দি ক্রাইম ডেস্ক: চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়কে লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের জাঙ্গালিয়াসহ ৯ স্থানে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকে টাঙানো হয়েছে লাল পতাকা। ঈদযাত্রায় সতর্কবার্তা হিসেবে এই পতাকাগুলো টাঙানো হয়েছে। গতকাল সোমবার সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ) এবং গত রোববার বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) পৃথকভাবে সতর্কতামূলক পতাকাগুলো টাঙিয়েছে।

জানা যায়, চুনতি ইউনিয়নের দুর্ঘটনার হটস্পট নামে খ্যাত জাঙ্গালিয়া এলাকায় গত বছর ঈদের দিন থেকে ৪৮ ঘণ্টার ব্যবধানে একইস্থানে পৃথক তিনটি দুর্ঘটনায় নারী–শিশুসহ ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরপর যানবাহনের গতিরোধে জাঙ্গালিয়া ও হাজি রাস্তা মাথায় এলাকায় রাম্বল স্ট্রিপ বসানো হয়েছিল। ইট দিয়ে প্রশস্ত করা হয়েছিল মূল সড়কের দুই পাশে। কিন্তু বর্ষায় বৃষ্টিতে রাম্বল স্ট্রিপের সিংহভাগ বিলীন হয়ে গেছে। যা পুনরায় সংস্কার করা হয়নি। এছাড়া দেবে গিয়েছিল জাঙ্গালিয়া এলাকায় মূল সড়কের দুই পাশে প্রশস্ত করার জন্য বসানো ইটগুলো। তাড়াহুড়ো করে নিম্নমানের কাজ করায় এমনটি হয়েছে বলে এলাকার সচেতন মহলের দাবি।

বিআরটিএর তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়কে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকগুলোর মধ্যে রয়েছে লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য সংলগ্ন বাঁক, জাঙ্গালিয়া বাঁক, চুনতি বাজারের আগের বাঁক, চুনতি বাজারের পরের বাঁক, চুনতি ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন বাঁক, আমিরাবাদ রাজঘাটা এলাকার বাঁক, সাতকানিয়ার মিঠাদিঘী সংলগ্ন বাঁক, চন্দনাইশ খানহাট পুকুর সংলগ্ন বাঁক ও পটিয়ার পাইরুল নিমতলা মাজার সংলগ্ন বাঁক। আসন্ন ঈদুল ফিতরে চট্টগ্রাম–কঙবাজার মহাসড়কে দুর্ঘটনা রোধে বিআরটিএ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উদ্যোগে এসব বাঁকে লাল পতাকা টাঙানো হয়েছে।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ সড়ক ও জনপথ (সওজ) অফিস সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম–কঙবাজার মহাসড়কে দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা জাঙ্গালিয়ায় ৯০০ মিটার ৪ লেনে উন্নীত ও মাঝখানে ডিভাইডার দেয়া হবে। এছাড়া সাতকানিয়া রাস্তার মাথা এলাকা থেকে জাঙ্গালিয়ার আগে পর্যন্ত মহাসড়কে উভয় পাশে ৫ ফুট করে প্রশস্ত করা হবে। উক্ত প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। এছাড়া ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনা রোধে নানা উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

গতকাল দুপুরে জাঙ্গালিয়া এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের দুই পাশে দুই ধরনের অনেক লাল পতাকা টাঙানো হয়েছে। কিছু লাল পতাকায় লেখা আছে ‘সাবধান অতি ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক, বিআরটিএ, চট্টগ্রাম’। আর কিছু লাল পতাকায় কোনো কিছু লেখা নেই। সেগুলো সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের (সওজ) পক্ষ থেকে টাঙানো হয়েছে। নতুন করে রং করা হয়েছে প্রায় বিলীন হয়ে যাওয়া রাম্বল স্ট্রিপগুলো। মূল সড়কের দুই পাশে ইট দিয়ে প্রশস্ত করার স্থান দেবে যাওয়ায় এখন আরো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এছাড়া অতি ঝুঁকিপূর্ণ এই বাঁকে বেপরোয়া গতিতে যানবাহন চলাচল এবং ওভারটেক করতে দেখা গেছে।

চট্টগ্রাম–কঙবাজার সহাসড়কে দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অপ্রশস্ত সড়ক, বিপদজনক বাঁক, বেপরোয়া গতি, ওভারটেকিং, অপ্রশিক্ষিত চালক, লবণ পানিতে মহাসড়ক পিচ্ছিল হওয়া, গাড়ির এলইডি হেডলাইটের আলো, মহাসড়কে নিষিদ্ধ ছোট যানবাহন চলাচল, ধারণ ক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত ওজন নিয়ে চলাচল ও সড়কে দুপাশে অসমান অংশসহ কয়েকটি কারণে এ সড়কে দুর্ঘটনা ঘটছে বেশি। বিশেষ করে মধ্যরাত ও ভোরের দিকে বেশি দুর্ঘটনা ঘটে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পর্যটন নগরী কঙবাজার যান পর্যটকরা। দূর–দূরান্ত থেকে আসা চালকদের এই সড়কের ব্যাপারে অভিজ্ঞতা না থাকাও দুর্ঘটনার অন্যতম একটি কারণ।

