আন্তর্জাতিক ডেস্ক: দক্ষিণ ইরানে শিয়াদের পবিত্র মাজারে বন্দুক হামলার দায় স্বীকার করেছে ইসলামিক স্টেট। এই হামলায় বুধবার (২৬ অক্টোবর) কমপক্ষে ১৫ জন নিহত এবং ৪০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন। দেশটির প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি এই হামলার কঠোর জবাব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

স্থানীয় খবর অনুযায়ী, সন্ধ্যায় ৩ জন সশস্ত্র লোক এই হামলা করে। এনফোর্সমেন্ট এজেন্সি দুই সন্ত্রাসীকে আটক করেছে এবং তৃতীয় জনের খোঁজে তল্লাশি চলছে। হামলাকারীরা ইরানি নাগরিক নয়।

হামলার নিন্দা জানিয়ে ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি হামলার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর জবাব দেওয়ার অঙ্গীকার দিয়েছেন। রাইসি জানান, ইরানের শত্রুরা জাতির ঐক্যবদ্ধে বিভেদ সৃষ্টি করতে ব্যর্থ হওয়ার পর সহিংসতা ও সন্ত্রাসের মাধ্যমে প্রতিশোধ নেয়ার চেষ্টা করছে। এই হামলার অবশ্যই কঠোর জবাব দেওয়া হবে। নিরাপত্তা ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো যারা হামলার পরিকল্পনা করেছিল, তাদের কঠিন শিক্ষা দেওয়া হবে।

বুধবারের হামলা এমন এক সময়ে হলো যখন ২৩ বছর বয়সী মাহশা আমিনির হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনায় ইরানে রাস্তায় বিক্ষোভ চলছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, ২০০ জনেরও বেশি বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন এবং হাজারো বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: দক্ষিণ ইরানে শিয়াদের পবিত্র মাজারে বন্দুক হামলার দায় স্বীকার করেছে ইসলামিক স্টেট। এই হামলায় বুধবার (২৬ অক্টোবর) কমপক্ষে ১৫ জন নিহত এবং ৪০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন। দেশটির প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি এই হামলার কঠোর জবাব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

স্থানীয় খবর অনুযায়ী, সন্ধ্যায় ৩ জন সশস্ত্র লোক এই হামলা করে। এনফোর্সমেন্ট এজেন্সি দুই সন্ত্রাসীকে আটক করেছে এবং তৃতীয় জনের খোঁজে তল্লাশি চলছে। হামলাকারীরা ইরানি নাগরিক নয়।

হামলার নিন্দা জানিয়ে ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি হামলার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর জবাব দেওয়ার অঙ্গীকার দিয়েছেন। রাইসি জানান, ইরানের শত্রুরা জাতির ঐক্যবদ্ধে বিভেদ সৃষ্টি করতে ব্যর্থ হওয়ার পর সহিংসতা ও সন্ত্রাসের মাধ্যমে প্রতিশোধ নেয়ার চেষ্টা করছে। এই হামলার অবশ্যই কঠোর জবাব দেওয়া হবে। নিরাপত্তা ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো যারা হামলার পরিকল্পনা করেছিল, তাদের কঠিন শিক্ষা দেওয়া হবে।

বুধবারের হামলা এমন এক সময়ে হলো যখন ২৩ বছর বয়সী মাহশা আমিনির হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনায় ইরানে রাস্তায় বিক্ষোভ চলছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, ২০০ জনেরও বেশি বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন এবং হাজারো বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।