আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ার প্রেক্ষাপটে সৌদি আরবে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক মিশনের কিছু মার্কিন কর্মীকে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। বর্তমান ও সাবেক মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের জারি করা ‘অর্ডারড ডিপারচার’ বা বাধ্যতামূলক প্রত্যাহার নির্দেশনার আওতায় এসব কর্মীকে সৌদি আরব ছাড়তে বলা হয়েছে। কর্মকর্তাদের মতে, এ সিদ্ধান্ত থেকে বোঝা যাচ্ছে যে অঞ্চলটিতে নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়েছে বলে যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার পর শুরু হওয়া সংঘাতের পর প্রথমবারের মতো সৌদি আরবের ক্ষেত্রে এমন বাধ্যতামূলক প্রত্যাহার অনুমোদন করা হলো।

এর আগে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন কূটনৈতিক মিশনে কর্মরত অপ্রয়োজনীয় মার্কিন সরকারি কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের স্বেচ্ছায় দেশ ছেড়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। তবে তখন কোনো বাধ্যতামূলক নির্দেশনা জারি করা হয়নি।

নতুন এই নির্দেশনার বিষয়ে কথা বলা কর্মকর্তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে তথ্য দিয়েছেন, কারণ এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কথা বলার অনুমতি তাদের ছিল না।

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ার প্রেক্ষাপটে সৌদি আরবে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক মিশনের কিছু মার্কিন কর্মীকে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। বর্তমান ও সাবেক মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের জারি করা ‘অর্ডারড ডিপারচার’ বা বাধ্যতামূলক প্রত্যাহার নির্দেশনার আওতায় এসব কর্মীকে সৌদি আরব ছাড়তে বলা হয়েছে। কর্মকর্তাদের মতে, এ সিদ্ধান্ত থেকে বোঝা যাচ্ছে যে অঞ্চলটিতে নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়েছে বলে যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার পর শুরু হওয়া সংঘাতের পর প্রথমবারের মতো সৌদি আরবের ক্ষেত্রে এমন বাধ্যতামূলক প্রত্যাহার অনুমোদন করা হলো।

এর আগে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন কূটনৈতিক মিশনে কর্মরত অপ্রয়োজনীয় মার্কিন সরকারি কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের স্বেচ্ছায় দেশ ছেড়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। তবে তখন কোনো বাধ্যতামূলক নির্দেশনা জারি করা হয়নি।

নতুন এই নির্দেশনার বিষয়ে কথা বলা কর্মকর্তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে তথ্য দিয়েছেন, কারণ এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কথা বলার অনুমতি তাদের ছিল না।