*ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে সাধারণ মানুষ

*ব্যবহার করা হচ্ছে অনলাইন মাধ্যম

আহমদ কবির: দুঃস্থ অসহায় ব্যক্তিদের নাম ব্যবহার ও সৌদি, কাতার, জর্ডান,ইসলামী অনুদান, মোজাহের ভাই, নিপা পারভিন ইত্যাদি আর্থিক অনুদান দেয়ার নামে একটি সিন্ডিকেট চক্র অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। এমন অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগি আবদুল হাফিজ (ছদ্মনাম) নামের এক ব্যক্তি। চক্রটি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে নানা প্রলোভনের ফাঁদে ফেলে অসহায় দুস্থ মানুষের কাছ থেকে এই বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে বিদেশী অনুদান সাহায্যের নামে বিপুল অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে একটি চক্র। সৌদি মানব কল্যাণ সংস্থা, সৌদি অনুদান ফাউন্ডেশন, ইসলামীক ফাউন্ডেশন (বিদেশী) সুমি, নিপা পারভিন আপার নামে অনুদান কেন্দ্র ইত্যাদি নাম ব্যবহার করে টাকা পেতে দ্রুত বিকাশ,নগদ নাম্বার দেয়ার আহবান জানানো হচ্ছে। ফেসবুকের কমেন্ট বক্সে ঢুকেন দ্রুত মোবাইল নাম্বার দিয়ে সাহায্য প্রার্থনা করুন। কিছুক্ষণ পর ওপার থেকে ফোন করে জানানো হচ্ছ আবেদন পাওয়া গেছে। গ্রহণ করা হলে রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে। এজন্য ফি দিতে হবে। এক ঘন্টা অথবা দু’ঘন্টা অপেক্ষা করুন দেয়া হয় টাকা পাবার নিশ্চয়তা। তখন জানানো হয় টাকা পেতে হলে অনলাইনে একটি ফরম পুরণ করে জমা দিতে হবে। লাগবে ৫৫০টাকা। এই টাকা কিভাবে পাঠাবেন তাও জানিয়ে দেয়া হচ্ছে। তাদের পারসোনাল বিকাশ অথবা নগদ নাম্বার ধরিয়ে দিয়ে বলা হচ্ছে টাকা পাঠান দ্রুত। আপনি আপনার কাঙ্খিত টাকা পেয়ে যাবেন। আবার অনেকের কাছে নিজের মোবাইল নাম্বারে টাকার অংক মেসেজ পাঠিয়ে আপনার মনে তাক লাগিয়ে দেয়া হবে। তখন আপনি খুশিতে আত্মহারা হওয়ার উপক্রম। আবার আপনার মোবাইল নাম্বারে ফোন করে বলা হবে আপনিতো এখন নগদ ৫০হাজার টাকা পেয়ে গেছেন। এই টাকা পেতে হলে নগদ অথবা বিকাশ নাম্বার দিয়ে কাউকে বলা হচ্ছে আগে ৫হাজার টাকা পাঠান, কাউকে ১০হাজার, আবার কাউকে ১৬হাজার ৫শ’টাকা পাঠাতে বলা হচ্ছে।যান বিকাশ অথবা নগদের দোকানে। এই ভাবে দেশের সাধারণ অসহায় গরীব মানুষের কাছ থেকে একটি দুস্ট ও ঝানু প্রতারক চক্র নানা প্রলোভনে হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে হাজার থেকে লাখ লাখ টাকা পর্যন্ত। মোবাইলে বলা হয় তাদের নাকি ৫০হাজার থেকে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত অনুদান সাহায্য দেয়ার ক্ষমতা আছে।

