দি ক্রাইম ডেস্ক: মশার প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাওয়া নগরের ৯টি এলাকাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। এলাকাগুলো হচ্ছে চকবাজার, বাকলিয়া, বায়েজিদ, আগ্রাবাদ (আবাসিক থেকে মুহরী পাড়া পর্যন্ত), হালিশহর, মোগলটুলী, ফিরিঙ্গি বাজার, এনায়েত বাজার গোয়ালপাড়া ও কোতোয়ালী। বিশেষ টিম গঠন করে চিহ্নিত এলাকাগুলোতে মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করবে চসিক। এ তথ্য জানিয়েছেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

গতকাল শনিবার চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও এর আশপাশের এলাকায় ‘শনিবারের অঙ্গীকার, বাসাবাড়ি করি পরিষ্কার’ স্লোগানে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান উদ্বোধনকালে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করার বিষয়টি জানান মেয়র। চসিকের পরিচ্ছন্ন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চিহ্নিত এলাকাগুলোতে বিদ্যমান খাল, নালা–নর্দমা প্রথমে পরিষ্কার করা হবে। এরপর মশার ব্রিডিং জোনে মশার লার্ভা ধ্বংসে প্রযোগ করা হবে প্রাকৃতিকভাবে উৎপন্ন এক ধরনের ব্যাকটেরিয়াভিত্তিক লার্ভিসাইড ‘ব্যাসিলাল থুরিনজেনসিস ইসরায়েলেনসিস’ (বিটিআই)। এছাড়া প্রতি তিনদিন পর এলাকাগুলোতে পূর্ণাঙ্গ মশক নিধনে প্রয়োগ করা এডাল্টিসাইড। এ বিষয়ে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করেছি। সেখানে মশক নিধনে স্পেশাল টিম গঠন করেছি। এ টিমে ১৬০ জনের মত পরিচ্ছন্ন কর্মী আছে।

ডেঙ্গু–চিকুনগুনিয়া প্রায় শূন্যের কোটায়, দাবি মেয়রের : মশক নিধন কার্যক্রম উদ্বোধনকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ডা. শাহাদাত বলেন, লার্ভিসাইড (মশার লার্ভা ধ্বংসকারী কীটনাশক) দেওয়ার পরে ডেঙ্গু চিকুনগুনিয়া হয়নি। গত তিন–চার মাসের পরিসংখ্যান দেখলে দেখবেন, ডেঙ্গু–চিকুনগুনিয়া অনেকাংশে কমে গেছে, প্রায় শূন্যের কোটায়, আমরা এটা চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলতে পারি। এখন কিউলেঙ মশার বিস্তার লাভ করেছে, এটার জন্য ফগার স্প্রে–এর মাধ্যমে আমাদের কার্যক্রমগুলো চালাব। এডিস মশার লার্ভা ধ্বংসের জন্য শিকাগো থেকে বিটিআই–এর যে ইকুইপমেন্টস আমরা নিয়েছি সেটা ইফেক্টিভ রেজাল্ট দিয়েছে, যার কারণে চট্টগ্রাম শহরে আমরা এখনো পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে অথবা ডেঙ্গুতে মারা গিয়েছে এ ধরনের তথ্য এখনো পাইনি।

তিনি বলেন, বর্তমানে কিউলেঙ মশা বিস্তার লাভ করেছে। এর কারণ হচ্ছে– আমরা বার বার সিভিক এওয়ারনেস ডেভেলপ করার পরও মানুষ যত্রতত্র ময়লা–আর্বজনা, পলিথিন–প্লাস্টিক, ককশিট এবং অন্যান্য বর্জ্য ফেলছে। এগুলো নালা–নর্দমা ভরাট করছে। যেহেতু এখন বৃষ্টি নেই, তাই পানির গতি প্রবাহও নেই। এতে স্ন্যাগনেন্ট (স্থবির) অবস্থায় থাকায় ময়লাগুলো পচনশীল হয়ে সেখানে মশার বিস্তার লাভ করছে। সেজন্য ড্রেনগুলো ক্লিন করতে হবে।

মেয়র বলেন, বর্ষাকালে ফুলের টব, ডাবের খোসা, নির্মাণাধীন ভবনের সামগ্রী বা প্লাস্টিকের পাত্রে জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে এডিস মশার লার্ভা জন্ম নেয়, যা ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার জন্য দায়ী। কিন্তু এই সিজনে বিস্তার লাভ করেছে কিউলেঙ মশার। নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার রাখা এবং আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব।

ডা. শাহাদাত গত ১৬ মাস ধরে মশক নিধনে পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম চলছে দাবি করে বলেন, চট্টগ্রামে প্রথম আমরা ক্লিন, গ্রিন, হেলদি সেফ এন্ড স্মার্ট সিটির কনসেপ্ট দিয়েছি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, চট্টগ্রামের মত প্রত্যেকটা জায়গায় ক্লিন গ্রিন সিটি বাস্তবায়িত করতে হবে। এজন্য আমরা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমরা মনে করি চট্টগ্রাম সবসময় পথ দেখিয়েছে। ২০২৫ সালে সমগ্র সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে আমরা প্রথম স্থান অর্জন করেছি। এই প্রথম স্থান আমরা ধরে রাখতে চাই, এই ক্লিন, গ্রিন কনসেপ্টের মধ্যে দিয়ে ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার মধ্যে দিয়ে।