নিরাপদ সড়ক চাই লোহাগাড়া শাখার সাবেক সভাপতি মোজাহিদ হোসাইন সাগর জানান, চট্টগ্রাম–কঙবাজার মহাসড়ক ৪ বা ৬ লেনে উন্নীত করা ও অসংখ্য বাঁক সোজা করার জন্য দীর্ঘদিন থেকে দাবি জানিয়ে আসছি আমরা। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তা আমলে নিচ্ছে না। যার ফলে প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানী ও হতাহতের ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে দূর দূরান্ত থেকে আসা চালকদের এ সড়কের ব্যাপারে অভিজ্ঞতা না থাকায় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। চট্টগ্রাম–কঙবাজার প্রশস্ত না করা পর্যন্ত সড়ক দুর্ঘটনা থামার সম্ভাবনা নেই।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) উপ–সহকারী প্রকৌশলী মো. শহিদুল আলম জানান, ঈদ যাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চালকদের সতর্কতার জন্য অতি ঝুঁকিপূর্ণ জাঙ্গালিয়া এলাকায় মহাসড়কের দুই পাশে লাল পতাকা টাঙানো হয়েছে। টাঙানো হবে আরো লাল পতাকা। মহাড়কের দুই পাশে, মাঝখানে ও রাম্বল স্ট্রিপগুলোতে নতুনভাবে রং করা হয়েছে। এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকের উভয় পাশে থাকা ঝোপঝাঁড় পরিষ্কার করে দেয়া হচ্ছে। ঈদযাত্রাসহ সবসময় মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনা রোধে কাজ করে যাচ্ছি।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের চট্টগ্রাম জেলা সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) উথুয়াইনু চৌধুরী গণমাধ্যমকে জানান, ঈদকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়লে এই মহাসড়কে যানবাহনের চলাচল কয়েকগুণ বৃদ্ধি পায়। যার কারণে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকগুলোতে লাল পতাকা স্থাপন করা হয়েছে, যাতে চালকেরা আগেভাগেই সতর্ক হতে পারেন। এই উদ্যোগ সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে সহায়ক হবে। পাশাপাশি শুধু লাল পতাকা স্থাপনেই সীমাবদ্ধ না থেকে ঈদযাত্রাকে নিরাপদ করতে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে সচেতনতামূলক কার্যক্রমও পরিচালনা করা হবে।

দি ক্রাইম ডেস্ক: চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়কে লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের জাঙ্গালিয়াসহ ৯ স্থানে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকে টাঙানো হয়েছে লাল পতাকা। ঈদযাত্রায় সতর্কবার্তা হিসেবে এই পতাকাগুলো টাঙানো হয়েছে। গতকাল সোমবার সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ) এবং গত রোববার বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) পৃথকভাবে সতর্কতামূলক পতাকাগুলো টাঙিয়েছে।

জানা যায়, চুনতি ইউনিয়নের দুর্ঘটনার হটস্পট নামে খ্যাত জাঙ্গালিয়া এলাকায় গত বছর ঈদের দিন থেকে ৪৮ ঘণ্টার ব্যবধানে একইস্থানে পৃথক তিনটি দুর্ঘটনায় নারী–শিশুসহ ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরপর যানবাহনের গতিরোধে জাঙ্গালিয়া ও হাজি রাস্তা মাথায় এলাকায় রাম্বল স্ট্রিপ বসানো হয়েছিল। ইট দিয়ে প্রশস্ত করা হয়েছিল মূল সড়কের দুই পাশে। কিন্তু বর্ষায় বৃষ্টিতে রাম্বল স্ট্রিপের সিংহভাগ বিলীন হয়ে গেছে। যা পুনরায় সংস্কার করা হয়নি। এছাড়া দেবে গিয়েছিল জাঙ্গালিয়া এলাকায় মূল সড়কের দুই পাশে প্রশস্ত করার জন্য বসানো ইটগুলো। তাড়াহুড়ো করে নিম্নমানের কাজ করায় এমনটি হয়েছে বলে এলাকার সচেতন মহলের দাবি।

বিআরটিএর তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়কে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকগুলোর মধ্যে রয়েছে লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য সংলগ্ন বাঁক, জাঙ্গালিয়া বাঁক, চুনতি বাজারের আগের বাঁক, চুনতি বাজারের পরের বাঁক, চুনতি ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন বাঁক, আমিরাবাদ রাজঘাটা এলাকার বাঁক, সাতকানিয়ার মিঠাদিঘী সংলগ্ন বাঁক, চন্দনাইশ খানহাট পুকুর সংলগ্ন বাঁক ও পটিয়ার পাইরুল নিমতলা মাজার সংলগ্ন বাঁক। আসন্ন ঈদুল ফিতরে চট্টগ্রাম–কঙবাজার মহাসড়কে দুর্ঘটনা রোধে বিআরটিএ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উদ্যোগে এসব বাঁকে লাল পতাকা টাঙানো হয়েছে।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ সড়ক ও জনপথ (সওজ) অফিস সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম–কঙবাজার মহাসড়কে দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা জাঙ্গালিয়ায় ৯০০ মিটার ৪ লেনে উন্নীত ও মাঝখানে ডিভাইডার দেয়া হবে। এছাড়া সাতকানিয়া রাস্তার মাথা এলাকা থেকে জাঙ্গালিয়ার আগে পর্যন্ত মহাসড়কে উভয় পাশে ৫ ফুট করে প্রশস্ত করা হবে। উক্ত প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। এছাড়া ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনা রোধে নানা উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