এদিকে রমজানের শেষ সময়ে এবং ঈদের আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চকম লাগানো চটকদার বিজ্ঞাপন হাঁকিয়ে সাহায্য দেয়ার নামে প্রতারণা করা হচ্ছে। কিন্তু সরকার কিংবা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার পক্ষ থেকে কোন ধরনের আইনী ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। মনভোলানো চটকদার বিজ্ঞাপনের ফাঁদে পড়ে অসহায় সাধারণ মানুষ প্রতারনার শিকার হচ্ছে। এয়ার মোহাম্মদ নামের এক ব্যবসায়ী তার বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া সন্তানকে র‌্যাব গ্রেফতার করেছে এমন সংবাদ জানিয়ে খবর দেয়া হয়। বলা হয় উক্ত নাম্বারে যোগোযোগ করুন। পিতা এই দুঃখ সংবাদ শুনেতো পাগল প্রায়। তিনি ওই নাম্বারে যোগাযোগ করলেন কাকুতি মিনতি করলেন ছেলেকে ছেড়ে দেয়ার জন্য। তিনি তারপরও বুঝতে পারলেন না এটি একটি ফাঁদ,তার কাছ থেকে হাতিয়ে নিলেন নগদ ৩৫হাজার টাকা। পরে দেখা গেল মোবাইল নাম্বারটি হারিয়ে গেছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে,দেশের সব জায়গায় ফাঁদ পেতে বসে আছে প্রতারক চক্র। এই প্রতারক চক্রের খপ্পরে পড়ে সাধারন অসহায় মানুষ আজ দিশাহারা হয়ে পড়েছে। কাউকে মোবাইল ফোনে কাউকে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আবার কাউকে লটারির মাধ্যমে প্রলোভন দেখানো হচ্ছে। আপনি দ্রুত কমেন্ট করুন কাঙ্কিত সাহায্য পেয়ে যাবেন। তবে সাহায্যতো দুরে থাক বরং হারাতে হচ্ছে পকেটের টাকা। প্রতিনিয়ত প্রতারনার শিকার হতে হলেও ভুক্তভোগি কেউ মান সম্মানের খাতিয়ে মুখ খুলতে চায়না।

*ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে সাধারণ মানুষ

*ব্যবহার করা হচ্ছে অনলাইন মাধ্যম

আহমদ কবির: দুঃস্থ অসহায় ব্যক্তিদের নাম ব্যবহার ও সৌদি, কাতার, জর্ডান,ইসলামী অনুদান, মোজাহের ভাই, নিপা পারভিন ইত্যাদি আর্থিক অনুদান দেয়ার নামে একটি সিন্ডিকেট চক্র অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। এমন অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগি আবদুল হাফিজ (ছদ্মনাম) নামের এক ব্যক্তি। চক্রটি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে নানা প্রলোভনের ফাঁদে ফেলে অসহায় দুস্থ মানুষের কাছ থেকে এই বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে বিদেশী অনুদান সাহায্যের নামে বিপুল অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে একটি চক্র। সৌদি মানব কল্যাণ সংস্থা, সৌদি অনুদান ফাউন্ডেশন, ইসলামীক ফাউন্ডেশন (বিদেশী) সুমি, নিপা পারভিন আপার নামে অনুদান কেন্দ্র ইত্যাদি নাম ব্যবহার করে টাকা পেতে দ্রুত বিকাশ,নগদ নাম্বার দেয়ার আহবান জানানো হচ্ছে। ফেসবুকের কমেন্ট বক্সে ঢুকেন দ্রুত মোবাইল নাম্বার দিয়ে সাহায্য প্রার্থনা করুন। কিছুক্ষণ পর ওপার থেকে ফোন করে জানানো হচ্ছ আবেদন পাওয়া গেছে। গ্রহণ করা হলে রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে। এজন্য ফি দিতে হবে। এক ঘন্টা অথবা দু’ঘন্টা অপেক্ষা করুন দেয়া হয় টাকা পাবার নিশ্চয়তা। তখন জানানো হয় টাকা পেতে হলে অনলাইনে একটি ফরম পুরণ করে জমা দিতে হবে। লাগবে ৫৫০টাকা। এই টাকা কিভাবে পাঠাবেন তাও জানিয়ে দেয়া হচ্ছে। তাদের পারসোনাল বিকাশ অথবা নগদ নাম্বার ধরিয়ে দিয়ে বলা হচ্ছে টাকা পাঠান দ্রুত। আপনি আপনার কাঙ্খিত টাকা পেয়ে যাবেন। আবার অনেকের কাছে নিজের মোবাইল নাম্বারে টাকার অংক মেসেজ পাঠিয়ে আপনার মনে তাক লাগিয়ে দেয়া হবে। তখন আপনি খুশিতে আত্মহারা হওয়ার উপক্রম। আবার আপনার মোবাইল নাম্বারে ফোন করে বলা হবে আপনিতো এখন নগদ ৫০হাজার টাকা পেয়ে গেছেন। এই টাকা পেতে হলে নগদ অথবা বিকাশ নাম্বার দিয়ে কাউকে বলা হচ্ছে আগে ৫হাজার টাকা পাঠান, কাউকে ১০হাজার, আবার কাউকে ১৬হাজার ৫শ’টাকা পাঠাতে বলা হচ্ছে।যান বিকাশ অথবা নগদের দোকানে। এই ভাবে দেশের সাধারণ অসহায় গরীব মানুষের কাছ থেকে একটি দুস্ট ও ঝানু প্রতারক চক্র নানা প্রলোভনে হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে হাজার থেকে লাখ লাখ টাকা পর্যন্ত। মোবাইলে বলা হয় তাদের নাকি ৫০হাজার থেকে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত অনুদান সাহায্য দেয়ার ক্ষমতা আছে।