তিনি বলেন, জনগণকে বারবার বলছি, এই শহর আমাদের সবার শহর, আমার একার শহর নয়। আমাদেরকে সবাই মিলে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য এ শহরকে একটি বাসযোগ্য শহরে পরিণত করে দিতে হবে। কাজেই সবাইকে দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে হবে। যার বাড়ি আছে তার বাড়ির আঙ্গিনা পরিষ্কার করবেন। বাড়ির সামনে যদি নালা থাকে প্রতি শনিবার এই নালাগুলোকে ক্লিন করে আসবেন। এতে এই ভেবে আপনার ভালো লাগবে, একজন নাগরিক হিসেবে আপনার দায়িত্ব থেকে কিছু করতে পেরেছেন।

এসময় ৪১ ওয়ার্ডে কিভাবে মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালিত হবে জানতে চাইলে মেয়র বলেন, অলরেডি প্রত্যেকটা ওয়ার্ডে ফগার স্প্রেং সলিউশন দেয়া আছে, যেটাকে আমরা বলি এডাল্টিসাইড। আর লার্ভিসাইড যেটা বিটিআই–শিকাগো সেটাও আমাদের প্রত্যেকটা ওয়ার্ডে দেওয়া আছে। কাউন্সিলর নেই, তাই সেখানে থাকা সুপারভাইজর এবং ওয়ার্ড সচিবের নেতৃত্বে এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে কার্যক্রমগুলো আমাদের পরিচ্ছন্ন কর্মীরা করছে।

মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ এলাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান, কারণ প্রতিদিন এখানে হাজার হাজার মানুষ চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন। তাই মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে ও ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে এই এলাকাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

এদিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মেইন গেট, কে বি ফজলুল কাদের রোড এবং প্রবর্তক মোড় এলাকায় ড্রেন পরিষ্কার করা হয় এবং মশক নিধনে লার্ভিসাইড ওষুধ ছিটানো হয়। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মীরা ফগার মেশিন ও স্প্রে মেশিন ব্যবহার করে মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন, চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ–পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী, উপপ্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. সরফুল ইসলাম মাহী।

দি ক্রাইম ডেস্ক: মশার প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাওয়া নগরের ৯টি এলাকাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। এলাকাগুলো হচ্ছে চকবাজার, বাকলিয়া, বায়েজিদ, আগ্রাবাদ (আবাসিক থেকে মুহরী পাড়া পর্যন্ত), হালিশহর, মোগলটুলী, ফিরিঙ্গি বাজার, এনায়েত বাজার গোয়ালপাড়া ও কোতোয়ালী। বিশেষ টিম গঠন করে চিহ্নিত এলাকাগুলোতে মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করবে চসিক। এ তথ্য জানিয়েছেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

গতকাল শনিবার চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও এর আশপাশের এলাকায় ‘শনিবারের অঙ্গীকার, বাসাবাড়ি করি পরিষ্কার’ স্লোগানে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান উদ্বোধনকালে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করার বিষয়টি জানান মেয়র। চসিকের পরিচ্ছন্ন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চিহ্নিত এলাকাগুলোতে বিদ্যমান খাল, নালা–নর্দমা প্রথমে পরিষ্কার করা হবে। এরপর মশার ব্রিডিং জোনে মশার লার্ভা ধ্বংসে প্রযোগ করা হবে প্রাকৃতিকভাবে উৎপন্ন এক ধরনের ব্যাকটেরিয়াভিত্তিক লার্ভিসাইড ‘ব্যাসিলাল থুরিনজেনসিস ইসরায়েলেনসিস’ (বিটিআই)। এছাড়া প্রতি তিনদিন পর এলাকাগুলোতে পূর্ণাঙ্গ মশক নিধনে প্রয়োগ করা এডাল্টিসাইড। এ বিষয়ে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করেছি। সেখানে মশক নিধনে স্পেশাল টিম গঠন করেছি। এ টিমে ১৬০ জনের মত পরিচ্ছন্ন কর্মী আছে।

