নিজস্ব প্রতিবেদক: মেয়াদোত্তীর্ণ দই দিয়ে লাচ্ছি তৈরি, ডিপ ফ্রিজে কাঁচা মাংসের সাথে রান্না করা খাবার সংরক্ষণ ও পণ্যেও গায়ে ডাবল স্টিকার লাগিয়ে ফিরনি করার দায়ে নগরের জামালখান এলাকার সাদিয়া’স কিচেন নামক একটি প্রতিষ্টানকে ৩৪ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। একই অভিযানে মেয়াদোর্ত্তীণ-অননুমোধিত ওষুধ ও স্যাম্পল বিক্রির দায়ে আরো তিন ফার্মেসীকে ৩২ হাজার জরিমানা করেছে। বুধবার (০৭ ডিসেম্বর) সকালে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা আদায় করা হয়। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন জেলা কার্যালয়ের সহকারী প‌রিচালক নাসরিন আক্তার।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ভোক্তা অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আনিছুর রহমান বলেন, ‘জামালখান এলাকার সাদিয়া’স কিচেনকে ডিপ ফ্রিজে কাঁচা মাছ-মাংসের সঙ্গে রান্না করা খাবার খোলা অবস্থায় সংরক্ষণ করা, ডিপ ফ্রিজে সংরক্ষিত মেয়াদোত্তীর্ণ দই দিয়ে লাচ্ছি বানানো ও বিভিন্ন পণ্যের গায়ে ডাবল স্টিকার পাওয়ায় ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া ডাবল স্টিকার লাগিয়ে মেয়াদোত্তীর্ণ ফিরনি বিক্রি করায় আরও ৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একইসঙ্গে মেয়াদোত্তীর্ণ-অননুমোদিত ওষুধ ও ফিজিশিয়ান স্যাম্পল বিক্রির জন্য সংরক্ষণ করায় শিবলী ফার্মেসিকে ২০ হাজার টাকা, জামালখান ফার্মেসিকে ১০ হাজার টাকা ও মেমোরি ফার্মেসিকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশের স্বার্থে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

নিজস্ব প্রতিবেদক: মেয়াদোত্তীর্ণ দই দিয়ে লাচ্ছি তৈরি, ডিপ ফ্রিজে কাঁচা মাংসের সাথে রান্না করা খাবার সংরক্ষণ ও পণ্যেও গায়ে ডাবল স্টিকার লাগিয়ে ফিরনি করার দায়ে নগরের জামালখান এলাকার সাদিয়া’স কিচেন নামক একটি প্রতিষ্টানকে ৩৪ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। একই অভিযানে মেয়াদোর্ত্তীণ-অননুমোধিত ওষুধ ও স্যাম্পল বিক্রির দায়ে আরো তিন ফার্মেসীকে ৩২ হাজার জরিমানা করেছে। বুধবার (০৭ ডিসেম্বর) সকালে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা আদায় করা হয়। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন জেলা কার্যালয়ের সহকারী প‌রিচালক নাসরিন আক্তার।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ভোক্তা অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আনিছুর রহমান বলেন, ‘জামালখান এলাকার সাদিয়া’স কিচেনকে ডিপ ফ্রিজে কাঁচা মাছ-মাংসের সঙ্গে রান্না করা খাবার খোলা অবস্থায় সংরক্ষণ করা, ডিপ ফ্রিজে সংরক্ষিত মেয়াদোত্তীর্ণ দই দিয়ে লাচ্ছি বানানো ও বিভিন্ন পণ্যের গায়ে ডাবল স্টিকার পাওয়ায় ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া ডাবল স্টিকার লাগিয়ে মেয়াদোত্তীর্ণ ফিরনি বিক্রি করায় আরও ৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একইসঙ্গে মেয়াদোত্তীর্ণ-অননুমোদিত ওষুধ ও ফিজিশিয়ান স্যাম্পল বিক্রির জন্য সংরক্ষণ করায় শিবলী ফার্মেসিকে ২০ হাজার টাকা, জামালখান ফার্মেসিকে ১০ হাজার টাকা ও মেমোরি ফার্মেসিকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশের স্বার্থে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’