এদিকে রমজানের শেষ সময়ে এবং ঈদের আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চকম লাগানো চটকদার বিজ্ঞাপন হাঁকিয়ে সাহায্য দেয়ার নামে প্রতারণা করা হচ্ছে। কিন্তু সরকার কিংবা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার পক্ষ থেকে কোন ধরনের আইনী ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। মনভোলানো চটকদার বিজ্ঞাপনের ফাঁদে পড়ে অসহায় সাধারণ মানুষ প্রতারনার শিকার হচ্ছে। এয়ার মোহাম্মদ নামের এক ব্যবসায়ী তার বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া সন্তানকে র‌্যাব গ্রেফতার করেছে এমন সংবাদ জানিয়ে খবর দেয়া হয়। বলা হয় উক্ত নাম্বারে যোগোযোগ করুন। পিতা এই দুঃখ সংবাদ শুনেতো পাগল প্রায়। তিনি ওই নাম্বারে যোগাযোগ করলেন কাকুতি মিনতি করলেন ছেলেকে ছেড়ে দেয়ার জন্য। তিনি তারপরও বুঝতে পারলেন না এটি একটি ফাঁদ,তার কাছ থেকে হাতিয়ে নিলেন নগদ ৩৫হাজার টাকা। পরে দেখা গেল মোবাইল নাম্বারটি হারিয়ে গেছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে,দেশের সব জায়গায় ফাঁদ পেতে বসে আছে প্রতারক চক্র। এই প্রতারক চক্রের খপ্পরে পড়ে সাধারন অসহায় মানুষ আজ দিশাহারা হয়ে পড়েছে। কাউকে মোবাইল ফোনে কাউকে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আবার কাউকে লটারির মাধ্যমে প্রলোভন দেখানো হচ্ছে। আপনি দ্রুত কমেন্ট করুন কাঙ্কিত সাহায্য পেয়ে যাবেন। তবে সাহায্যতো দুরে থাক বরং হারাতে হচ্ছে পকেটের টাকা। প্রতিনিয়ত প্রতারনার শিকার হতে হলেও ভুক্তভোগি কেউ মান সম্মানের খাতিয়ে মুখ খুলতে চায়না।