ডেঙ্গু–চিকুনগুনিয়া প্রায় শূন্যের কোটায়, দাবি মেয়রের : মশক নিধন কার্যক্রম উদ্বোধনকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ডা. শাহাদাত বলেন, লার্ভিসাইড (মশার লার্ভা ধ্বংসকারী কীটনাশক) দেওয়ার পরে ডেঙ্গু চিকুনগুনিয়া হয়নি। গত তিন–চার মাসের পরিসংখ্যান দেখলে দেখবেন, ডেঙ্গু–চিকুনগুনিয়া অনেকাংশে কমে গেছে, প্রায় শূন্যের কোটায়, আমরা এটা চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলতে পারি। এখন কিউলেঙ মশার বিস্তার লাভ করেছে, এটার জন্য ফগার স্প্রে–এর মাধ্যমে আমাদের কার্যক্রমগুলো চালাব। এডিস মশার লার্ভা ধ্বংসের জন্য শিকাগো থেকে বিটিআই–এর যে ইকুইপমেন্টস আমরা নিয়েছি সেটা ইফেক্টিভ রেজাল্ট দিয়েছে, যার কারণে চট্টগ্রাম শহরে আমরা এখনো পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে অথবা ডেঙ্গুতে মারা গিয়েছে এ ধরনের তথ্য এখনো পাইনি।

তিনি বলেন, বর্তমানে কিউলেঙ মশা বিস্তার লাভ করেছে। এর কারণ হচ্ছে– আমরা বার বার সিভিক এওয়ারনেস ডেভেলপ করার পরও মানুষ যত্রতত্র ময়লা–আর্বজনা, পলিথিন–প্লাস্টিক, ককশিট এবং অন্যান্য বর্জ্য ফেলছে। এগুলো নালা–নর্দমা ভরাট করছে। যেহেতু এখন বৃষ্টি নেই, তাই পানির গতি প্রবাহও নেই। এতে স্ন্যাগনেন্ট (স্থবির) অবস্থায় থাকায় ময়লাগুলো পচনশীল হয়ে সেখানে মশার বিস্তার লাভ করছে। সেজন্য ড্রেনগুলো ক্লিন করতে হবে।

মেয়র বলেন, বর্ষাকালে ফুলের টব, ডাবের খোসা, নির্মাণাধীন ভবনের সামগ্রী বা প্লাস্টিকের পাত্রে জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে এডিস মশার লার্ভা জন্ম নেয়, যা ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার জন্য দায়ী। কিন্তু এই সিজনে বিস্তার লাভ করেছে কিউলেঙ মশার। নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার রাখা এবং আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব।

ডা. শাহাদাত গত ১৬ মাস ধরে মশক নিধনে পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম চলছে দাবি করে বলেন, চট্টগ্রামে প্রথম আমরা ক্লিন, গ্রিন, হেলদি সেফ এন্ড স্মার্ট সিটির কনসেপ্ট দিয়েছি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, চট্টগ্রামের মত প্রত্যেকটা জায়গায় ক্লিন গ্রিন সিটি বাস্তবায়িত করতে হবে। এজন্য আমরা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমরা মনে করি চট্টগ্রাম সবসময় পথ দেখিয়েছে। ২০২৫ সালে সমগ্র সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে আমরা প্রথম স্থান অর্জন করেছি। এই প্রথম স্থান আমরা ধরে রাখতে চাই, এই ক্লিন, গ্রিন কনসেপ্টের মধ্যে দিয়ে ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার মধ্যে দিয়ে।

তিনি বলেন, জনগণকে বারবার বলছি, এই শহর আমাদের সবার শহর, আমার একার শহর নয়। আমাদেরকে সবাই মিলে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য এ শহরকে একটি বাসযোগ্য শহরে পরিণত করে দিতে হবে। কাজেই সবাইকে দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে হবে। যার বাড়ি আছে তার বাড়ির আঙ্গিনা পরিষ্কার করবেন। বাড়ির সামনে যদি নালা থাকে প্রতি শনিবার এই নালাগুলোকে ক্লিন করে আসবেন। এতে এই ভেবে আপনার ভালো লাগবে, একজন নাগরিক হিসেবে আপনার দায়িত্ব থেকে কিছু করতে পেরেছেন।

এসময় ৪১ ওয়ার্ডে কিভাবে মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালিত হবে জানতে চাইলে মেয়র বলেন, অলরেডি প্রত্যেকটা ওয়ার্ডে ফগার স্প্রেং সলিউশন দেয়া আছে, যেটাকে আমরা বলি এডাল্টিসাইড। আর লার্ভিসাইড যেটা বিটিআই–শিকাগো সেটাও আমাদের প্রত্যেকটা ওয়ার্ডে দেওয়া আছে। কাউন্সিলর নেই, তাই সেখানে থাকা সুপারভাইজর এবং ওয়ার্ড সচিবের নেতৃত্বে এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে কার্যক্রমগুলো আমাদের পরিচ্ছন্ন কর্মীরা করছে।

মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ এলাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান, কারণ প্রতিদিন এখানে হাজার হাজার মানুষ চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন। তাই মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে ও ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে এই এলাকাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

এদিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মেইন গেট, কে বি ফজলুল কাদের রোড এবং প্রবর্তক মোড় এলাকায় ড্রেন পরিষ্কার করা হয় এবং মশক নিধনে লার্ভিসাইড ওষুধ ছিটানো হয়। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মীরা ফগার মেশিন ও স্প্রে মেশিন ব্যবহার করে মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন, চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ–পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী, উপপ্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. সরফুল ইসলাম মাহী।