবে। যা ইতিমধ্যে লক্ষ করছি- সরকারী দলের অপকর্মকারীরা পালাতে পথ খুঁজছে। আশা করি অচিরেই দুর্নীতি সরকার পালিয়ে যাবে।

বিশেষ অতিথি মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, শহীদ জিয়ার মতো বাংলাদেশে এ পর্যন্ত দ্বিতীয় কোন নেতা দেশের অভ্যন্তরীন ও বৈশ্বিক রিজার্ভ বাড়াতে ও ভবিষ্যৎ নিয়ে দেশের কল্যাণে কোন অবদান রাখতে পারেননি। যার উপর ভর করে আজকে দেশ দাঁড়িয়ে আছে। গণতান্ত্রিক চলমান শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে বানচাল করার জন্য নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে আরেকটি অপকৌশল শুরু করেছে। এ মুহূর্তে দেশের মানুষ জেগে উঠেছে স্বৈরাচার হাসিনার বিরুদ্ধে। দুর্বার গণআন্দোলনের মাধ্যমে পতন করবে এ সরকারকে। আর কোন অপকৌশল কাজে আসবে না।

প্রধান বক্তা বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আনোয়ার হোসেন বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শ্রমজীবি মানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। যার কারণে বাংলাদেশ প্রতিটি শ্রমিক প্রতিটি মুহুর্তে তাকে স্মরণ করে। আজকে আওয়ামী দু:শাসক হাসিনার সরকার শ্রমিকদের বিরুদ্ধে অত্যাবশ্যক কালো আইন তৈরি করছে। যার কারণে শ্রমিকেরা আর কোন দাবি দাওয়া নিয়ে আলোচনা করতে পারবে না। এই কালো আইনের বিরুদ্ধে সকল শ্রমিকদেরকে ঐক্যবদ্ধ গণ আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান। যে আন্দোলনে এই সরকার এই কালো আইন করা থেকে সরে আসতে বাধ্য হবে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব আবু সুফিয়ান, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর আলম, এম এ সবুর, এস কে খোদা তোতন, আনোয়ার হোসেন লিপু।

শ্রমিকবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক স. ম জামাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ইদ্রিস মিয়া, সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম চেয়ারম্যান, শাহনেওয়াজ চৌধুরী, মোতালেব চৌধুরী, মো. নজরুল ইসলাম, হুমায়ুন কবির, আব্দুর রাজ্জাক, মো. আজম উদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ হারুন, মো. নাছির উদ্দিন, নিজাম উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক সফিকুর রহমান মজুমদার, প্রচার সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক, দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক এডভোকেট ইকবাল হোসেন, যুব বিষয়ক সম্পাদক হাসিবুর রহমান বিপ্লব, মহিলা সম্পাদিকা জান্নাতুল ফেরদৌস বিথী, আব্দুল হান্নান ভূইয়া, কবির হোসেন, দক্ষিণ জেলা সাধারণ সম্পাদক ডাক্তার মহসিন খান তরুন, আজিজুদ্দিন মিন্টু, মোহাম্মদ রবিউল হোসেন, মোহাম্মদ দেলোয়ার, আতিকুর রহমান, নুর আলম সুজন, মোহাম্মদ আবুহেনা, আব্দুল মন্নান, মো: রফিক, মো. সিদ্দিক, আব্দুল খালেক, মোঃ রাসেল, ছাইদুল হক ছাদু, আব্দুল হান্নান প্রমুখ।

সভা শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলোয়াত করেন শ্রমিক নেতা মাওলানা রেজাউল হক মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদর রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করে আরাফাত রহমান কোকো ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কারা মুক্তি ও তারেক রহমানের সু-স্বাস্থ্য কামনা করে মুসলিম উম্মার জন্য দোয়া করেন।

নগর প্রতিবেদক: মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪২ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আজ শুক্রবার (০২ জুন)সকালে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগের উদ্যোগে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এএম নাজিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী শেখ নুরুল্লাহ বাহারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইচ চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল্লাহ আল নোমান।

তিনি বলেন, মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম তিনি একজন রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক- এতে কোনো সন্দেহ নেই। তিনি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছেন। দেশ স্বাধীন না হলে মার্শাল ’ল আইনে তার বিচার হতো। এমনকি ফাঁকির কাঠগড়ায় তাকে দাঁড়াতে হতো। এভাবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তিনি দিশেহারা জাতিকে আলোর পথ দেখিয়েছেন। ফিরিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশ নামক একটি স্বাধীন ভূখন্ডকে।

তিনি আরো বলেন, আজকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি এই মহান নেতাকে। উনার আদর্শ বুকে লালিত করে দেশের কল্যাণে কাজ করে যেতে সবাইকে একত্রীভূত হতে হবে। গণতন্ত্র মুক্তি ও স্বাধীনতার রক্ষা ও ভোটাধিকার প্রয়োগের যে আন্দোলন চলছে তা বেগবান করে, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে সাধারণ মানুষের কাছে ফিরিয়ে আনতে হবে। তার সাথে সাথে আজকে যিনি নেতৃত্ব দিচ্ছেন গণতন্ত্র মুক্তির আন্দোলন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দেশী বিদেশে ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে তিনি আজ দেশান্তর হয়ে আছেন। আমরা সকলে উনার নেতৃত্বে গণতন্ত্র মুক্তির আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আহ্বান জানান।