গতকাল দুপুরে জাঙ্গালিয়া এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের দুই পাশে দুই ধরনের অনেক লাল পতাকা টাঙানো হয়েছে। কিছু লাল পতাকায় লেখা আছে ‘সাবধান অতি ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক, বিআরটিএ, চট্টগ্রাম’। আর কিছু লাল পতাকায় কোনো কিছু লেখা নেই। সেগুলো সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের (সওজ) পক্ষ থেকে টাঙানো হয়েছে। নতুন করে রং করা হয়েছে প্রায় বিলীন হয়ে যাওয়া রাম্বল স্ট্রিপগুলো। মূল সড়কের দুই পাশে ইট দিয়ে প্রশস্ত করার স্থান দেবে যাওয়ায় এখন আরো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এছাড়া অতি ঝুঁকিপূর্ণ এই বাঁকে বেপরোয়া গতিতে যানবাহন চলাচল এবং ওভারটেক করতে দেখা গেছে।

চট্টগ্রাম–কঙবাজার সহাসড়কে দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অপ্রশস্ত সড়ক, বিপদজনক বাঁক, বেপরোয়া গতি, ওভারটেকিং, অপ্রশিক্ষিত চালক, লবণ পানিতে মহাসড়ক পিচ্ছিল হওয়া, গাড়ির এলইডি হেডলাইটের আলো, মহাসড়কে নিষিদ্ধ ছোট যানবাহন চলাচল, ধারণ ক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত ওজন নিয়ে চলাচল ও সড়কে দুপাশে অসমান অংশসহ কয়েকটি কারণে এ সড়কে দুর্ঘটনা ঘটছে বেশি। বিশেষ করে মধ্যরাত ও ভোরের দিকে বেশি দুর্ঘটনা ঘটে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পর্যটন নগরী কঙবাজার যান পর্যটকরা। দূর–দূরান্ত থেকে আসা চালকদের এই সড়কের ব্যাপারে অভিজ্ঞতা না থাকাও দুর্ঘটনার অন্যতম একটি কারণ।

নিরাপদ সড়ক চাই লোহাগাড়া শাখার সাবেক সভাপতি মোজাহিদ হোসাইন সাগর জানান, চট্টগ্রাম–কঙবাজার মহাসড়ক ৪ বা ৬ লেনে উন্নীত করা ও অসংখ্য বাঁক সোজা করার জন্য দীর্ঘদিন থেকে দাবি জানিয়ে আসছি আমরা। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তা আমলে নিচ্ছে না। যার ফলে প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানী ও হতাহতের ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে দূর দূরান্ত থেকে আসা চালকদের এ সড়কের ব্যাপারে অভিজ্ঞতা না থাকায় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। চট্টগ্রাম–কঙবাজার প্রশস্ত না করা পর্যন্ত সড়ক দুর্ঘটনা থামার সম্ভাবনা নেই।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) উপ–সহকারী প্রকৌশলী মো. শহিদুল আলম জানান, ঈদ যাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চালকদের সতর্কতার জন্য অতি ঝুঁকিপূর্ণ জাঙ্গালিয়া এলাকায় মহাসড়কের দুই পাশে লাল পতাকা টাঙানো হয়েছে। টাঙানো হবে আরো লাল পতাকা। মহাড়কের দুই পাশে, মাঝখানে ও রাম্বল স্ট্রিপগুলোতে নতুনভাবে রং করা হয়েছে। এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকের উভয় পাশে থাকা ঝোপঝাঁড় পরিষ্কার করে দেয়া হচ্ছে। ঈদযাত্রাসহ সবসময় মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনা রোধে কাজ করে যাচ্ছি।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের চট্টগ্রাম জেলা সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) উথুয়াইনু চৌধুরী গণমাধ্যমকে জানান, ঈদকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়লে এই মহাসড়কে যানবাহনের চলাচল কয়েকগুণ বৃদ্ধি পায়। যার কারণে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকগুলোতে লাল পতাকা স্থাপন করা হয়েছে, যাতে চালকেরা আগেভাগেই সতর্ক হতে পারেন। এই উদ্যোগ সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে সহায়ক হবে। পাশাপাশি শুধু লাল পতাকা স্থাপনেই সীমাবদ্ধ না থেকে ঈদযাত্রাকে নিরাপদ করতে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে সচেতনতামূলক কার্যক্রমও পরিচালনা করা হবে।