বিএনপির ভাইচ চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র রক্ষা, ভোটাধিকার, মানবাধিকার, বিদেশে যে স্যাংশেন ভিসা নীতি জারি করেছে গণতন্ত্রের জন্য সহায়ক হলেও তা অত্যন্ত লজ্জাকর। কারণ আমরা স্বাধীনতার ৫২ বছর পরেও নিজেদের গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করতে হয় এবং বিদেশের মানুষ তার সহায়ক হিসেবে এগিয়ে আসে। যা আওয়ামী লীগ সরকারের হচ্ছে – এতে কোন সন্দেহ নেই।

বিশেষ অতিথি বিএনপির ভাইচ চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন বলেন, চলমান গণতান্ত্রিক আন্দোলন শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শে বুকে ধারণ করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আমরা এগিয়ে যাবো। বর্তমান অবৈধ অগণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার কারণে মানুষ দুরাবস্থার দিনযাপন করছে, শ্রমিকরা বেকার হয়ে যাচ্ছেন।

তিনি বলেন, দেশে একটি দুর্ভিক্ষের আলামত সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিটি স্বাধারণ মানুষ মেহনতি শ্রমজীবী মানুষ না খেয়ে বা অর্ধাহারে দিনযাপন করছে। এর থেকে মুক্তি পেতে হলে গণতন্ত্র পুর্ণদ্ধারের জন্য দলমত নির্বিশেষে সবাইকে স্বৈরচারী সরকারের বিরুদ্ধে একসাথে রাজপথে নেমে আসতে হবে। যা ইতিমধ্যে লক্ষ করছি- সরকারী দলের অপকর্মকারীরা পালাতে পথ খুঁজছে। আশা করি অচিরেই দুর্নীতি সরকার পালিয়ে যাবে।

বিশেষ অতিথি মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, শহীদ জিয়ার মতো বাংলাদেশে এ পর্যন্ত দ্বিতীয় কোন নেতা দেশের অভ্যন্তরীন ও বৈশ্বিক রিজার্ভ বাড়াতে ও ভবিষ্যৎ নিয়ে দেশের কল্যাণে কোন অবদান রাখতে পারেননি। যার উপর ভর করে আজকে দেশ দাঁড়িয়ে আছে। গণতান্ত্রিক চলমান শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে বানচাল করার জন্য নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে আরেকটি অপকৌশল শুরু করেছে। এ মুহূর্তে দেশের মানুষ জেগে উঠেছে স্বৈরাচার হাসিনার বিরুদ্ধে। দুর্বার গণআন্দোলনের মাধ্যমে পতন করবে এ সরকারকে। আর কোন অপকৌশল কাজে আসবে না।

প্রধান বক্তা বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আনোয়ার হোসেন বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শ্রমজীবি মানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। যার কারণে বাংলাদেশ প্রতিটি শ্রমিক প্রতিটি মুহুর্তে তাকে স্মরণ করে। আজকে আওয়ামী দু:শাসক হাসিনার সরকার শ্রমিকদের বিরুদ্ধে অত্যাবশ্যক কালো আইন তৈরি করছে। যার কারণে শ্রমিকেরা আর কোন দাবি দাওয়া নিয়ে আলোচনা করতে পারবে না। এই কালো আইনের বিরুদ্ধে সকল শ্রমিকদেরকে ঐক্যবদ্ধ গণ আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান। যে আন্দোলনে এই সরকার এই কালো আইন করা থেকে সরে আসতে বাধ্য হবে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব আবু সুফিয়ান, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর আলম, এম এ সবুর, এস কে খোদা তোতন, আনোয়ার হোসেন লিপু।

শ্রমিকবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক স. ম জামাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ইদ্রিস মিয়া, সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম চেয়ারম্যান, শাহনেওয়াজ চৌধুরী, মোতালেব চৌধুরী, মো. নজরুল ইসলাম, হুমায়ুন কবির, আব্দুর রাজ্জাক, মো. আজম উদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ হারুন, মো. নাছির উদ্দিন, নিজাম উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক সফিকুর রহমান মজুমদার, প্রচার সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক, দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক এডভোকেট ইকবাল হোসেন, যুব বিষয়ক সম্পাদক হাসিবুর রহমান বিপ্লব, মহিলা সম্পাদিকা জান্নাতুল ফেরদৌস বিথী, আব্দুল হান্নান ভূইয়া, কবির হোসেন, দক্ষিণ জেলা সাধারণ সম্পাদক ডাক্তার মহসিন খান তরুন, আজিজুদ্দিন মিন্টু, মোহাম্মদ রবিউল হোসেন, মোহাম্মদ দেলোয়ার, আতিকুর রহমান, নুর আলম সুজন, মোহাম্মদ আবুহেনা, আব্দুল মন্নান, মো: রফিক, মো. সিদ্দিক, আব্দুল খালেক, মোঃ রাসেল, ছাইদুল হক ছাদু, আব্দুল হান্নান প্রমুখ।

সভা শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলোয়াত করেন শ্রমিক নেতা মাওলানা রেজাউল হক মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদর রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করে আরাফাত রহমান কোকো ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কারা মুক্তি ও তারেক রহমানের সু-স্বাস্থ্য কামনা করে মুসলিম উম্মার জন্য দোয়া করেন।